ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় পার্টিকে শেষ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : যশোরে কর্মীসভায় আসুদ পটিয়া প্রেসক্লাব নতুন কমিটিকে আলোর পথিক সামাজিক সংগঠন অভিনন্দন টেকনাফে ১,৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ, পলাতক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন অ্যাড. শাহানাজ জামান জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় বাহাদুপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু শখের আঙ্গুর চাষ বাণিজ্যিক বাগানে পরিণত  বাংলাদেশ এর কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সম্প্রসারণ বর্তমান বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা ৭কোটি ৬৮ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যশোরে আটক ২ বরুড়া বাজারে যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি নারায়ণগঞ্জ সদরে বিতর্ক উৎসবের ফাইনাল ২২ জুন, শিল্পকলা একাডেমিতে মুখোমুখি ৪ প্রতিষ্ঠান

টেকনাফে ১,৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ, পলাতক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী আমির হামজা ওরফে মিলন (৩২) পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) টেকনাফ বিশেষ জোনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পানবাজার এলাকায় টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত হাজী আব্দুল করিম মার্কেটের এস এস মোবাইল মিডিয়া অ্যান্ড ডিজিটাল স্টুডিওর পেছনের অংশে অভিযান পরিচালনা করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দোকানের পেছনের অংশটি মূল মালিকের কাছ থেকে উপ-ভাড়া নিয়ে আমির হামজা প্রকাশ মিলন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিয়ার সংরক্ষণ ও বিক্রি করে আসছিলেন। অভিযানের সময় দোকানটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তালা ভেঙে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিকালে দোকানের ভেতরে রাখা ২০টি কার্টনের মধ্যে প্রতি কার্টনে ৭২ ক্যান হিসেবে মোট ১ হাজার ৪৪০ ক্যান ‘হান্টার ৫%’ ব্র্যান্ডের বাংলাদেশি বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

তবে অভিযুক্ত আমির হামজা ওরফে মিলন ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের অবৈধ উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পার্টিকে শেষ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : যশোরে কর্মীসভায় আসুদ

টেকনাফে ১,৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ, পলাতক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১১:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী আমির হামজা ওরফে মিলন (৩২) পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) টেকনাফ বিশেষ জোনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পানবাজার এলাকায় টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত হাজী আব্দুল করিম মার্কেটের এস এস মোবাইল মিডিয়া অ্যান্ড ডিজিটাল স্টুডিওর পেছনের অংশে অভিযান পরিচালনা করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দোকানের পেছনের অংশটি মূল মালিকের কাছ থেকে উপ-ভাড়া নিয়ে আমির হামজা প্রকাশ মিলন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিয়ার সংরক্ষণ ও বিক্রি করে আসছিলেন। অভিযানের সময় দোকানটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তালা ভেঙে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিকালে দোকানের ভেতরে রাখা ২০টি কার্টনের মধ্যে প্রতি কার্টনে ৭২ ক্যান হিসেবে মোট ১ হাজার ৪৪০ ক্যান ‘হান্টার ৫%’ ব্র্যান্ডের বাংলাদেশি বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

তবে অভিযুক্ত আমির হামজা ওরফে মিলন ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের অবৈধ উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।