ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সহ-সম্পাদক মাকসুদ উল্লাহকে ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটসের অভিনন্দন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শার্শায় বিএনপি নেতার পদ স্থগিত সিদ্ধিরগঞ্জে মৎস্যজীবী দল নেতার গ্যারেজে নূরনবী বাহিনীর তাণ্ডব: চালক ও ম্যানেজারকে পিটিয়ে জখম, টাকা ছিনতাই নারায়ণগঞ্জে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান সাধারণ জনগণের আস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে জন-প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে: ডিসি জাহিদ উখিয়ায় বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, ১৯ রোহিঙ্গা আটক বেনাপোল স্থলবন্দরে ১৪ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর নামে’ ঘোষণা! ব্যাংক লুটের রাজনীতি: আমানতকারীদের অর্থ কি চিরকালই ক্ষমতাবানদের শিকার হবে? ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহ নির্মাণে আর্থিক সহায়তা করলেন প্রধানমন্ত্রী

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর নামে’ ঘোষণা!

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আমিনুল ইসলাম: বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে “এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল” নামকরণের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাসপাতালটি দ্রুত চালু করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে।

জানা যায়, মরহুম সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহের ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাসপাতালটির জন্য জমি ক্রয় করে প্রদান করেন এবং হসপিটাল টি টেন্ডার করে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালে তিনি মারা গেলে তার ছেলে বর্তমান গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপ নির্বাচনে এমপি হন। পরবতী সরকার এসে কাজটি এগিয়ে না নেয়ার কারনে আলোর মুখ দেখেনি হসপিটাল টি।  যদিও প্রথমদিকে ২০০০ সালের দিকে পয়ালগাছা এলাকায় ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তৎকালীন সরকারের মহিলা এমপি অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের। পরবর্তীতে সেই স্থানে বর্তমানে একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং হাসপাতালটি সোনাইমুড়ী এলাকায় স্থানান্তরিত হয়ে নির্মিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ কিংবা ২০০৬ সালের দিকে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও নানা কারণে এটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। যদি ও এ হসপিটাল এর নামে ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।  অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ নেই।  ডাক্তাররা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এটাচম্যান্টে যোগদান করেন।  ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকার মানুষ প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এখনো আলোর মুখ দেখেনি এ হসপিটাল টি।

আজ ৯ জুন ২৬ ইং  হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের নামে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, নামকরণের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অবহেলিত হাসপাতালটি দ্রুত চালু হবে এবং বরুড়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা গেলে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি আপ্রাণ চেষ্টার এ হসপিটাল টির আলোর মুখ দেখায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদুর রহমান বলেন, কিছু জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি ফেলে দ্রুত হসপিটাল টি চালু করা যাবে। মাননীয় গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন স্যার কে এ বিষয় অবহিত করেছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি বলেন, আজ ও হসপিটাল টি ভিজিট করেছি। ভবন আছে, লোকবল নেই। আশা করি দ্রুত এ বিষয় সমাধান হয়ে হসপিটাল টি চালু হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সহ-সম্পাদক মাকসুদ উল্লাহকে ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটসের অভিনন্দন

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর নামে’ ঘোষণা!

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

মোঃ আমিনুল ইসলাম: বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে “এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল” নামকরণের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাসপাতালটি দ্রুত চালু করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে।

জানা যায়, মরহুম সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহের ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাসপাতালটির জন্য জমি ক্রয় করে প্রদান করেন এবং হসপিটাল টি টেন্ডার করে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালে তিনি মারা গেলে তার ছেলে বর্তমান গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপ নির্বাচনে এমপি হন। পরবতী সরকার এসে কাজটি এগিয়ে না নেয়ার কারনে আলোর মুখ দেখেনি হসপিটাল টি।  যদিও প্রথমদিকে ২০০০ সালের দিকে পয়ালগাছা এলাকায় ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তৎকালীন সরকারের মহিলা এমপি অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের। পরবর্তীতে সেই স্থানে বর্তমানে একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং হাসপাতালটি সোনাইমুড়ী এলাকায় স্থানান্তরিত হয়ে নির্মিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ কিংবা ২০০৬ সালের দিকে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও নানা কারণে এটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। যদি ও এ হসপিটাল এর নামে ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।  অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ নেই।  ডাক্তাররা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এটাচম্যান্টে যোগদান করেন।  ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকার মানুষ প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এখনো আলোর মুখ দেখেনি এ হসপিটাল টি।

আজ ৯ জুন ২৬ ইং  হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের নামে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, নামকরণের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অবহেলিত হাসপাতালটি দ্রুত চালু হবে এবং বরুড়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা গেলে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি আপ্রাণ চেষ্টার এ হসপিটাল টির আলোর মুখ দেখায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদুর রহমান বলেন, কিছু জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি ফেলে দ্রুত হসপিটাল টি চালু করা যাবে। মাননীয় গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন স্যার কে এ বিষয় অবহিত করেছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি বলেন, আজ ও হসপিটাল টি ভিজিট করেছি। ভবন আছে, লোকবল নেই। আশা করি দ্রুত এ বিষয় সমাধান হয়ে হসপিটাল টি চালু হবে।