ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পেশাজীবীদের সম্মানে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আলী উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত টেকনাফে স্থানীয় তরুণ সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, প্রধান অতিথি জাফর আহমদ যশোর বেজপাড়ার এস্কেন্দারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যশোরে রাত ৮ টার পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জাতীয় প্রেসক্লাবে পবিপ্রবির উপাচার্য–উপ-উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলতে বললেন প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া কক্সবাজারে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক রামগড়ে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লাল মাটি

জাতীয় প্রেসক্লাবে পবিপ্রবির উপাচার্য–উপ-উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দুমকী ও পবিপ্রবি প্রতিনিধি : রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব–এর সামনে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও এক অধ্যাপকের অপসারণসহ ১৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে ঢাকায় অবস্থানরত পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান এবং বিশেষ কর্মকর্তা অধ্যাপক জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তোলেন। তারা দাবি করেন, উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ এবং তা রাজনৈতিক সুপারিশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের ৪৫৩ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্য হয়েছে। এ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অধ্যাপক জামাল হোসেনের নিয়োগ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়েও তদন্ত দাবি করা হয়।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব ও ইউজিসি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ১৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে— অভিযুক্তদের অপসারণ, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত, জাল সনদের অভিযোগ যাচাই, প্রশাসনিক দুর্নীতির বিচার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পেশাজীবীদের সম্মানে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আলী উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রেসক্লাবে পবিপ্রবির উপাচার্য–উপ-উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দুমকী ও পবিপ্রবি প্রতিনিধি : রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব–এর সামনে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও এক অধ্যাপকের অপসারণসহ ১৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে ঢাকায় অবস্থানরত পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান এবং বিশেষ কর্মকর্তা অধ্যাপক জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তোলেন। তারা দাবি করেন, উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ এবং তা রাজনৈতিক সুপারিশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের ৪৫৩ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্য হয়েছে। এ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অধ্যাপক জামাল হোসেনের নিয়োগ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়েও তদন্ত দাবি করা হয়।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব ও ইউজিসি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ১৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে— অভিযুক্তদের অপসারণ, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত, জাল সনদের অভিযোগ যাচাই, প্রশাসনিক দুর্নীতির বিচার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।