ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেবা গ্রহীতাদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির উখিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ৬ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার প্রশিক্ষণের উদ্বোধনীতে নিজেদের দক্ষতা ও সেবার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন করতে হবে : ডিসি রায়হান কবির নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস বালিকা ফুটবলে চট্টগ্রাম জেলায় চ্যাম্পিয়ন পটিয়া উপজেলা দলকে চক্রশালা স্কুলে সংবর্ধনা ঢাকায় জরুরি পানি সরবরাহে ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে সরকার অতিরিক্ত ভাতা চালুর দাবিতে বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি সীমান্তের অসহায় মানুষের পাশে উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৪২ বছরেও পাকা ভবন হয়নি মাদ্রাসা, ভবন না থাকায় আকাশে মেঘ দেখলেই ছুটির ঘন্টা বাজায় দপ্তরি ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত ৭২০ ট্রাকে স্বল্প দামে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি বন্ধুত্ব গড়তে হলে সহিংসতার মনোবৃত্তি পরিহার করতে হবে দিল্লিকে : রিজভী

সেবা গ্রহীতাদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ নামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও অপেক্ষাগার চালু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম সেবা গ্রহণের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক আগমন ঘটে থাকে। অনেক সময় তারা সাথে করে সন্তানদের নিয়ে আসেন। মানসম্মত কোনো অপেক্ষাগার বা নিজের দুগ্ধজাত শিশুর জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ চালু করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের উপজেলায় অবস্থানকালীন সময়কে স্বস্তিকর ও আনন্দদায়ক করতে এই কর্নারটি চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির শুভ উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য উপজেলায় নারী ও শিশুদের জন্য এরকম অপেক্ষাগার চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্নেহকুঞ্জ উদ্বোধনের পর বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, “সরকারি সেবা গ্রহণ করতে এসে কোনো মা যেন বিব্রত না হন, কোনো শিশু যেন কষ্ট না পায় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ‘স্নেহকুঞ্জ’ একটি মানবিক উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সব দপ্তরকে সেবামুখী ও নারীবান্ধব করতে হবে। জেলার সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে হলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনে।”

এ সময় উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), স্থানীয় সরকার নিলুফা ইয়াসমিনসহ সদর উপজেলার সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেবা গ্রহীতাদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির

সেবা গ্রহীতাদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির

আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ নামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও অপেক্ষাগার চালু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম সেবা গ্রহণের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক আগমন ঘটে থাকে। অনেক সময় তারা সাথে করে সন্তানদের নিয়ে আসেন। মানসম্মত কোনো অপেক্ষাগার বা নিজের দুগ্ধজাত শিশুর জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ চালু করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের উপজেলায় অবস্থানকালীন সময়কে স্বস্তিকর ও আনন্দদায়ক করতে এই কর্নারটি চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির শুভ উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য উপজেলায় নারী ও শিশুদের জন্য এরকম অপেক্ষাগার চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্নেহকুঞ্জ উদ্বোধনের পর বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, “সরকারি সেবা গ্রহণ করতে এসে কোনো মা যেন বিব্রত না হন, কোনো শিশু যেন কষ্ট না পায় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ‘স্নেহকুঞ্জ’ একটি মানবিক উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সব দপ্তরকে সেবামুখী ও নারীবান্ধব করতে হবে। জেলার সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে হলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনে।”

এ সময় উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), স্থানীয় সরকার নিলুফা ইয়াসমিনসহ সদর উপজেলার সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।