ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাকান্দা ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সফিকুল ইসলামের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল কক্সবাজার জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি নির্বাচিত মুহাম্মদ শাহজাহান যশোর নওয়াপাড়া আগুনে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি সিন্ডিকেটের কারণে বেনাপোল কাস্টম হাউসে ১৬৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি যশোরে এক কোটি টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত সেই ব্যবসায়ী অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার নলতা শরীফ প্রেসক্লাবের আয়োজনে মাহে রমজানে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত বেনাপোলে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল: রমজানের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রয়োগের আহ্বান টেকনাফ হোয়াইক্যং সীমান্ত  বিজিবি অভিযান ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার বিদেশ থাকা চিকিৎসকের পরামর্শে নার্সের চিকিৎসা, শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজসহ দুই বিচারককে অপসরণ চেয়ে এবার স্মারক লিপি প্রদান

চাল আমদানির ঘোষিত শেষ সময়ে, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৫ হাজার টন চাল আমদানি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: চাল আমদানির সরকার ঘোষিত শেষ সময় ছিল মঙ্গলবার (১০ মার্চ)। দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ১৬ দিনে ৩২টি চালানের মাধ্যমে ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। বন্দর থেকে এসব চাল খালাস করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২৭ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৯টা পর্যন্ত ১৬ কার্য দিবসে এ সমস্ত চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে । অর্থ্যাৎ ১৬দিনে ৩২ টি চালানের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের সহকারি পরিচালক কাজী রতন।

বন্দর সূত্র আরো জানায়, এর আগে গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে বলা হয়।

ভারত থেকে আমদানিকৃত এসব চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং কেবি এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় করণের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।

বেনাপোলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ১৬ দিনে ১৪১ ট্রাকে প্রায় ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি করা হবে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১৬ দিনে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করেছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে খালাস করে নিয়ে গেছেন আমদানিকারকরা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কলাকান্দা ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সফিকুল ইসলামের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

চাল আমদানির ঘোষিত শেষ সময়ে, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৫ হাজার টন চাল আমদানি

আপডেট সময় : ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মনির হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: চাল আমদানির সরকার ঘোষিত শেষ সময় ছিল মঙ্গলবার (১০ মার্চ)। দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ১৬ দিনে ৩২টি চালানের মাধ্যমে ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। বন্দর থেকে এসব চাল খালাস করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২৭ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৯টা পর্যন্ত ১৬ কার্য দিবসে এ সমস্ত চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে । অর্থ্যাৎ ১৬দিনে ৩২ টি চালানের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের সহকারি পরিচালক কাজী রতন।

বন্দর সূত্র আরো জানায়, এর আগে গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে বলা হয়।

ভারত থেকে আমদানিকৃত এসব চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং কেবি এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় করণের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।

বেনাপোলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ১৬ দিনে ১৪১ ট্রাকে প্রায় ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি করা হবে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১৬ দিনে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করেছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে খালাস করে নিয়ে গেছেন আমদানিকারকরা।