আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাশিয়া হঠাৎ করে ব্যাপক হামলা চালায় ইউক্রেন-এর বিভিন্ন এলাকায়। এই হামলায় অন্তত ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়া ৫০০-র বেশি ড্রোন ও বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার সেনারা গতকাল শুক্রবারের হামলায় ৫০০-এর বেশি ড্রোন এবং কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্যাথলিক ইস্টারের আগে হামলা তীব্র করার জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আকাশে নীরবতা থাকা উচিত ছিল, কিন্তু রাশিয়া ইস্টারের আগেই হামলা করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছে।
ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা থেকে পাওয়া ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবন, একটি বহুতল ভবনের ভগ্নাবশেষ এবং রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে।
আঞ্চলিক গভর্নর মিকোলা কালাশনিক জানিয়েছেন, রাজধানী কিয়েভে এই হামলায় এক ব্যক্তি নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন।
কালাশনিক বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত রাশিয়ার এই হামলায় প্রাণীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি পশু চিকিৎসালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ২০টি প্রাণী মারা গেছে।
এএফপি-র সাংবাদিকরা বলেন, রাজধানীর কিছু বাসিন্দা মেট্রোতে বা বেসমেন্টে আশ্রয় নিলেও, বিকট শব্দে বাজতে থাকা বিমান হামলার সাইরেন সত্ত্বেও বহু মানুষ ক্যাফেতে নির্বিকার ভাবে বসে ছিলেন দেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভিরিদেঙ্কো বলেছেন, ‘কিয়েভ অঞ্চলে ওবুখিভে একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলা হয়েছে এবং ভিশনেভে একটি কিন্ডারগার্টেন ও স্কুলের মধ্যবর্তী স্থানে আরেকটি হামলায় বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে।’
কর্তৃপক্ষ জানায়, ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে তিনজন নিহত হয়েছে এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ঝিতোমির ও মধ্যাঞ্চলীয় দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে হামলায় আরও দুজন নিহত হয়েছে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খারকিভ, দোনেৎস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে রাশিয়ার হামলায় আটজন নিহত হয়েছেন।
প্রতিনিধির নাম 
























