ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামুতে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন ফুটপাত দখলবাজি উচ্ছেদে জেলা প্রশাসনের তৎপরতা, হাইওয়েতে সাময়িক উত্তেজনা নারায়ণগঞ্জের মন্ডলপাড়া সেই জ্বীনের মসজিদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন জেলা প্রশাসন কর্তৃক বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ করলেন আঁধারে আলো প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থা নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ লাইন্স এ ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক স্বাস্থ্য শিক্ষা সেশন অনুষ্ঠিত বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমার বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ও সালেহ শিবলী ঋণ ব্যবস্থাপনা ও করের আওতা বাড়ানোর ওপর জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেলেন রফিক

যশোরে চড়ছে গরম, বাড়ছে লোডশেডিং

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: মার্চের শুরু থেকে দেশে আর শীতের প্রভাব ছিল না। এদিকে দিন বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে তাপমাত্রা, গরম। সেই সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে লোডশেডিং। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল আমদানি নিয়ে শঙ্কার মধ্যে লোডশেডিং বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে জনভোগান্তিও বাড়তে পারে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ছুটির দিনেও বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে ওঠার সময় প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। আগের রাতে যশোর জেলাসহ বেশ কয়েকবার লোডশেডিংয়ের দেখা মেলে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় দেখা যায়, সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছে গেছে। সেই সময় উৎপাদনও ১৪ হাজার মেগাওয়াট ছুঁয়েছে। এই সময় গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৫ হাজার ১৪৬ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানি থেকে ২২৬৪ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। চাহিদার বাকি বিদ্যুৎ আসে আদানি পাওয়ার ও ভারত থেকে আমদানি করা বিভিন্ন উৎস থেকে।

পেট্রোবাংলার অপারেশন বিভাগের পরিচালক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, গরমের মৌসুম শুরু হওয়ায় এপ্রিল মাসে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। মার্চে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দৈনিক ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ ছিল, এপ্রিলে সেই চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩০ মিলিয়ন ঘনফুট।

জানা গেছে, গত মার্চ মাসের অধিকাংশ সময়জুড়ে দেশে কোনো লোডশেডিং ছিল না। ৩০ মার্চ থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৩৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। ২ এপ্রিল সেটা ৫০০ মেগাওয়াটের ধাপ অতিক্রম করে। এই সময় গ্রামের পাশাপাশি শহরাঞ্চলেও লোডশেডিং দেখা দেয়।

এদিকে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে সরকার ইতিমধ্যে সাশ্রয়ী কর্মসূচি শুরু করেছে। চলতি বছর বিদ্যুতের দৈনিক সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদা হিসাব করে সেখান থেকে ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার কথা ভাবছে সরকার। সে জন্য আগামী তিন মাস দেশব্যাপী সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা, সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চালানো, সব অফিস ভবন, বিপণিবিতান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করা।

এ ছাড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের গাড়ির জন্য জ্বালানি তেলের মাসিক বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামুতে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

যশোরে চড়ছে গরম, বাড়ছে লোডশেডিং

আপডেট সময় : ০১:১৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

মনির হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: মার্চের শুরু থেকে দেশে আর শীতের প্রভাব ছিল না। এদিকে দিন বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে তাপমাত্রা, গরম। সেই সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে লোডশেডিং। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল আমদানি নিয়ে শঙ্কার মধ্যে লোডশেডিং বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে জনভোগান্তিও বাড়তে পারে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ছুটির দিনেও বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে ওঠার সময় প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। আগের রাতে যশোর জেলাসহ বেশ কয়েকবার লোডশেডিংয়ের দেখা মেলে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় দেখা যায়, সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছে গেছে। সেই সময় উৎপাদনও ১৪ হাজার মেগাওয়াট ছুঁয়েছে। এই সময় গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৫ হাজার ১৪৬ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানি থেকে ২২৬৪ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। চাহিদার বাকি বিদ্যুৎ আসে আদানি পাওয়ার ও ভারত থেকে আমদানি করা বিভিন্ন উৎস থেকে।

পেট্রোবাংলার অপারেশন বিভাগের পরিচালক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, গরমের মৌসুম শুরু হওয়ায় এপ্রিল মাসে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। মার্চে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দৈনিক ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ ছিল, এপ্রিলে সেই চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩০ মিলিয়ন ঘনফুট।

জানা গেছে, গত মার্চ মাসের অধিকাংশ সময়জুড়ে দেশে কোনো লোডশেডিং ছিল না। ৩০ মার্চ থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৩৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। ২ এপ্রিল সেটা ৫০০ মেগাওয়াটের ধাপ অতিক্রম করে। এই সময় গ্রামের পাশাপাশি শহরাঞ্চলেও লোডশেডিং দেখা দেয়।

এদিকে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে সরকার ইতিমধ্যে সাশ্রয়ী কর্মসূচি শুরু করেছে। চলতি বছর বিদ্যুতের দৈনিক সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদা হিসাব করে সেখান থেকে ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার কথা ভাবছে সরকার। সে জন্য আগামী তিন মাস দেশব্যাপী সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা, সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চালানো, সব অফিস ভবন, বিপণিবিতান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করা।

এ ছাড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের গাড়ির জন্য জ্বালানি তেলের মাসিক বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।