ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে আলোর ছোঁয়া যুব ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সাইফীর উপর দেলোয়ার কর্তৃক হামলা যশোরের শার্শা’ গোগা সীমান্তে ১২ পিস ইয়াবাসহ কিশোর গ্রেফতার ‎সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগংরোডে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান যশোরের তিনটি আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত আইনজীবীদের টেকনাফে কোস্ট গার্ডের দুই অভিযানে সাড়ে ৭ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ, আটক ১ বেনাপোল বাজারে মৌসুমের আগেই তরমুজ ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে লাখো ভক্তের পদচারনায় ওরশে মোকাদ্দাস অনুষ্ঠিত যশোরে ফার্সি ড্রেস আর জিন্স পাঞ্জাবিতে নজর শিশুদের টেকনাফ পৌরসভায় নারী কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন প্রয়াত বিএনপি নেতার মেয়ে

বেনাপোল বাজারে মৌসুমের আগেই তরমুজ ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন,যশোর জেলা প্রতিনিধি: পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকার কথা থাকলেও বেনাপোল বাজারগুলোতে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। লেবু, শসা ও তরমুজের অস্বাভাবিক দামে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ রোজাদাররা।

​​ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারের অপরিহার্য অনুষঙ্গ লেবু এখন আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। অর্থাৎ একটি লেবুর দাম পড়ছে ২০ টাকা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শসার দামও, যা কেজি প্রতি৮০/ ১০০ টাকায় ঠেকেছে।

​সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে তরমুজের দাম। মৌসুমের শুরুতে কাঁচা তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দরে। ফলের বাজারেও নেই স্বস্তি; মানভেদে খেজুরের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় অনেকেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে কিনতে পারছেন না।

​সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পরিকল্পিতভাবে দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে প্রশাসনের কার্যকর মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নিচ্ছে বলে মনে করছেন তারা। দ্রুত বাজার তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপ না নিলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য রোজা রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

উপজেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের কোন খোঁজ খবর নাই। বাজার মনিটরিং কার্যক্রম নিয়মিত তদারকিকেউ নাই।

তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা ও ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা ভিন্ন একটি দিকও তুলে ধরছেন। তাদের মতে, বর্তমানে বাজারে যে তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে তার পুরোপুরি মৌসুম এখনো শুরু হয়নি। ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা চড়া।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করেন, ক্রেতাদেরও অপরিপক্ক বা সিজন শুরু না হওয়া ফলের প্রতি অতি-আগ্রহের বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন।

​ভুক্তভোগী রোজাদাররা এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আলোর ছোঁয়া যুব ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বেনাপোল বাজারে মৌসুমের আগেই তরমুজ ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর জেলা প্রতিনিধি: পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকার কথা থাকলেও বেনাপোল বাজারগুলোতে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। লেবু, শসা ও তরমুজের অস্বাভাবিক দামে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ রোজাদাররা।

​​ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারের অপরিহার্য অনুষঙ্গ লেবু এখন আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। অর্থাৎ একটি লেবুর দাম পড়ছে ২০ টাকা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শসার দামও, যা কেজি প্রতি৮০/ ১০০ টাকায় ঠেকেছে।

​সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে তরমুজের দাম। মৌসুমের শুরুতে কাঁচা তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দরে। ফলের বাজারেও নেই স্বস্তি; মানভেদে খেজুরের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় অনেকেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে কিনতে পারছেন না।

​সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পরিকল্পিতভাবে দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে প্রশাসনের কার্যকর মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নিচ্ছে বলে মনে করছেন তারা। দ্রুত বাজার তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপ না নিলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য রোজা রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

উপজেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের কোন খোঁজ খবর নাই। বাজার মনিটরিং কার্যক্রম নিয়মিত তদারকিকেউ নাই।

তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা ও ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা ভিন্ন একটি দিকও তুলে ধরছেন। তাদের মতে, বর্তমানে বাজারে যে তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে তার পুরোপুরি মৌসুম এখনো শুরু হয়নি। ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা চড়া।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করেন, ক্রেতাদেরও অপরিপক্ক বা সিজন শুরু না হওয়া ফলের প্রতি অতি-আগ্রহের বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন।

​ভুক্তভোগী রোজাদাররা এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।