ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক রামগড়ে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লাল মাটি যশোরে আবাসিক হোটেল থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, সিনিয়র-জুনিয়র তুমুল সংঘর্ষ যশোরের শার্শায় আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্য-আটক দুমকি উপজেলায়, বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর মামলা ঘিরে অর্থ আদায়ের অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের অভিযান,মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের স্ত্রীর ২ সঞ্চয় হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রামগড়ে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লাল মাটি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল ইসলাম, রামগড়: খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৯৫০ কিলোমিটার সড়কের সলিং উঠিয়ে কার্পেটিং করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিশেষ বরাদ্দ দেয়। টেন্ডারের মাধ্যমে এমএস রিফ এন্টারপ্রাইজ ও এমএস ইমু এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি দুই ভাগে বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, যেখানে নিয়ম অনুযায়ী বালু ব্যবহারের কথা, সেখানে বালুর পরিবর্তে পাহাড়ি লাল মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া এস (কংক্রিট) ঢালাইয়ের পর পুনরায় বালু দেওয়ার বিধান থাকলেও সেখানেও একইভাবে পাহাড়ি মাটি ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

রাজনৈতিক সমস্যার আশঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “আমরা কয়েকবার ঠিকাদারের লোকজনকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের অভিযোগ আমলে নেয়নি। এভাবে নিম্নমানের কাজ হলে বর্ষা শুরু হলেই রাস্তা ভেঙে যাবে।”

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

এ বিষয়ে রিফ এন্টারপ্রাইজ ও ইমু এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রামগড় উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. নাইমুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিগগিরই সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের মান যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

রামগড়ে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লাল মাটি

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

সাইফুল ইসলাম, রামগড়: খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৯৫০ কিলোমিটার সড়কের সলিং উঠিয়ে কার্পেটিং করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিশেষ বরাদ্দ দেয়। টেন্ডারের মাধ্যমে এমএস রিফ এন্টারপ্রাইজ ও এমএস ইমু এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি দুই ভাগে বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, যেখানে নিয়ম অনুযায়ী বালু ব্যবহারের কথা, সেখানে বালুর পরিবর্তে পাহাড়ি লাল মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া এস (কংক্রিট) ঢালাইয়ের পর পুনরায় বালু দেওয়ার বিধান থাকলেও সেখানেও একইভাবে পাহাড়ি মাটি ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

রাজনৈতিক সমস্যার আশঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “আমরা কয়েকবার ঠিকাদারের লোকজনকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের অভিযোগ আমলে নেয়নি। এভাবে নিম্নমানের কাজ হলে বর্ষা শুরু হলেই রাস্তা ভেঙে যাবে।”

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

এ বিষয়ে রিফ এন্টারপ্রাইজ ও ইমু এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রামগড় উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. নাইমুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিগগিরই সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের মান যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”