ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের মরিচ্যা চেকপোস্টে মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ঘাটিত হয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক ঘটনা। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য হয়েও মাদক বহনের অভিযোগে এবার ধরা পড়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর এক সদস্য।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত চেকিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় এক যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তার বহন করা ব্যাগটি তল্লাশি করা হয়। পরে ব্যাগের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। ঘটনাস্থলেই তাকে আটক করে বিজিবি।
ঘটনাটি শুধু মাদক উদ্ধারেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, পেশাগত সততা এবং জবাবদিহিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যে বাহিনী মাদকবিরোধী লড়াইয়ের সামনের সারিতে, সেই বাহিনীর একজন সদস্যের সংশ্লিষ্টতা জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে ক্ষোভ ও হতাশা। তাদের ভাষ্য—“আইনের রক্ষকই যদি অপরাধে জড়ান, তাহলে সাধারণ মানুষের ভরসা কোথায়?”
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি এ ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ মাদক চক্র বা নেটওয়ার্ক জড়িত রয়েছে কি না, তা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা স্পষ্ট বার্তা দেয়—মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কোনো ছাড় নেই। পরিচয় নয়, অপরাধই হবে বিচারের মূল মানদণ্ড।
প্রতিনিধির নাম 














