ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু পণ্যবাহী গাড়ি থেকে তেল, চিনি ও রড ডাকাতি বন্ধের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রান্সপোর্ট মালিকদের মানববন্ধন বানভাসী দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাশে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো গাড়িতে ইয়াবা পাচার, রামুতে আটক ৩ শার্শায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার-১ ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ব্যবসার যশোরাঞ্চলে বিশাল বিস্তৃতি অপরাধমুক্ত, শান্তিপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ গড়াই আমাদের অঙ্গীকার: পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী পটিয়ার ভাটিখাইনে কালি বাড়ি সড়কের বেহাল দশা চলাচলের জন দুর্ভোগ চরমে সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর ‎বরুড়ায় মানবসেবা সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দুই শতাধিক বৃক্ষ বিতরণ পটিয়ার কেলিশহরে রথযাত্রা সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের খিচুড়ি বিতরণ

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যা, মামলার ৬ দিন পর হত্যাকারী আটক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি রামগড় পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাগানটিলা নামক স্থানে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যার মূল আসামি মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৫) (পিতা মোঃ শাহাবুদ্দিন)কে ছাগলনাইয়ার উত্তর কুহুমা থেকে আটক করেছে পুলিশ, আটককৃত আসামি ভিকটিম আমেনা বেগমের সম্পর্কে নাতি ও রেহেনা আক্তারের ভাইপুত হয়।

আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আজ (বৃহস্পতিবার)২৮ আগস্ট পুলিশ প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয় যে ঘটনার দিন আসামী সাইফুল তার দাদীর বাড়িতে এসে টাকা চাইলে ভিকটিমদ্বয় তাকে গালমন্দ করে। এরপর আসামি না খেয়ে দাদীর ঘরে শুয়ে থাকে এবং হত্যার পরিকল্পনা করে। রাত গভীর হলে আসামীর দাদী এবং ফুফু পার্শ্ববর্তী দুইটি কক্ষে ঘুমিয়ে গেলে আসামি দাদীর ঘরে থাকা বাঁশ কাটার দা দিয়ে প্রথমে ফুফু রাহেনা আক্তার এর গলায় সজোরে কোপ দিয়ে হত্যা করে এর পর দাদীকেও একই ভাবে হত্যা করে রাতেই পালিয়ে যায়।

উল্লেখ যে গত ২১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রামগড় পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাগানটিলা নামক স্থান থেকে আমেনা বেগম( ৮৮) ও তার মেয়ে রেহেনা আক্তার (৪৫)এর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছিল থানা পুলিশ, ২২ আগস্ট (শুক্রবার) হত্যার বিচার চেয়ে ৩০২/৩৪ ধারায় ভিকটিম রেহেনা আক্তার এর এক মাত্র ছেলে মোঃ হাসান (২০) বাদী হয়ে রামগড় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, এঘটনার ৬দিন পর পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার মূল আসামি মোঃ সাইফুল ইসলাম,(৩৫)কে ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহুমা দারোগাছড়ায় মন্নান শিকদারের ছেলে মনার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন, সাইফুল ইসলাম মনার বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যা, মামলার ৬ দিন পর হত্যাকারী আটক

আপডেট সময় : ০৭:১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি রামগড় পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাগানটিলা নামক স্থানে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যার মূল আসামি মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৫) (পিতা মোঃ শাহাবুদ্দিন)কে ছাগলনাইয়ার উত্তর কুহুমা থেকে আটক করেছে পুলিশ, আটককৃত আসামি ভিকটিম আমেনা বেগমের সম্পর্কে নাতি ও রেহেনা আক্তারের ভাইপুত হয়।

আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আজ (বৃহস্পতিবার)২৮ আগস্ট পুলিশ প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয় যে ঘটনার দিন আসামী সাইফুল তার দাদীর বাড়িতে এসে টাকা চাইলে ভিকটিমদ্বয় তাকে গালমন্দ করে। এরপর আসামি না খেয়ে দাদীর ঘরে শুয়ে থাকে এবং হত্যার পরিকল্পনা করে। রাত গভীর হলে আসামীর দাদী এবং ফুফু পার্শ্ববর্তী দুইটি কক্ষে ঘুমিয়ে গেলে আসামি দাদীর ঘরে থাকা বাঁশ কাটার দা দিয়ে প্রথমে ফুফু রাহেনা আক্তার এর গলায় সজোরে কোপ দিয়ে হত্যা করে এর পর দাদীকেও একই ভাবে হত্যা করে রাতেই পালিয়ে যায়।

উল্লেখ যে গত ২১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রামগড় পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাগানটিলা নামক স্থান থেকে আমেনা বেগম( ৮৮) ও তার মেয়ে রেহেনা আক্তার (৪৫)এর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছিল থানা পুলিশ, ২২ আগস্ট (শুক্রবার) হত্যার বিচার চেয়ে ৩০২/৩৪ ধারায় ভিকটিম রেহেনা আক্তার এর এক মাত্র ছেলে মোঃ হাসান (২০) বাদী হয়ে রামগড় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, এঘটনার ৬দিন পর পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার মূল আসামি মোঃ সাইফুল ইসলাম,(৩৫)কে ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহুমা দারোগাছড়ায় মন্নান শিকদারের ছেলে মনার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন, সাইফুল ইসলাম মনার বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।