ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরের শার্শায় কন্যাদাহ গ্রামে গুলিবর্ষণ: আহত ৬, বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ বরুড়ায় গণপূর্তমন্ত্রীর হাত ধরে বিএনপিতে ২ হাজার নেতাকর্মীর যোগদান কক্সবাজারে যৌথ অভিযানে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শিক্ষার পাশাপাশি নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দিতে হবে ফারজানা ইয়াসমিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলাই হত্যা মামলা : সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ কারাগারে বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন : মীর শাহে আলম নিজের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে যা বললেন মেসি ড্রোন হামলার জবাবে আফগানিস্তানের ১০ জায়গায় বিমান অভিযান পাকিস্তানের

ঢাকায় বাধ্যতামূলক সেপটিক ট্যাংক ও এসটিপি স্থাপনের নির্দেশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ঢাকার প্রতিটি ভবনে সেপটিক ট্যাংক বা এসটিপি (স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপন বাধ্যতামূলক করতে হবে।

তিনি বলেন, কার্যকর সুয়ারেজ ব্যবস্থাপনা ছাড়া নগরীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় এবং শুধু ড্রেজিং করে বা দায় এড়িয়ে এ সমস্যা সমাধান হবে না।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত ‘নির্মিত/নির্মাণাধীন ভবনসমূহে সেপটিক ট্যাংক/এসটিপি স্থাপন’ বিষয়ক অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এ নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরের হাসপাতাল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের স্থাপনার জন্য এসটিপি স্থাপন কোনোভাবেই কঠিন কাজ নয়। উৎস থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদী–খাল দূষণমুক্ত করা কঠিন হলেও তা অসম্ভব নয়।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, শুধু ড্রেজিং করে, কিংবা দায় এড়িয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে, তবেই রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা করা যাবে।

তিনি দীর্ঘমেয়াদি ভিশন, কার্যকর গভর্নেন্স এবং আইনগত সংস্কারের ওপর জোর দেন। আশা প্রকাশ করেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আইন সংশোধন ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরীর ছাদবাগান, সড়ক বিভাজকে সবুজায়ন এবং পার্ক সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে। একইসঙ্গে ভবন নির্মাণে সেপটিক ট্যাংক ও এসটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করার বিধান কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মতিন। এছাড়া রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. গিয়াস উদ্দিন বক্তব্য রাখেন।

প্রারম্ভিক উপস্থাপনা দেন রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ সাঈদ রেজাউল হক। বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান, ডাইকি এক্সিস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুই ওয়াসে এবং প্রধান নির্বাহী শফিকুল ইসলাম।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, কার্যকর সেপটিক ট্যাংক এবং এসটিপি বাস্তবায়নই ঢাকাকে টেকসই ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরের মূল হাতিয়ার হতে পারে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের শার্শায় কন্যাদাহ গ্রামে গুলিবর্ষণ: আহত ৬, বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

ঢাকায় বাধ্যতামূলক সেপটিক ট্যাংক ও এসটিপি স্থাপনের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ঢাকার প্রতিটি ভবনে সেপটিক ট্যাংক বা এসটিপি (স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপন বাধ্যতামূলক করতে হবে।

তিনি বলেন, কার্যকর সুয়ারেজ ব্যবস্থাপনা ছাড়া নগরীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় এবং শুধু ড্রেজিং করে বা দায় এড়িয়ে এ সমস্যা সমাধান হবে না।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত ‘নির্মিত/নির্মাণাধীন ভবনসমূহে সেপটিক ট্যাংক/এসটিপি স্থাপন’ বিষয়ক অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এ নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরের হাসপাতাল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের স্থাপনার জন্য এসটিপি স্থাপন কোনোভাবেই কঠিন কাজ নয়। উৎস থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদী–খাল দূষণমুক্ত করা কঠিন হলেও তা অসম্ভব নয়।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, শুধু ড্রেজিং করে, কিংবা দায় এড়িয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে, তবেই রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা করা যাবে।

তিনি দীর্ঘমেয়াদি ভিশন, কার্যকর গভর্নেন্স এবং আইনগত সংস্কারের ওপর জোর দেন। আশা প্রকাশ করেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আইন সংশোধন ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরীর ছাদবাগান, সড়ক বিভাজকে সবুজায়ন এবং পার্ক সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে। একইসঙ্গে ভবন নির্মাণে সেপটিক ট্যাংক ও এসটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করার বিধান কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মতিন। এছাড়া রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. গিয়াস উদ্দিন বক্তব্য রাখেন।

প্রারম্ভিক উপস্থাপনা দেন রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ সাঈদ রেজাউল হক। বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান, ডাইকি এক্সিস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুই ওয়াসে এবং প্রধান নির্বাহী শফিকুল ইসলাম।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, কার্যকর সেপটিক ট্যাংক এবং এসটিপি বাস্তবায়নই ঢাকাকে টেকসই ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরের মূল হাতিয়ার হতে পারে।