ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৭কোটি ৬৮ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যশোরে আটক ২ বরুড়া বাজারে যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি নারায়ণগঞ্জ সদরে বিতর্ক উৎসবের ফাইনাল ২২ জুন, শিল্পকলা একাডেমিতে মুখোমুখি ৪ প্রতিষ্ঠান সাংবাদিক গ্রেপ্তারে উদ্বেগ প্রকাশ করল নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি:, রেজানুর ইসলাম সহ সকলের মুক্তি দাবি পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের চটপটির ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা বাণিজ্যের অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী যশোরে জাতীয় পার্টির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের গণপদত্যাগ আজ শনিবার যশোর সফরে আসছেন বিচারপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মিয়া এতিম ও হেফজখানার শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানবতার বন্ধন পটিয়ার ফল উৎসব জামায়াত আমীরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে বিতর্কে জেলা প্রশাসন বলছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মেনেই সম্মাননা প্রদান

শ্বশুরের বিচারক হওয়া নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সারজিস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমের শ্বশুর। গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি যে ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন এই তালিকার ১৭ নম্বরে রয়েছেন তিনি। এ নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টের নিচে কমেন্ট করেছেন সারজিস আলম। সেখানে তার শ্বশুর নিজ যোগ্যতায় এই পদে নিযুক্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সারজিস আলম লেখেন, আমি যতদূর জানি আমার নিকটাত্মীয় ১৯৯১-৯২ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। ভর্তি পরীক্ষার মার্কসে তিনি ১ম স্থান অধিকার করেন। এসএসসি এবং এইচএসসির রেজাল্টসহ প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে সেই সেশনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় খ ইউনিটে ১৯তম স্থান অর্জন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। আইন বিভাগ থেকে LLB ও LLM শেষ করে ১৯৯৮ সালে তিনি বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

সার্জিস জানান, ২০০৬ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ উভয় বিভাগে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের পূর্ব থেকেই তিনি বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সারজিসের দাবি, তার শ্বশুরের শতাধিক জুনিয়র সুপ্রিম কোর্ট ও নিম্ন আদালতে আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া তিনি নবগঠিত ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপোয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ কর্তৃক সব যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে যাবতীয় বাছায়ে উত্তীর্ণ হয়ে এই সম্মান অর্জন করেছেন।

সারজিস আক্ষেপ করে লেখেন, এখানে তার এই যোগ্যতা ও পরিশ্রমকে একপাশে রেখে আমার নাম টেনে নিয়ে আসা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে ৯ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, ৯ জন আইনজীবী ও ৭ জন আইন কর্মকর্তা অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমানও। সম্পর্কে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের শ্বশুর।

বিচারপতি লুৎফর রহমান এর আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ সোমবার (২৫ আগস্ট) রাতে ওই ২৫ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

৭কোটি ৬৮ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যশোরে আটক ২

শ্বশুরের বিচারক হওয়া নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সারজিস

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমের শ্বশুর। গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি যে ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন এই তালিকার ১৭ নম্বরে রয়েছেন তিনি। এ নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টের নিচে কমেন্ট করেছেন সারজিস আলম। সেখানে তার শ্বশুর নিজ যোগ্যতায় এই পদে নিযুক্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সারজিস আলম লেখেন, আমি যতদূর জানি আমার নিকটাত্মীয় ১৯৯১-৯২ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। ভর্তি পরীক্ষার মার্কসে তিনি ১ম স্থান অধিকার করেন। এসএসসি এবং এইচএসসির রেজাল্টসহ প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে সেই সেশনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় খ ইউনিটে ১৯তম স্থান অর্জন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। আইন বিভাগ থেকে LLB ও LLM শেষ করে ১৯৯৮ সালে তিনি বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

সার্জিস জানান, ২০০৬ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ উভয় বিভাগে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের পূর্ব থেকেই তিনি বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সারজিসের দাবি, তার শ্বশুরের শতাধিক জুনিয়র সুপ্রিম কোর্ট ও নিম্ন আদালতে আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া তিনি নবগঠিত ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপোয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ কর্তৃক সব যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে যাবতীয় বাছায়ে উত্তীর্ণ হয়ে এই সম্মান অর্জন করেছেন।

সারজিস আক্ষেপ করে লেখেন, এখানে তার এই যোগ্যতা ও পরিশ্রমকে একপাশে রেখে আমার নাম টেনে নিয়ে আসা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে ৯ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, ৯ জন আইনজীবী ও ৭ জন আইন কর্মকর্তা অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমানও। সম্পর্কে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের শ্বশুর।

বিচারপতি লুৎফর রহমান এর আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ সোমবার (২৫ আগস্ট) রাতে ওই ২৫ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।