১টি পৌরসভা ও ১৫ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলায় ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ২,৫৭,৬০৪ জন। নারী ও পুরুষ ভোটার সংখ্যা প্রায় সমান সমান। এই উপজেলা থেকে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন প্রয়াত সংসদ সদস্য জনাব এ কে এম আবু তাহের সাহেবের সুযোগ্য সন্তান জনাব জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তিনি বরুড়া উপজেলা আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে ১৯৬৫ সালে জন্ম গ্রহন করেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে সর্বোচ্চ ‘ব্যাচেলার অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট’ ডিগ্রী অর্জন করেন। ইতোপূর্বে তিনি ২০০৪ সালে তার বাবার মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে জয় লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ব্যক্তি জীবনে যেমন বিনয়ী, সৎ, ন্যায়পরায়ন, দানশীল এবং উদার মনের মানুষ। ‘রাজনৈতিক জীবনেও তিনি সফল মানুষ’ বাবার হাত ধরে বেড়ে উঠা রাজনৈতিক জীবনে আজ তিনি তার দূরদর্শীতার মাধ্যমে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্হান করে নিয়েছেন এবং সেই সাথে কুমিল্লা দক্ষিন জেলা বিএনপির সভাপতি হিসাবে দলকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে আসছেন, যার ফলশ্রুতিতে দলের মধ্যে কোন বিভেদ নাই, সবাইকে এক সাথে নিয়ে এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রত্যেকটি আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ‘তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী’ বর্তমানে নির্বাচনে সারা বাংলাদেশে যারা নির্বাচন করছেন তার মধ্যে আয় কর প্রদানে শীর্ষ অবস্হানে এবং বার্ষিক আয়ের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বর্তমানে ন্যাশানাল ব্যাংকের পরিচালক, আরমানা গ্রুপের এমডি, প্রগতি লাইফ ইনসুরেন্সের পরিচালকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের গুরত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করছেন।’কর্মসংস্থান’ উনার প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। বিশেষ করে বরুড়া উপজেলার মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য বেকারদের আশীর্বাদ হয়ে কাজ করছেন। দলমতের উর্দ্বে তিনি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ‘জনগনের আশা’সাধারন জনগন মনে করেন তার অঢেল সম্পদ রয়েছে তিনি এখান থেকে কিছু নিতে আসেননি দিতে এসেছেন এবং তিনি জয়যুক্ত হলে মন্ত্রী হবেন। তার নির্বাচনী প্রচারনায় সাধারন ভোটারদের মাঝে তিনি তার ভবিষ্যত কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন এবং বরুড়াকে মাদকমুক্ত,সন্ত্রাসমুক্ত ও আধুনিক উপজেলায় রুপান্তরের ঘোষনা দেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িপাল্লা ⚖️ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল। তিনিও একজন সজ্জন রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচিত। তিনি বরুড়া উপজেলা ধনিশ্বর গ্রামে ১৯৬৭ সালে জন্ম গ্রহন করেন। উনার বাবা ছিলেন একজন ডাক্তার। তিনি সর্বোচ্চ এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং বর্তমানে তিনি ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন । ছাএ জীবন থেকে তিনি রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। যিনি তার মেধার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সময় রাজনীতিতে দায়িত্ব প্রাপ্ত ছিলেন। যদিও উনার এর আগে জাতীয় নির্বাচন করার কোন অভিজ্ঞতা নেই। তারপরও নতুন হিসাবে তিনি বরুড়া উপজেলায় মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন অল্প সময়ে। ভোটারদের ধারে ধারে ঘুরছেন দিনের পর দিন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ও একজন সফল মানুষ। দেশে বিদেশে রয়েছে তার অনেক ছাএ-ছাএী যারা তাদের স্ব স্ব অবস্থানে সফল। অন্য প্রার্থীর ন্যায় তিনিও প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন বরুড়াকে মডেল উপজেলায় রুপান্তরের এবং মাদকনিয়ন্ত্রণ,সন্ত্রাসদমন,বেকারত্ব দূরীকরণের এবং নতুন প্রজন্মকে বিভিন্ন ট্রেনিং এর মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলার। বরুড়ার মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে এবং ইনসাফ কায়েম করতে তিনি অঙ্গিকারবদ্ধ। দুই প্রার্থীই তরুণদেরকে নিয়ে ভাবছেন এবং জয়ের ব্যাপারে দুই প্রার্থীই শতভাগ আশাবাদী।
সংবাদ শিরোনাম ::
কে হবে আগামী দিনের বরুড়ার কান্ডারী’ “দরজায় কড়া নাড়ছে আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’২০২৬”সংসদীয় আসন ২৫৬, কুমিল্লা- ৮, বরুড়া’
-
আমিনুল ইসলাম (আলোকিত কাগজ) - আপডেট সময় : ১২:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- ১১ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ



















