নেত্রকোনা প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ, মদন, খালীয়াজুরী) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক, এবং সমাজসেবক এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল।
তিনি মোহনগঞ্জ , মদন, খালীয়াজুরী —বিএনপির থেকে হাওর উৎসব এলাকার এলাকার, মোহনগঞ্জ পৌরসভার,02নং ওয়ার্ডের টেংগাপাড়া মোহনগঞ্জ পৌর এলাকার জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম-মতিউর রহমান চৌধুরী একজন স্বনামধন্য দানবীর ছিলেন, যিনি ওই এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সবসময়। পরিবারের সেই সামাজিক দায়বদ্ধতার উত্তরাধিকার বহন করে এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল নিজেও দেশ-বিদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে জনসেবায় কাজে লাগানোর প্রত্যয়ে রাজনীতির ময়দানে অবতীর্ণ হচ্ছেন।
এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন নেতা সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মহিলা দল নেএকোনা জেলা শাখার । এরপর দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি কাতারের আমিরের দিওয়ানে আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও পাশাপাশি তিনি মতিউর রহমান চৌধুরী একাডেমিক নামক একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন, যা শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে এই অঞ্চলের উন্নয়নে এক নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল বলেন, “আমি শাসক নয়, জনগণের সেবক হতে চাই। আমার নির্বাচনে আসার মূল কারণ হচ্ছে—নেত্রকোনা -০৪, মোহনগঞ্জ , মদন, খালীয়াজুরী মানুষকে সত্যিকারের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা দেওয়া। তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত, ভুল রাজনীতির বলি এবং নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। এই চিত্র পাল্টানোর সময় এখনই।”
এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল জানান, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও তার পেছনে কোনো বিশেষ মহলের স্বার্থ বা এজেন্ডা নেই। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য—এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তিনি যে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তা হলো:
নেত্রকোনা -০৪, মোহনগঞ্জ, মদন, খালীয়াজুরী,এলাকায় কোনো উল্লেখযোগ্য শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল জানান, তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে পরিবেশবান্ধব, টেকসই শিল্প গড়ে তোলা এবং স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন,“তরুণরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে হবে। কারিগরি প্রশিক্ষণ, আইটি সেন্টার এবং প্রযুক্তি-ভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করাই আমার অগ্রাধিকার।”
তিনি গ্রামীণ অঞ্চলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার অভাব তুলে ধরে বলেন, “আধুনিক হাসপাতাল, ক্লিনিক ও সুলভ চিকিৎসার ব্যবস্থা করব যাতে সাধারণ মানুষ আর কষ্ট না পায়। এছাড়া মোহনগঞ্জ , মদন, খালীয়াজুরী,দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালান, মানবপাচার ও অপহরণের গর্ভাধারায় পরিণত হয়েছে। এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল এই সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল বলেন,“মোহনগনজ,মদন, খালীয়াজুরী নানা ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে জননেতার উচিত সবার কথা শোনা এবং সবার সঙ্গে সমান আচরণ করা। আমি সেটাই করব।”
এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,“আপনারাই আমার শক্তি। আমি কোনো ব্যক্তির প্রতিনিধিত্ব করি না, করি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে। এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি দায়বদ্ধ আপনাদের কাছে। আমাকে সহযোগিতা করুন, আপনাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা গড়ব এক নতুন নেএকোনা-০৪মোহনগনজ, মদন, খালীয়াজুরী।”
জানা যায়, জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাবি জানিয়ে আসছিলেন সংসদ সদস্য হিসেবে এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল কে চান । এর প্রেক্ষিতে জনগণের দাবি মেনে নিয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হচ্ছেন এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল।
এদিকে সর্বস্তরের জনগণের মাঝে রব উঠেছে এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল কে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করার। এছাড়াও জোরেশোরে নিজেরাই প্রচার প্রচারণা করছেন উক্ত আসনের ভোটাররা।
পরিশেষে বলা যায়, এডভোকেট রোকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল মতো শিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও সমাজসচেতন একজন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ এই আসনের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এখন দেখার বিষয়—এই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রার্থী কতটা জনসমর্থন নিয়ে ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন।
প্রতিনিধির নাম 





















