ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টেকনাফে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান উচ্ছেদ স্থলবন্দরে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা উখিয়া-টেকনাফে প্রতিশ্রুতি রক্ষা: সচল হলো টেকনাফ বন্দর শ্রীলঙ্কায় রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেল ২৩ শতাংশ সোনারগাঁয়ে রাতের হামলা: যুবক নিহত, তদন্তে নেমেছে পুলিশ ফতুল্লায় নিখোঁজের একদিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার তেলের লাইনে বিরোধীদলীয় নেতার গাড়ি, হেঁটে যোগ দিলেন অনুষ্ঠানে সাফজয়ী ফুটবলারদের সংবর্ধনা; ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী আরও ৪ জাহাজ জ্বালানি সংকটের অজুহাত,বেনাপোল থেকে ঢাকা গামী প্রতি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫-৭ হাজার

টেকনাফে অর্থনৈতিক স্থবিরতা: বন্দর, নৌপথ ও সীমান্ত বাণিজ্য চালুর দাবিতে আকুল আবেদন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তনির্ভর অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, মিয়ানমার থেকে গরু আমদানির করিডোর স্থগিত, নাফ নদীতে মাছ ধরায় প্রতিবন্ধকতা এবং টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে মৌসুমি জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব খাত বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, ব্যবসায়ীরা পড়েছেন মারাত্মক সংকটে এবং হাজার হাজার পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। টেকনাফে বিকল্প কোনো শিল্প-কারখানা বা স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

টেকনাফ উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার বলেন, “সীমান্তনির্ভর এই অঞ্চলের মানুষ আজ দিশেহারা। জীবিকার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।”

তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান, এমপি এবং সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলেন, টেকনাফবাসীর দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে—মিয়ানমার থেকে গরু আমদানির করিডোর পুনরায় চালু, টেকনাফ স্থলবন্দরের বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরুদ্ধার, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু এবং নাফ নদীতে জেলেদের মাছ ধরার ওপর বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারের উচ্চপর্যায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পুনরায় চালু হলে টেকনাফের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

টেকনাফে অর্থনৈতিক স্থবিরতা: বন্দর, নৌপথ ও সীমান্ত বাণিজ্য চালুর দাবিতে আকুল আবেদন

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তনির্ভর অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, মিয়ানমার থেকে গরু আমদানির করিডোর স্থগিত, নাফ নদীতে মাছ ধরায় প্রতিবন্ধকতা এবং টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে মৌসুমি জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব খাত বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, ব্যবসায়ীরা পড়েছেন মারাত্মক সংকটে এবং হাজার হাজার পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। টেকনাফে বিকল্প কোনো শিল্প-কারখানা বা স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

টেকনাফ উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার বলেন, “সীমান্তনির্ভর এই অঞ্চলের মানুষ আজ দিশেহারা। জীবিকার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।”

তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান, এমপি এবং সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলেন, টেকনাফবাসীর দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে—মিয়ানমার থেকে গরু আমদানির করিডোর পুনরায় চালু, টেকনাফ স্থলবন্দরের বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরুদ্ধার, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু এবং নাফ নদীতে জেলেদের মাছ ধরার ওপর বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারের উচ্চপর্যায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পুনরায় চালু হলে টেকনাফের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।