ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য শুধু সনদ নয়, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হতে হবে : ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা নরসিংদীর শিবপুরে গাছের চারা রোপণ করেন মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ শুভ উদ্বোধনে শিক্ষা মন্ত্রী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন, নারায়ণগঞ্জ সদরে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ সারা দেশের ন্যায় রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন আসন্ন ইউপি নির্বাচন: আশিয়া নির্বাচনী মাঠে আলোচনায় চেয়ারম্যান পদে ওলামা দল নেতা মাওলানা তৌহিদুল ইসলাম মৌলভীবাজারের উত্তর কলিমাবাদে ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন: দুই আসামি গ্রেপ্তার- স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ক্সবাজারের ডুলাহাজারা থেকে নারায়ণগঞ্জে একযোগে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান : বাংলার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে আরেকটি মাইলফলক যোগ হলো—টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের মধ্য দিয়ে।

বাংলার সীমান্তে দুই শতাব্দীর গৌরবগাথা, ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তরেখা—যেখানে প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষিত হয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞায়। স্বাধীনতার সূর্যোদয় থেকে আজ পর্যন্ত দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় “সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী” হিসেবে কাজ করছে আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও অপ্রতিরোধ্য বিজিবি।

ইতিহাসের সূচনা:
একাত্তরের স্বাধীনতা যোদ্ধাদের উত্তরসূরি এই ব্যাটালিয়ন ১৯৪৮ সালের ২৭ অক্টোবর ময়মনসিংহের খাগডহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৭৭ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে ৩৪ জন বীর সেনানীর রক্তে লেখা রয়েছে মুক্তির গল্প। বহু সাহসী যোদ্ধা অর্জন করেছেন ‘বীর প্রতীক’। ১৯৭৯-১৯৮০ সালে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পাঁচ সদস্য শাহাদাত বরণ করেন। ১৯৯৯ সালে অর্জন করে “বাংলাদেশ রাইফেলস স্ট্যান্ডার্ড পদক।”
অপারেশন দাবানল, পাঞ্চিং টাইগার ও পূর্ব প্রাচীর—এই তিনটি ঐতিহাসিক অভিযানে ব্যাটালিয়নটির বীরত্বগাথা বিজয়ের ইতিহাসে অমলিন।

টেকনাফ অধ্যায়:
২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর টেকনাফের কৌশলগত ভূমিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এই ব্যাটালিয়ন সীমান্তরক্ষা, মাদকবিরোধী অভিযান ও মানবপাচার দমনে অনন্য ভূমিকা রাখছে। সততা, আনুগত্য, নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলা—এই চার মূলনীতিতে ২ বিজিবি’র প্রতিটি সদস্য অটল।

বিজিবির ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র ইউনিট হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করে ৩০ কিলোমিটার উপকূল ও ২৩ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা নিয়ন্ত্রণ করছে।

মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও সাম্প্রতিক সাফল্য:
মাদকবিরোধী অভিযানে এই ব্যাটালিয়নের সাফল্য তুলনাহীন। ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে টানা তিন বছর “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি” জয় করে গড়েছে ইতিহাস।
২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সফলভাবে ১৭৯ জন আসামি গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার করেছে ২.০৮৮০৩ কেজি স্বর্ণ, জব্দ করেছে ৪.২০৬ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আটক করেছে ৫৭ লক্ষাধিক ইয়াবা ট্যাবলেট।

এ ছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ—এ-৩ রাইফেল ৩টি, এলজি ৪টি, বিদেশি পিস্তল ৪টি, ওয়ান সুটার গান ৫টি, রামদা ৮টি, দেশীয় কিরিচ ৮টি, একনলা বন্দুক ২টি, চাকু ৪টি, চাপাতি ১টি ও চাইনিজ কুড়াল ১টি। আরও উদ্ধার করা হয়েছে গ্রেনেড ৪টি, রকেট বোমা ১টি, তাজা গুলি ৬৬৭ রাউন্ড, কম্পাস ১টি, ম্যাগাজিন ৪টি, রকেট লাঞ্চারের গোলা ১টি, খালি ম্যাগাজিন ৪টি, প্লাস্টিক ম্যাগাজিন ১টি, হাতবোমা ৬৯টি, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি ২.৯ কেজি, পিস্তলের গুলি ১টি, ওয়ান সুটার গান গুলি ৬টি ও একনলা বন্দুকের গুলি ২টি।

সব মিলিয়ে এই এক বছরে ২১৮ কোটি ২৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন।

মানবপাচার ও উদ্ধার কার্যক্রম:
মিয়ানমারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ৩৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করেছে এই ইউনিট। গত এক বছরে ৩৮৭ জন অপহৃত ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও ৮৭ জন মানবপাচারকারীকে আটক করেছে তারা।
এছাড়া বিজিবির নিরলস প্রচেষ্টায় আরাকান আর্মির নিকট আটক ১২৪ জন বাংলাদেশি জেলে, ১৮টি নৌকা ও বিপুল পরিমাণ জাল ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।

মানবিক সহায়তা কার্যক্রম:
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন মানবিক সেবায়ও এগিয়ে। ৪৪০ জনকে শীতবস্ত্র বিতরণ, ৮টি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে ১,০৯৭ জনকে চিকিৎসা সেবা এবং প্রায় এক হাজার অসহায় মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

