ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ায় ক্বলবুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় অফিস উদ্বোধন মিথ্যা অপপ্রচার করে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের চেষ্টা : পেছনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারাই মতলব উত্তরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১১জন গ্রেফতার নরসিংদীর শিবপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মোঃ কোহিনুর মিয়া মুজাফরাবাদ নুরুজ্জামান যাত্রামোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের  অভিভাবক সমাবেশ যশোর জেনারেল হাসপাতালে মহিলা পকেটমার আটক মাদককে না বলি, সুস্থ-সুন্দর জীবন গড়ি—মতলব উত্তরে মাদকবিরোধী র‌্যালি ও পথসভা ১৭ বছর নয়, অচিরেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন হবে —আলমগীর সরকার মাধবপুরে পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার বালিয়াকান্দিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

‎‘হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’—ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অবস্থান তুলে ধরলেন বিএনপির নেতা রুহুল আমিন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

‎নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
‎নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নিজের পারিবারিক ইতিহাস, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন। ‘নারায়ণগঞ্জের হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’ শিরোনামে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।
‎‎স্ট্যাটাসে রুহুল আমিন দাবি করেন, তার বাবা ১৯৬৬ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশন-এর পূর্ব পাশে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে সেখানে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার বাবা ১৯৬৯-৭০ সালে ঢাকা ভেজিটেবল অয়েল ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ডিলার ছিলেন।
‎‎তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশ থেকে মাথায় করে ইট এনে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই সময় তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
‎‎রুহুল আমিন আরও দাবি করেন, তিনি ২০০১ সাল থেকে নিয়মিত সরকারকে আয়কর দিয়ে আসছেন এবং তার স্ত্রী ২০২১ সাল থেকে করদাতা। পাশাপাশি তার স্ত্রী বাংলাদেশ ডাক বিভাগ-এর ঢাকা জিপিও-তে দুটি পাঁচ বছর মেয়াদি ডিপিএস করেন, যার একটি ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে এবং অন্যটির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুনে শেষ হবে।
‎‎রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলা হয়েছে এবং ১৪ বার কারাবরণ করেছেন। তখন আমার দলীয় আইজীবিরা আমার কাজ থেকে সামান্য মাত্র টাকা নিয়ে জামিন বা কারামুক্তির সহায়তা করেন বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।
‎‎এছাড়া ১৯৯৭ সাল থেকে আইনজীবীদের ফি নিজেই পরিশোধ করেছেন বলেও দাবি করেন।
‎স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি আরও দাবি করেন, গত ৫ আগস্টের আগে এলাকার কোনো মুদি দোকান, সবজির দোকান, চায়ের দোকান বা মাছের বাজারে কখনো বাকিতে কেনাকাটা করেননি কিংবা কারও কাছ থেকে ১০০ টাকাও ধার নেননি।
‎‎একই সঙ্গে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে, কিন্তু কানে হাত দেননি’—এই প্রবাদ উল্লেখ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া অপপ্রচারে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান তিনি।
‎ফেসবুকে প্রকাশিত এই স্ট্যাটাসটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়ায় ক্বলবুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় অফিস উদ্বোধন

‎‘হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’—ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অবস্থান তুলে ধরলেন বিএনপির নেতা রুহুল আমিন

আপডেট সময় : ০৭:১৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

‎নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
‎নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নিজের পারিবারিক ইতিহাস, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন। ‘নারায়ণগঞ্জের হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’ শিরোনামে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।
‎‎স্ট্যাটাসে রুহুল আমিন দাবি করেন, তার বাবা ১৯৬৬ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশন-এর পূর্ব পাশে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে সেখানে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার বাবা ১৯৬৯-৭০ সালে ঢাকা ভেজিটেবল অয়েল ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ডিলার ছিলেন।
‎‎তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশ থেকে মাথায় করে ইট এনে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই সময় তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
‎‎রুহুল আমিন আরও দাবি করেন, তিনি ২০০১ সাল থেকে নিয়মিত সরকারকে আয়কর দিয়ে আসছেন এবং তার স্ত্রী ২০২১ সাল থেকে করদাতা। পাশাপাশি তার স্ত্রী বাংলাদেশ ডাক বিভাগ-এর ঢাকা জিপিও-তে দুটি পাঁচ বছর মেয়াদি ডিপিএস করেন, যার একটি ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে এবং অন্যটির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুনে শেষ হবে।
‎‎রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলা হয়েছে এবং ১৪ বার কারাবরণ করেছেন। তখন আমার দলীয় আইজীবিরা আমার কাজ থেকে সামান্য মাত্র টাকা নিয়ে জামিন বা কারামুক্তির সহায়তা করেন বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।
‎‎এছাড়া ১৯৯৭ সাল থেকে আইনজীবীদের ফি নিজেই পরিশোধ করেছেন বলেও দাবি করেন।
‎স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি আরও দাবি করেন, গত ৫ আগস্টের আগে এলাকার কোনো মুদি দোকান, সবজির দোকান, চায়ের দোকান বা মাছের বাজারে কখনো বাকিতে কেনাকাটা করেননি কিংবা কারও কাছ থেকে ১০০ টাকাও ধার নেননি।
‎‎একই সঙ্গে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে, কিন্তু কানে হাত দেননি’—এই প্রবাদ উল্লেখ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া অপপ্রচারে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান তিনি।
‎ফেসবুকে প্রকাশিত এই স্ট্যাটাসটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।