ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২ টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যংয়ে হামলা: আহত দাদা-নাতি ফ্যামিলি কার্ড শুধু ভাতার কার্ড নয়, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি: ডিসি জাহিদুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জে সীমান্ত টাওয়ারে ‘হিয়োনা’ শোরুমের উদ্বোধন জমকালো আয়োজনে মধ্যে দিয়ে পটিয়ায় কিন্ডারগার্টেন স্কুল স্বর্ণপদক মেধাবৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন যশোর বেনাপোলে টুংটাং শব্দে মুখরিত কামারপল্লী, ব্যস্ত কর্মকার শিল্পীরা ডিসি জাহিদের দেওয়া হুইলচেয়ারে বদলে গেল প্রতিবন্ধী শওকতের জীবন ঈদে টানা ৭ দিন বন্ধ থাকবে বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরে কার্যক্রম আজ পটিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুলের স্বর্ণপদক মেধাবৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে ‘উৎসব ছাড়’ সংস্কৃতি চালু করলেন ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা

রামুতে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের রামু উপজেলার বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্ক সংলগ্ন এলাকায় র‌্যাব-১৫ এর পৃথক দুই অভিযানে ৩২ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে দুই নারী রয়েছেন।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ও দুপুরে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকার মহোসিনের ছেলে মোজ্জামেল হক (৪৭), রামুর ধয়াপালং এলাকার সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়ার মরিচা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।

র‌্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদকের একটি বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল থেকে বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামানোর সংকেত দিলে চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে চালক মোজ্জামেল হককে আটক করা হয়। এ সময় সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

এরপরও এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখে র‌্যাব। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে একই চেকপোস্টে আরেকটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামিয়ে দুই নারী যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে নারী সদস্যদের সহায়তায় তাদের তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশির একপর্যায়ে তাদের ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ছয়টি বান্ডেল থেকে আরও ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি নগদ ১ হাজার ৫০০ টাকা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে রামু, উখিয়া, চকরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করার কথা স্বীকার করেছে।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা, জব্দকৃত আলামত ও আটক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি কার্যক্রম শেষে তাদের রামু থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব কর্মকর্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২

রামুতে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

আপডেট সময় : ০৬:২১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের রামু উপজেলার বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্ক সংলগ্ন এলাকায় র‌্যাব-১৫ এর পৃথক দুই অভিযানে ৩২ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে দুই নারী রয়েছেন।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ও দুপুরে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকার মহোসিনের ছেলে মোজ্জামেল হক (৪৭), রামুর ধয়াপালং এলাকার সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়ার মরিচা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।

র‌্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদকের একটি বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল থেকে বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামানোর সংকেত দিলে চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে চালক মোজ্জামেল হককে আটক করা হয়। এ সময় সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

এরপরও এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখে র‌্যাব। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে একই চেকপোস্টে আরেকটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামিয়ে দুই নারী যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে নারী সদস্যদের সহায়তায় তাদের তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশির একপর্যায়ে তাদের ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ছয়টি বান্ডেল থেকে আরও ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি নগদ ১ হাজার ৫০০ টাকা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে রামু, উখিয়া, চকরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করার কথা স্বীকার করেছে।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা, জব্দকৃত আলামত ও আটক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি কার্যক্রম শেষে তাদের রামু থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব কর্মকর্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।