ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে আলোর ছোঁয়া যুব ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সাইফীর উপর দেলোয়ার কর্তৃক হামলা যশোরের শার্শা’ গোগা সীমান্তে ১২ পিস ইয়াবাসহ কিশোর গ্রেফতার ‎সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগংরোডে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান যশোরের তিনটি আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত আইনজীবীদের টেকনাফে কোস্ট গার্ডের দুই অভিযানে সাড়ে ৭ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ, আটক ১ বেনাপোল বাজারে মৌসুমের আগেই তরমুজ ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে লাখো ভক্তের পদচারনায় ওরশে মোকাদ্দাস অনুষ্ঠিত যশোরে ফার্সি ড্রেস আর জিন্স পাঞ্জাবিতে নজর শিশুদের টেকনাফ পৌরসভায় নারী কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন প্রয়াত বিএনপি নেতার মেয়ে

অন্যায়ভাবে বাংলাদেশে এসে ভারতীয় জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ভারতের জেলেরা যাতে বাংলাদেশে এসে অন্যায়ভাবে মাছ ধরতে না পারে সেটা আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমাদের জায়গায় কোস্ট গার্ড, নৌ-পুলিশ, নৌবাহিনী আছে। এটা বন্ধ করা তাদের দায়িত্ব।

আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্য মৎস্যজীবী জেলে সমিতির ১২তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জেলেদের উদ্দেশে ফরিদা আখতার বলেন, ইলিশ মাছের প্রজননের সময়, সেটা আশ্বিনের পূর্ণিমার সময় ধরে তারিখ করা হয়েছে। আশ্বিনের পূর্ণিমার চারদিন আগে থেকে শুরু করে ২২ দিনের যে হিসাব, সেটা অনেক গবেষণা করে এবং আমাদের জেলেদের সম্মতি নিয়ে করা হয়েছে। এটা যখন আমরা ঘোষণা করি, তখন কিন্তু জেলে প্রতিনিধিরা ছিলেন। কাজেই ভারত কী করছে না করছে, সেটা আমরা করবো না।

তিনি বলেন, নদী থেকে জেলেরা যে মাছ ধরে, সেগুলো কিন্তু প্রকৃতি থেকে পাওয়া। সেজন্য এই মাছগুলোকে রক্ষা করতে হয়। মা মাছগুলোকে সময় দিতে হয় ডিম পাড়ার জন্য। ছোট মাছগুলোকে বড় হওয়ার সুযোগ দিতে হয়। মাছকে রক্ষা করতে না পারলে কেউ মাছ পাবে না।

জেলেদের ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, দাদন একটি বড় সমস্যা। যে ঋণ এবং ব্যাংকের কথা আপনারা (উপস্থিত জেলে) বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে যখন কথা বললাম, তিনিও বললেন— দাদন একটি বড় সমস্যা। দাদন যে একটা বড় সমস্যা, সেটা কিন্তু সবাই স্বীকার করে। আমরা এখন ঋণ দেওয়ার জন্য ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ব্যাংক’ নামে একটা ব্যাংকের প্রস্তাব করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে আছে। তারা ইতোমধ্যে কিছু ব্যবস্থা এরকমভাবে নিচ্ছেন যে, অন্যান্য কিছু এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে যাতে কিছু ঋণ আপাতত দেওয়া যায়। একটা ব্যাংক করতে হলে সময় লাগবে। আপাতত যাতে কিছু বিকল্প পদ্ধতিতে স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, আমি দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করবো যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমাদের জেলেদের খুব ক্ষতি হয়। দুর্যোগের সময় জেলেদের পরিবার জানে না যে, জেলেরা বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে। জেলেদের পরিবার যাতে সুবিধা পায়, এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

 

 

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আলোর ছোঁয়া যুব ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অন্যায়ভাবে বাংলাদেশে এসে ভারতীয় জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ভারতের জেলেরা যাতে বাংলাদেশে এসে অন্যায়ভাবে মাছ ধরতে না পারে সেটা আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমাদের জায়গায় কোস্ট গার্ড, নৌ-পুলিশ, নৌবাহিনী আছে। এটা বন্ধ করা তাদের দায়িত্ব।

আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্য মৎস্যজীবী জেলে সমিতির ১২তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জেলেদের উদ্দেশে ফরিদা আখতার বলেন, ইলিশ মাছের প্রজননের সময়, সেটা আশ্বিনের পূর্ণিমার সময় ধরে তারিখ করা হয়েছে। আশ্বিনের পূর্ণিমার চারদিন আগে থেকে শুরু করে ২২ দিনের যে হিসাব, সেটা অনেক গবেষণা করে এবং আমাদের জেলেদের সম্মতি নিয়ে করা হয়েছে। এটা যখন আমরা ঘোষণা করি, তখন কিন্তু জেলে প্রতিনিধিরা ছিলেন। কাজেই ভারত কী করছে না করছে, সেটা আমরা করবো না।

তিনি বলেন, নদী থেকে জেলেরা যে মাছ ধরে, সেগুলো কিন্তু প্রকৃতি থেকে পাওয়া। সেজন্য এই মাছগুলোকে রক্ষা করতে হয়। মা মাছগুলোকে সময় দিতে হয় ডিম পাড়ার জন্য। ছোট মাছগুলোকে বড় হওয়ার সুযোগ দিতে হয়। মাছকে রক্ষা করতে না পারলে কেউ মাছ পাবে না।

জেলেদের ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, দাদন একটি বড় সমস্যা। যে ঋণ এবং ব্যাংকের কথা আপনারা (উপস্থিত জেলে) বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে যখন কথা বললাম, তিনিও বললেন— দাদন একটি বড় সমস্যা। দাদন যে একটা বড় সমস্যা, সেটা কিন্তু সবাই স্বীকার করে। আমরা এখন ঋণ দেওয়ার জন্য ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ব্যাংক’ নামে একটা ব্যাংকের প্রস্তাব করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে আছে। তারা ইতোমধ্যে কিছু ব্যবস্থা এরকমভাবে নিচ্ছেন যে, অন্যান্য কিছু এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে যাতে কিছু ঋণ আপাতত দেওয়া যায়। একটা ব্যাংক করতে হলে সময় লাগবে। আপাতত যাতে কিছু বিকল্প পদ্ধতিতে স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, আমি দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করবো যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমাদের জেলেদের খুব ক্ষতি হয়। দুর্যোগের সময় জেলেদের পরিবার জানে না যে, জেলেরা বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে। জেলেদের পরিবার যাতে সুবিধা পায়, এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।