ঢাকা ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পেটভর্তি ইয়াবাসহ শার্শার মাসুদ রানা আটক রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে কেরানীহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা প্রতিমন্ত্রী অমিতকে ঘিরে উৎসবের নগরী যশোর হ্নীলা–হোয়াইক্যং সীমান্তে দুই অভিযানে ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে শীতার্ত মানুষের মুখে হাসি ফুটাল বিশ্ব আশেকে হযরত ওয়ায়েছ করনী (রাঃ) ফাউন্ডেশন শীতবস্ত্র উপহার কম্বল অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণে বিশ্ব আশেকে হযরত ওয়ায়েছ করনী (রাঃ) ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জে বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে পথ শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ধোনির বায়োপিক বদলে দিয়েছে উসমান তারিকের জীবন! শ্রীলঙ্কায় সংসদ সদস্যদের পেনশন সুবিধা বাতিল আমতলীতে স্বপ্ন ছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সাংগঠনের পক্ষ থেকে গরিব ও দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১২ পাচারকারী আটক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,টেকনাফ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) বিশেষ অভিযানে ১২ জন মানব পাচারকারীকে আটক এবং ১১ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে পরিচালিত দুটি পৃথক অভিযানে এ সাফল্য আসে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মেরিন ড্রাইভ ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্র সক্রিয় ছিল। এসব চক্র বাংলাদেশ ও মিয়ানমার হয়ে মালয়েশিয়া পর্যন্ত মানব পাচার পরিচালনা করে আসছিল। বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলত। যাত্রী সংগ্রহের পর স্থানীয় দালালদের কাছে হস্তান্তর করে তাদের গোপন আস্তানায় রাখা হতো। এসময় ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোন ও অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হতো, খাবারও অপ্রতুল দেওয়া হতো। অনেক ক্ষেত্রে মুক্তিপণ আদায় করত পাচারকারীরা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর শাহপীরদ্বীপ মোহনায় সমুদ্রপথে মিয়ানমারের প্রায় ১০০ নাগরিক পাচারের সময় ৪ পাচারকারীকে হাতে-নাতে আটক করে বিজিবি। একই রাতে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন কচ্ছপিয়া ও বড়ইতলি এলাকা থেকে আরও ৮ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয় ১১ জন ভুক্তভোগী।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, এ বছরের জুলাই মাসে ১৫ জন, আগস্টে ৪ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত ১৭ জন পাচারকারীকে আটক করেছে ২ বিজিবি। চলতি বছর মোট ৬২ মানব পাচারকারী আটক হলেও এখনো ২৪ জন পলাতক রয়েছে।

আটক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান, আবু তৈয়ব, ইদ্রিস, জাহেদ, জুবায়ের, নরুল আবছার, ইসমাইল, ইমরান, নুর মোহাম্মদ, মাহমুদউল্লাহ ও খুরশিদা কোম।
পলাতক আসামিরা হলেন—হোসেন, সাইফুল ও নেজাম।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান পিএসসি বলেন, “মানবতা ও দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্তে যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।”

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পেটভর্তি ইয়াবাসহ শার্শার মাসুদ রানা আটক

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১২ পাচারকারী আটক

আপডেট সময় : ১১:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফরহাদ রহমান,টেকনাফ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) বিশেষ অভিযানে ১২ জন মানব পাচারকারীকে আটক এবং ১১ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে পরিচালিত দুটি পৃথক অভিযানে এ সাফল্য আসে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মেরিন ড্রাইভ ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্র সক্রিয় ছিল। এসব চক্র বাংলাদেশ ও মিয়ানমার হয়ে মালয়েশিয়া পর্যন্ত মানব পাচার পরিচালনা করে আসছিল। বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলত। যাত্রী সংগ্রহের পর স্থানীয় দালালদের কাছে হস্তান্তর করে তাদের গোপন আস্তানায় রাখা হতো। এসময় ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোন ও অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হতো, খাবারও অপ্রতুল দেওয়া হতো। অনেক ক্ষেত্রে মুক্তিপণ আদায় করত পাচারকারীরা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর শাহপীরদ্বীপ মোহনায় সমুদ্রপথে মিয়ানমারের প্রায় ১০০ নাগরিক পাচারের সময় ৪ পাচারকারীকে হাতে-নাতে আটক করে বিজিবি। একই রাতে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন কচ্ছপিয়া ও বড়ইতলি এলাকা থেকে আরও ৮ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয় ১১ জন ভুক্তভোগী।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, এ বছরের জুলাই মাসে ১৫ জন, আগস্টে ৪ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত ১৭ জন পাচারকারীকে আটক করেছে ২ বিজিবি। চলতি বছর মোট ৬২ মানব পাচারকারী আটক হলেও এখনো ২৪ জন পলাতক রয়েছে।

আটক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান, আবু তৈয়ব, ইদ্রিস, জাহেদ, জুবায়ের, নরুল আবছার, ইসমাইল, ইমরান, নুর মোহাম্মদ, মাহমুদউল্লাহ ও খুরশিদা কোম।
পলাতক আসামিরা হলেন—হোসেন, সাইফুল ও নেজাম।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান পিএসসি বলেন, “মানবতা ও দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্তে যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।”