ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে যৌথ অভিযানে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ নারায়ণগঞ্জ সদরে ১০ স্কুলে ৫০০ গাছের চারা ও ২টি ইন্টারেক্টিভ বোর্ড বিতরণ ২৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক অতিবৃষ্টির কারনে জনদুর্ভোগ দ্রুত লাঘবে জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দিলেন ডিসি মোঃ রায়হান কবির যশোর খাজুরায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা নারায়ণগঞ্জে পৃথক দুই ডাকাতির ঘটনায় ৫ ডাকাত গ্রেফতার, সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণ ও শটগান উদ্ধার অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে নারায়ণগঞ্জ সদরে প্রশাসনের জরুরি নির্দেশনা, ইউনিয়ন পর্যায়ে শুরু হয়েছে কাজ চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পানিবন্দি লাখো মানুষের জন্য মানবিক সহায়তার আহ্বান জানালেন সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল চট্টগ্রাম দক্ষিণে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে জাতীয় পার্টির ব্যাপক প্রস্তুতি বেনাপোল বন্দরে জব্দকৃত ৩ হাজার ৬৭৫ কেজি ভায়াগ্রা পাচার শঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার, পাচার ঠেকাতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ নিরাপত্তা

ফতুল্লায় বাউল শিল্পী আনিকার মর্মান্তিক মৃত্যু ,স্বামী আটক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪০২ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কাগজ প্রতিবদক: ‎নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভুইঘর এলাকায় এক বাউল শিল্পীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য দেখা দিয়েছে। শুক্রবার ৩ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে বাউল শিল্পী আনিকা আক্তার অনিকা (১৯) অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রাণ হারান। রাতের এই সময়ে স্বামী হাবিবুর রহমান (২৫) তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ হাবিবুরকে আটক করে। মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

‎নিহত আনিকা আক্তার অনিকা মাদারীপুর জেলার মোস্তফাকুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। তিনি স্বামী হাবিবুরের সঙ্গে ফতুল্লার ভুইঘরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। পারিবারিক কলহ থেকেই এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ আনিকার পরিবারের।

‎আনিকার বাবা জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক থেকে আনিকার বিয়ে হয় হাবিবুরের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে কলহ চলত, এমনকি হাবিবুর সংসারের ভরণপোষণও করতেন না। চার মাস আগে আনিকা কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। এরপর সন্তানকে কোলে নিয়েই তিনি নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বাউল ক্লাবে গান করতেন। কিন্তু তার উপার্জনের টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নিতেন হাবিবুর।

‎অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর দাবি করেন, তিনি আনিকাকে হত্যা করেননি। তার ভাষ্য, “চাঁদপুর থেকে ফিরে ভুইঘরের ফ্ল্যাটে দরজা ভেঙে প্রবেশ করি। ভেতরে দেখি, আনিকা জানালার গ্রিলে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।তিনি আরও বলেন, তালাকের নোটিশ ভুয়া ছিল, আনিকাকে ভয় দেখানোর জন্যই সেটা পাঠিয়েছিলাম।

‎ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। “আমরা ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে যৌথ অভিযানে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

ফতুল্লায় বাউল শিল্পী আনিকার মর্মান্তিক মৃত্যু ,স্বামী আটক

আপডেট সময় : ১১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

আলোকিত কাগজ প্রতিবদক: ‎নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভুইঘর এলাকায় এক বাউল শিল্পীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য দেখা দিয়েছে। শুক্রবার ৩ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে বাউল শিল্পী আনিকা আক্তার অনিকা (১৯) অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রাণ হারান। রাতের এই সময়ে স্বামী হাবিবুর রহমান (২৫) তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ হাবিবুরকে আটক করে। মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

‎নিহত আনিকা আক্তার অনিকা মাদারীপুর জেলার মোস্তফাকুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। তিনি স্বামী হাবিবুরের সঙ্গে ফতুল্লার ভুইঘরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। পারিবারিক কলহ থেকেই এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ আনিকার পরিবারের।

‎আনিকার বাবা জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক থেকে আনিকার বিয়ে হয় হাবিবুরের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে কলহ চলত, এমনকি হাবিবুর সংসারের ভরণপোষণও করতেন না। চার মাস আগে আনিকা কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। এরপর সন্তানকে কোলে নিয়েই তিনি নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বাউল ক্লাবে গান করতেন। কিন্তু তার উপার্জনের টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নিতেন হাবিবুর।

‎অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর দাবি করেন, তিনি আনিকাকে হত্যা করেননি। তার ভাষ্য, “চাঁদপুর থেকে ফিরে ভুইঘরের ফ্ল্যাটে দরজা ভেঙে প্রবেশ করি। ভেতরে দেখি, আনিকা জানালার গ্রিলে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।তিনি আরও বলেন, তালাকের নোটিশ ভুয়া ছিল, আনিকাকে ভয় দেখানোর জন্যই সেটা পাঠিয়েছিলাম।

‎ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। “আমরা ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছি।