যশোরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও অন্তরঙ্গ ছবি–ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নূর আলম প্রকাশ বাবু নামে এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে পৃথক চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। একই মামলার অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মামুনুর রশিদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। অভিযুক্ত নূর আলম প্রকাশ বাবু নোয়াখালির বালিয়া ধর গ্রামের হাটখোলার আবুল খায়েরের ছেলে।মামলার অভিযোগে জানা যায়, যশোর সদরের এক নারীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে নূর আলম প্রকাশ বাবুর পরিচয় হয়। দীর্ঘদিন কথাবার্তার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।একসময় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাবু ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় তিনি কৌশলে ওই নারীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেগুলো নিজের মোবাইলে সংরক্ষণ করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ধারণ করা ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তিনি পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক অথবা দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগী তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় গত ৩১ ডিসেম্বর যশোর কোতয়ালি থানায় নূর আলম প্রকাশ বাবুসহ চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী।তদন্ত শেষে ছবি ও ভিডিওর সত্যতা যাচাই এবং সাক্ষীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় নূর আলম প্রকাশ বাবুকে অভিযুক্ত করে আদালতে পৃথক চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অভিযোগের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ না পাওয়ায় বাবুর পিতা আবুল খায়ের, বোন নার্গিস আক্তার প্রকাশ ডলি এবং ভাই নূর ইসলাম রবিনের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।#
মনির হোসেন যশোর প্রতিনিধি 




















