ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরের শার্শায় কন্যাদাহ গ্রামে গুলিবর্ষণ: আহত ৬, বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ বরুড়ায় গণপূর্তমন্ত্রীর হাত ধরে বিএনপিতে ২ হাজার নেতাকর্মীর যোগদান কক্সবাজারে যৌথ অভিযানে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শিক্ষার পাশাপাশি নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দিতে হবে ফারজানা ইয়াসমিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলাই হত্যা মামলা : সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ কারাগারে বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন : মীর শাহে আলম নিজের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে যা বললেন মেসি ড্রোন হামলার জবাবে আফগানিস্তানের ১০ জায়গায় বিমান অভিযান পাকিস্তানের

ভুল হলে ক্ষমা করবেন, দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন: বাণিজ্য উপদেষ্টা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দায়িত্ব পালনকালীন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

আমার ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, সেজন্য ক্ষমা করবেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আমি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। সরকার গঠনের পরপরই পেশাগত জীবনে ফিরে যাব। আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই। তবে একটি শেষ অনুরোধ আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, গত দেড় বছর বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাকে জবাবদিহিতার মধ্যে রেখেছেন। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে। সরকারে আসার সময় আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি। সম্মিলিতভাবে আল্লাহ তালা বরকত দিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। কোনো বিষয়ে যখনই পরামর্শ বা নির্দেশনার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই তিনি আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দিকনির্দেশনা পেয়েছেন। যত কিছু সম্ভব হয়েছে আমি মনে করি প্রধান উপদেষ্টা তার নির্দেশনায় যে আমি, আমরা কাজ করতে পেরেছি এবং আমরা যখনই কোনো বিষয়ে উনার নির্দেশনা বা উনার গাইডেন্স কামনা করেছি উনি সকল সময়ে অসম্ভব দরদ দিয়ে এবং বুদ্ধিমত্তাকে মিলিয়ে যে ধরনের নির্দেশনা আমাদেরকে দিয়েছেন, সেগুলোকে প্রতিপালন করার চেষ্টা করেছি।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইনশাআল্লাহ নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরে সাথে সাথে আমি আমার কর্মজীবনে ফেরত যাব। আশা করি আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফ করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আমি কখনোই কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে আসিনি আগে। আমি আবার চাই আপনাদের মাধ্যমে একটি স্বনির্বন্ধ অনুরোধ করতে চাই, শেষ অনুরোধ যে আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।

ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা– উভয় পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত রেখে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির পথে এগিয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। ভবিষ্যতেও তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের শার্শায় কন্যাদাহ গ্রামে গুলিবর্ষণ: আহত ৬, বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

ভুল হলে ক্ষমা করবেন, দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন: বাণিজ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৮:০৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দায়িত্ব পালনকালীন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

আমার ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, সেজন্য ক্ষমা করবেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আমি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। সরকার গঠনের পরপরই পেশাগত জীবনে ফিরে যাব। আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই। তবে একটি শেষ অনুরোধ আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, গত দেড় বছর বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাকে জবাবদিহিতার মধ্যে রেখেছেন। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে। সরকারে আসার সময় আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি। সম্মিলিতভাবে আল্লাহ তালা বরকত দিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। কোনো বিষয়ে যখনই পরামর্শ বা নির্দেশনার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই তিনি আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দিকনির্দেশনা পেয়েছেন। যত কিছু সম্ভব হয়েছে আমি মনে করি প্রধান উপদেষ্টা তার নির্দেশনায় যে আমি, আমরা কাজ করতে পেরেছি এবং আমরা যখনই কোনো বিষয়ে উনার নির্দেশনা বা উনার গাইডেন্স কামনা করেছি উনি সকল সময়ে অসম্ভব দরদ দিয়ে এবং বুদ্ধিমত্তাকে মিলিয়ে যে ধরনের নির্দেশনা আমাদেরকে দিয়েছেন, সেগুলোকে প্রতিপালন করার চেষ্টা করেছি।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইনশাআল্লাহ নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরে সাথে সাথে আমি আমার কর্মজীবনে ফেরত যাব। আশা করি আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফ করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আমি কখনোই কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে আসিনি আগে। আমি আবার চাই আপনাদের মাধ্যমে একটি স্বনির্বন্ধ অনুরোধ করতে চাই, শেষ অনুরোধ যে আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।

ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা– উভয় পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত রেখে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির পথে এগিয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। ভবিষ্যতেও তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।