অধিনায়কের বক্তব্য:
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন—
“যতদিন উড়বে লাল-সবুজ পতাকা, ততদিন আমরা দেশের সর্বদক্ষিণ সীমান্তের দুর্ভেদ্য প্রাচীর। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মহেন্দ্রক্ষণে যাদের আত্মত্যাগে ও পরিশ্রমে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন আজকের এই মর্যাদায় এসেছে, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা শপথ নিয়েছি—সত্য, আত্মপ্রত্যয় ও ন্যায়পরায়ণতার মাধ্যমে দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতেও পিছপা হব না।”

দেশ মাতৃকার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতিকে পরিণত হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

ফরহাদ রহমান : বাংলার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে আরেকটি মাইলফলক যোগ হলো—টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের মধ্য দিয়ে।

বাংলার সীমান্তে দুই শতাব্দীর গৌরবগাথা, ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তরেখা—যেখানে প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষিত হয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞায়। স্বাধীনতার সূর্যোদয় থেকে আজ পর্যন্ত দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় “সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী” হিসেবে কাজ করছে আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও অপ্রতিরোধ্য বিজিবি।

ইতিহাসের সূচনা:
একাত্তরের স্বাধীনতা যোদ্ধাদের উত্তরসূরি এই ব্যাটালিয়ন ১৯৪৮ সালের ২৭ অক্টোবর ময়মনসিংহের খাগডহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৭৭ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে ৩৪ জন বীর সেনানীর রক্তে লেখা রয়েছে মুক্তির গল্প। বহু সাহসী যোদ্ধা অর্জন করেছেন ‘বীর প্রতীক’। ১৯৭৯-১৯৮০ সালে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পাঁচ সদস্য শাহাদাত বরণ করেন। ১৯৯৯ সালে অর্জন করে “বাংলাদেশ রাইফেলস স্ট্যান্ডার্ড পদক।”
অপারেশন দাবানল, পাঞ্চিং টাইগার ও পূর্ব প্রাচীর—এই তিনটি ঐতিহাসিক অভিযানে ব্যাটালিয়নটির বীরত্বগাথা বিজয়ের ইতিহাসে অমলিন।

টেকনাফ অধ্যায়:
২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর টেকনাফের কৌশলগত ভূমিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এই ব্যাটালিয়ন সীমান্তরক্ষা, মাদকবিরোধী অভিযান ও মানবপাচার দমনে অনন্য ভূমিকা রাখছে। সততা, আনুগত্য, নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলা—এই চার মূলনীতিতে ২ বিজিবি’র প্রতিটি সদস্য অটল।

বিজিবির ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র ইউনিট হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করে ৩০ কিলোমিটার উপকূল ও ২৩ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা নিয়ন্ত্রণ করছে।

মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও সাম্প্রতিক সাফল্য:
মাদকবিরোধী অভিযানে এই ব্যাটালিয়নের সাফল্য তুলনাহীন। ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে টানা তিন বছর “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি” জয় করে গড়েছে ইতিহাস।
২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সফলভাবে ১৭৯ জন আসামি গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার করেছে ২.০৮৮০৩ কেজি স্বর্ণ, জব্দ করেছে ৪.২০৬ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আটক করেছে ৫৭ লক্ষাধিক ইয়াবা ট্যাবলেট।

এ ছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ—এ-৩ রাইফেল ৩টি, এলজি ৪টি, বিদেশি পিস্তল ৪টি, ওয়ান সুটার গান ৫টি, রামদা ৮টি, দেশীয় কিরিচ ৮টি, একনলা বন্দুক ২টি, চাকু ৪টি, চাপাতি ১টি ও চাইনিজ কুড়াল ১টি। আরও উদ্ধার করা হয়েছে গ্রেনেড ৪টি, রকেট বোমা ১টি, তাজা গুলি ৬৬৭ রাউন্ড, কম্পাস ১টি, ম্যাগাজিন ৪টি, রকেট লাঞ্চারের গোলা ১টি, খালি ম্যাগাজিন ৪টি, প্লাস্টিক ম্যাগাজিন ১টি, হাতবোমা ৬৯টি, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি ২.৯ কেজি, পিস্তলের গুলি ১টি, ওয়ান সুটার গান গুলি ৬টি ও একনলা বন্দুকের গুলি ২টি।

সব মিলিয়ে এই এক বছরে ২১৮ কোটি ২৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন।

মানবপাচার ও উদ্ধার কার্যক্রম:
মিয়ানমারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ৩৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করেছে এই ইউনিট। গত এক বছরে ৩৮৭ জন অপহৃত ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও ৮৭ জন মানবপাচারকারীকে আটক করেছে তারা।
এছাড়া বিজিবির নিরলস প্রচেষ্টায় আরাকান আর্মির নিকট আটক ১২৪ জন বাংলাদেশি জেলে, ১৮টি নৌকা ও বিপুল পরিমাণ জাল ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।

মানবিক সহায়তা কার্যক্রম:
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন মানবিক সেবায়ও এগিয়ে। ৪৪০ জনকে শীতবস্ত্র বিতরণ, ৮টি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে ১,০৯৭ জনকে চিকিৎসা সেবা এবং প্রায় এক হাজার অসহায় মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

অধিনায়কের বক্তব্য:
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন—
“যতদিন উড়বে লাল-সবুজ পতাকা, ততদিন আমরা দেশের সর্বদক্ষিণ সীমান্তের দুর্ভেদ্য প্রাচীর। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মহেন্দ্রক্ষণে যাদের আত্মত্যাগে ও পরিশ্রমে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন আজকের এই মর্যাদায় এসেছে, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা শপথ নিয়েছি—সত্য, আত্মপ্রত্যয় ও ন্যায়পরায়ণতার মাধ্যমে দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতেও পিছপা হব না।”

দেশ মাতৃকার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতিকে পরিণত হয়েছে।