ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতের আঁধারে শিকল কেটে মহিন শেখের ভ্যানগাড়ি চুরি যশোরে শার্শা ও বেনাপোলে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন: ৩২ মণ্ডপে বইছে আনন্দের জোয়ার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনাপোল স্থলবন্দরের উন্নয়নে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ ও জনমত যাচাই সভা উখিয়ায় ২ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পিস্তল-গুলি ও ডুবন্ত নৌকা জব্দ; আটক ৩ ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্প্রসারণে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী চীন-রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করছে বলে বিশ্বাস করেন না ট্রাম্প ২০৩০ বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেল নেটফ্লিক্স দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বাস্তবভিত্তিক যথাযথ নগর পরিকল্পনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী আরও ৪ জাহাজ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরায়েল উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও সংকটের মধ্যেই তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও গ্যাস অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে আরো চারটি বিশাল জাহাজ। জাহাজগুলো চটগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। বর্তমানে এই জাহাজগুলো থেকে পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া চলছে।

আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, ভারত, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও চীন থেকে এসব জ্বালানি পণ্য নিয়ে জাহাজগুলো গত কয়েক দিনে বন্দরে নোঙর করেছে। এর মধ্যে এলপিজিবাহী ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৩১ মার্চ বন্দরে পৌঁছায়। বর্তমানে এটি ‘ভাটিয়ারী’ এলাকায় অবস্থান করছে। মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা ‘শান গ্যাং ফা শিয়ান’ জাহাজটি ৩ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি বর্তমানে ‘ডিওজে-৬’ জেটিতে অবস্থান করছে এবং আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এর পণ্য খালাস সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজটি ৫ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ‘এফএসআরইউ’-তে অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে এর কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চীন থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘গ্যাস জার্নি’ গত ৫ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। বর্তমানে এটি ‘চার্লি’ এলাকায় অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে এর খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এসব জ্বালানি পণ্য দ্রুত খালাসে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সবগুলো জাহাজ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পণ্য খালাস সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সংকটে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতের আঁধারে শিকল কেটে মহিন শেখের ভ্যানগাড়ি চুরি

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী আরও ৪ জাহাজ

আপডেট সময় : ০৯:২০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরায়েল উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও সংকটের মধ্যেই তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও গ্যাস অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে আরো চারটি বিশাল জাহাজ। জাহাজগুলো চটগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। বর্তমানে এই জাহাজগুলো থেকে পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া চলছে।

আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, ভারত, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও চীন থেকে এসব জ্বালানি পণ্য নিয়ে জাহাজগুলো গত কয়েক দিনে বন্দরে নোঙর করেছে। এর মধ্যে এলপিজিবাহী ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৩১ মার্চ বন্দরে পৌঁছায়। বর্তমানে এটি ‘ভাটিয়ারী’ এলাকায় অবস্থান করছে। মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা ‘শান গ্যাং ফা শিয়ান’ জাহাজটি ৩ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি বর্তমানে ‘ডিওজে-৬’ জেটিতে অবস্থান করছে এবং আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এর পণ্য খালাস সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজটি ৫ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ‘এফএসআরইউ’-তে অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে এর কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চীন থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘গ্যাস জার্নি’ গত ৫ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। বর্তমানে এটি ‘চার্লি’ এলাকায় অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে এর খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এসব জ্বালানি পণ্য দ্রুত খালাসে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সবগুলো জাহাজ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পণ্য খালাস সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সংকটে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।