ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশ মেমোরিয়াল ডে–২০২৬ উপলক্ষে শহীদ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে উপহার সামগ্রী বিতরণ যশোর কোতোয়ালি থানায় ওসির দায়িত্বে আসছেন মাসুম খান যশোরে আসছেন নতুন বিচারক, আইনাঙ্গনে স্বস্তি আমতলীত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গোপালপুর ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ; সমাজ বিনির্মানে ঐক্যবদ্ধ কাজ করার আহবান সাতকানিয়া উপজেলায় কৃষিজমির টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও থামছে না অবৈধ মাটিকাটা ঈদের আগেই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবেন প্রধানমন্ত্রী কলাকান্দা ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সফিকুল ইসলামের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল কক্সবাজার জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি নির্বাচিত মুহাম্মদ শাহজাহান যশোর নওয়াপাড়া আগুনে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা

সাতকানিয়া উপজেলায় কৃষিজমির টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও থামছে না অবৈধ মাটিকাটা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

মোরশেদুল আলম, সাতকনিয়া চট্রগ্রাম: স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে দিন-রাত মাটি কাটা ও ট্রাকভর্তি করে সরবরাহ চললেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা যাচ্ছে না।
সম্প্রতি সাতকানিয়া আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী কৃষিজমির টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। তিনি প্রশাসনকে বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারির নির্দেশ দেন। কিন্তু বাস্তবে মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশনার প্রতিফলন খুব একটা দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে ট্রাক ও ডাম্পারযোগে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব মাটি মূলত ইটভাটা, ভরাট কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, জমির উর্বর টপসয়েল কেটে নেওয়ায় ধীরে ধীরে ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় জমি গভীর গর্তে পরিণত হয়েছে, ফলে ভবিষ্যতে সেখানে চাষাবাদ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এতে কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিংবা প্রভাব খাটিয়ে অবাধে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে গভীর রাতেও ট্রাকভর্তি মাটি বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, কৃষিজমির টপসয়েল কাটা অব্যাহত থাকলে তা শুধু কৃষির জন্যই নয়, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত অভিযান চালিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষিজমির মাটি কাটার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সংসদ সদস্যের কঠোর ঘোষণার পরও যদি অবৈধ মাটিকাটা বন্ধ না হয়, তাহলে এর পেছনে কারা জড়িত এবং কেন প্রশাসনিক নজরদারি কার্যকর হচ্ছে না—তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

📌 সচেতন মহলের মতে, কৃষিজমি রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে কৃষি ও পরিবেশে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ মেমোরিয়াল ডে–২০২৬ উপলক্ষে শহীদ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে উপহার সামগ্রী বিতরণ

সাতকানিয়া উপজেলায় কৃষিজমির টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও থামছে না অবৈধ মাটিকাটা

আপডেট সময় : ১২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মোরশেদুল আলম, সাতকনিয়া চট্রগ্রাম: স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে দিন-রাত মাটি কাটা ও ট্রাকভর্তি করে সরবরাহ চললেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা যাচ্ছে না।
সম্প্রতি সাতকানিয়া আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী কৃষিজমির টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। তিনি প্রশাসনকে বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারির নির্দেশ দেন। কিন্তু বাস্তবে মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশনার প্রতিফলন খুব একটা দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে ট্রাক ও ডাম্পারযোগে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব মাটি মূলত ইটভাটা, ভরাট কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, জমির উর্বর টপসয়েল কেটে নেওয়ায় ধীরে ধীরে ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় জমি গভীর গর্তে পরিণত হয়েছে, ফলে ভবিষ্যতে সেখানে চাষাবাদ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এতে কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিংবা প্রভাব খাটিয়ে অবাধে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে গভীর রাতেও ট্রাকভর্তি মাটি বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, কৃষিজমির টপসয়েল কাটা অব্যাহত থাকলে তা শুধু কৃষির জন্যই নয়, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত অভিযান চালিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষিজমির মাটি কাটার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সংসদ সদস্যের কঠোর ঘোষণার পরও যদি অবৈধ মাটিকাটা বন্ধ না হয়, তাহলে এর পেছনে কারা জড়িত এবং কেন প্রশাসনিক নজরদারি কার্যকর হচ্ছে না—তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

📌 সচেতন মহলের মতে, কৃষিজমি রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে কৃষি ও পরিবেশে।