ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকায় সশস্ত্র হামলায় দাদা ও নাতি আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৪ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন স্থানীয় মৃত পেচু মিয়ার ছেলে আব্দুল গফুর (৬৫) ও তার নাতি, মিনাবাজার মসজিদের বেলাল (রা.) হেফজখানার ছাত্র হাফেজ মো. তারেক (১২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল গফুর তার নাতিকে নিয়ে সিএনজিযোগে বাজারে যাওয়ার পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ১০-১৫ জনের একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় স্থানীয় আব্দুল খালেক, জকির, ইব্রাহীম, সেলিম, রাসেল, আব্দুল হাকিম, আব্দুল্লাহ, আব্দুল আলীম ও রহিম উল্লাহর নেতৃত্ব ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে দাদা-নাতি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আহত আব্দুল গফুর অভিযোগ করে বলেন, গত ১২ মে তার বসতভিটা দখলের চেষ্টা হলে তিনি টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে হামলাকারীরা তাদের চলাচলের পথও বন্ধ করে দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, “পরিবার নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো জন্মভূমি ছেড়ে চলে যেতে হবে। প্রবাসী ছেলেও ভয়ে বাড়িতে আসতে পারছে না।”
এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা ও টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম ওসমান গণিকে দায়ী করেছেন আব্দুল গফুর ও তার স্বজনরা।
বৃদ্ধের জামাতা ও পালংখালী ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম অভিযোগ করেন, ওসমান গণির স্বজনরা জোরপূর্বক তাদের দখলীয় সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন। বসতভিটার একাংশে রাতারাতি গাছ রোপণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা হামলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিনিধির নাম 


















