ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে জেলার শীর্ষ পদের দাবিদার: আলোচনায় ছাত্রনেতা মোবারক হোসাইন রামগড়ে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত টেকনাফে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত  পলাতক রফিক গ্রেফতার কক্সবাজার সদর মডেল থানার বিশেষ অভিযানে ১২ পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎সিদ্ধিরগঞ্জে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী , ডাকাতিসহ গ্রেফতার ৪ বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজ নিয়ে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী ফ্ল্যাট জালিয়াতি: টিউলিপসহ দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল শাপলা চত্বরের ঘটনায় বিচার ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি শিবিরের

রামগড়ে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় মাঠ পর্যায়ে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার সংক্রান্ত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করতে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজুবাদাম ও কপি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অঙ্গ) এর অর্থায়নে এবং পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, রামগড়ের উদ্যোগে গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়, এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, উপ-সহকারী উদ্যানতত্ত্ব কর্মকর্তা এবং বৈজ্ঞানিক সহকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মনিরুজ্জামান। তিনি জৈব বালাইনাশকের গুরুত্ব, প্রস্তুত প্রণালী এবং মাঠ পর্যায়ে এর কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বিশেষ প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিএসও) কৃষিবিদ এমদাদুল হক। এছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সুমন মিয়া আধুনিক কৃষিতে জৈব পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা ও এর সুফল তুলে ধরেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ রাইসুল ইসলাম রাসেল ও মোঃ ফুয়াদ মিয়া।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জৈব বালাইনাশকের সঠিক ব্যবহার, রাসায়নিক বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে জৈব প্রযুক্তির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে এসব প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ

রামগড়ে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৮:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় মাঠ পর্যায়ে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার সংক্রান্ত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করতে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজুবাদাম ও কপি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অঙ্গ) এর অর্থায়নে এবং পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, রামগড়ের উদ্যোগে গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়, এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, উপ-সহকারী উদ্যানতত্ত্ব কর্মকর্তা এবং বৈজ্ঞানিক সহকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মনিরুজ্জামান। তিনি জৈব বালাইনাশকের গুরুত্ব, প্রস্তুত প্রণালী এবং মাঠ পর্যায়ে এর কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বিশেষ প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিএসও) কৃষিবিদ এমদাদুল হক। এছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সুমন মিয়া আধুনিক কৃষিতে জৈব পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা ও এর সুফল তুলে ধরেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ রাইসুল ইসলাম রাসেল ও মোঃ ফুয়াদ মিয়া।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জৈব বালাইনাশকের সঠিক ব্যবহার, রাসায়নিক বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে জৈব প্রযুক্তির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে এসব প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।