ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উখিয়ায় পৃথক অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা মূলক সভায় বক্তব্য রাখেন মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন স্কুল থেকে ফিরে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর চকরিয়ায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র কার্তুজসহ ৩ জন আটক যশোরের শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় হেলপার নিহত বাংলাদেশ জনতা পার্টির ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি ভবন ঘেরাওয়ে পু’লিশি বা’ধা বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত : ডা. জুবাইদা রহমান বরুড়ায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলায় রূপান্তরের দাবিতে জোরালো সমাবেশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার নিজ এলাকা মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলা হিসেবে বাস্তবায়নের দাবিতে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের আয়োজনে ধনপতিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

আনোয়ারুল ইসলাম রাহাত খান এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মোঃ গোলাম কিবরিয়া সরকার।

উপজেলা এনসিপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ এম এ জাহের মুন্সী, উপজেলা এনসিপি’র আহবায়ক মিনহাজুল হক, সার্চ কমিটির সদস্য মোঃ এনামুল আলম এনাম, বাঙ্গরা বাজার থানা এনসিপি’র সভাপতি কামরুল হাসান কেনাল, উপজেলা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহবায়ক এড. ওবায়দুল হক সিদ্দিকী, বাঙ্গরা পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বাহার খান, শ্রীকাইল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল বাহার, সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, বলীঘর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি তাহমিনা আক্তার প্রমুখ।

বক্তারা জানান, বৃহত্তর মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ২০১৬ সালে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে বাঙ্গরা বাজার থানা করা হয়। বর্তমানে এ থানার জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ১১২ জন (জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী)। এত বিপুল জনসংখ্যার প্রেক্ষাপটে দ্রুত উপজেলা বাস্তবায়ন সময়ের দাবি।

বক্তারা অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার নিকট বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।

সমাবেশে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় পৃথক অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলায় রূপান্তরের দাবিতে জোরালো সমাবেশ

আপডেট সময় : ১১:৪২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার নিজ এলাকা মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলা হিসেবে বাস্তবায়নের দাবিতে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের আয়োজনে ধনপতিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

আনোয়ারুল ইসলাম রাহাত খান এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মোঃ গোলাম কিবরিয়া সরকার।

উপজেলা এনসিপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ এম এ জাহের মুন্সী, উপজেলা এনসিপি’র আহবায়ক মিনহাজুল হক, সার্চ কমিটির সদস্য মোঃ এনামুল আলম এনাম, বাঙ্গরা বাজার থানা এনসিপি’র সভাপতি কামরুল হাসান কেনাল, উপজেলা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহবায়ক এড. ওবায়দুল হক সিদ্দিকী, বাঙ্গরা পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বাহার খান, শ্রীকাইল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল বাহার, সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, বলীঘর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি তাহমিনা আক্তার প্রমুখ।

বক্তারা জানান, বৃহত্তর মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ২০১৬ সালে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে বাঙ্গরা বাজার থানা করা হয়। বর্তমানে এ থানার জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ১১২ জন (জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী)। এত বিপুল জনসংখ্যার প্রেক্ষাপটে দ্রুত উপজেলা বাস্তবায়ন সময়ের দাবি।

বক্তারা অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার নিকট বাঙ্গরা বাজার থানাকে উপজেলা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।

সমাবেশে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।