মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি আসনের বেশিরভাগ কেন্দ্রের ফলাফলে প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে বিএনপি একটি ও জামায়াত ৫টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফলে জানা যায়,
যশোর-১ (শার্শা) আসনে ১০২ কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৯৫ ভোট।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের ১৭৫টি কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২২ ভোট পেয়েছেন।
যশোর-৩ (সদর) আসনের ১৯০টি কেন্দ্রে ২ লাখ ১ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে প্রাথমিক ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির খুলনা বিভাগী ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আব্দুল কাদের পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬৩ ভোট।
যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনের ৫৭টি কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গোলাম রসুল ৬১ হাজার ৭১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ের পথে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারাজী ৪৭ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়েছেন।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের ১২৮টি কেন্দ্রর মধ্যে ১০৬টি কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গাজী এনামুল হক ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৩ ভোট পেয়ে বিরাট ব্যবধানে বিজয়ের পথে রয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কলস প্রতীকের অ্যাডভোকেটে শহীদ মো. ইকবাল হোসেন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৮২ ভোট ও বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রশীদ আহমাদ পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৭১৪ ভোট।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মুক্তার আলী ৯১ হাজার ৩৭ হাজার ভোট পেয়ে প্রাথমিক ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন। ৮১টি কেন্দ্রের ফলাফল গণনায় ওই সংখ্যক ভোট পেয়েছেন তিনি। এদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে ৭৯ হাজার ৫৬৯ ভোট পেয়েছেন।
প্রতিনিধির নাম 


















