ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সচিবের ভাই পরিচয়ে রামগড় ইউএনও,র কাছে এক লাখ টাকা দাবি, আটক প্রতারক এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক ফয়সাল আট,পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা টেকনাফে পৃথক অভিযানে রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড কমলগঞ্জের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ৫ দিন আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রেপ্তার ৩ – পলাতক ১ পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে বিরোধ রাজবাড়ীতে বাড়ীর প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া হাটুপানি দিয়ে ৪টি পরিবারের চলাচল বেনাপোল কাস্টস, বন্দর ও ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী

দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে গত এক দশকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য প্রসার ঘটেছে। ২০২৪ সালে দেশে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টি, যা ২০১৩ সালে ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫টি।

অর্থাৎ ১০ বছরের ব্যবধানে ইউনিট বেড়েছে ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার ২২৭টি বা ৪৯.৬৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর ন্যাশনাল রিপোর্ট থেকে এতথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। নিম্নে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ইউনিটের উল্লেখযোগ্য ফলাফল তুলে ধরা হলো:-

পল্লি ও শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধি:

২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী পল্লি এলাকায় মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ৭৩,৮৫,৮২৮টি এবং শহর এলাকায় ৪৩,১৬,৯৬৪টি। অন্যদিকে ২০১৩ সালে পল্লি এলাকায় অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ছিল ৫৫,৮৯,০১৯টি এবং শহর এলাকায় ২২,২৯,৫৪৬টি। সেই বিবেচনায়, পল্লি এবং শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রাধান্য ও ঢাকা বিভাগের শীর্ষস্থান-

মোট অর্থনৈতিক ইউনিট ১,১৭,০২,৭৯২ এর মধ্যে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান ৬২,৬৯,৪৫৭টি (৫৩.৫৭ শতাংশ), অস্থায়ী প্রতিষ্ঠান ৫,৭৩,৯৬৯টি (৪.৯১ শতাংশ) এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন খানা ৪৮,৫৯,৩৬৬টি (৪১.৫২ শতাংশ)। বিভাগভিত্তিক উপাত্ত বিবেচনায় দেখা যায়, সর্বাধিক ২৭.০৮ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিট ঢাকায় এবং সর্বনিম্ন ৪.৬৭ শতাংশ সিলেটে অবস্থিত। এছাড়া চট্টগ্রাম ১৭.৫১ শতাংশ, রাজশাহী ১৪.৩৬ শতাংশ, খুলনা ১২.৭৩ শতাংশ, রংপুর ১১.৪১ শতাংশ, ময়মনসিংহ ৬.৬৩ শতাংশ ও বরিশালে ৫.৬১ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিটের অবস্থান।

সংখ্যা বিবেচনায় মাইক্রো ও কুটির শিল্পের প্রাধান্য:

মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে মাইক্রো শিল্পের সংখ্যা ৬৬,৩১,৪৮২টি (৫৬.৬৭ শতাংশ) এবং কুটির শিল্পের সংখ্যা ৪৫,৩৩,৫৮৯টি (৩৮.৭৪ শতাংশ)। এছাড়া, ক্ষুদ্র শিল্প ৪,৯২,৩২৩টি (৪.২০ শতাংশ), মাঝারি শিল্প ৩৬,১১২টি (০.৩১ শতাংশ) এবং বৃহৎ শিল্প রয়েছে ৯,২৮৬টি (০.০৮ শতাংশ)।

স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত/পারিবারিক মালিকানার ইউনিট সর্বাধিক:

ব্যক্তিগত/পারিবারিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রতিষ্ঠান (৮৭.৩৬ শতাংশ)। এছাড়া, ৫৪,৭৭,০২৪টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান দেশের মোট স্থায়ী ৪,০০,৬৯৬টি (৬.৩৯ শতাংশ), সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত ১,৩৯,১৯৪টি (২.২২ শতাংশ), প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ১,১৪,৩৮৬টি (১.৮২ শতাংশ) এবং অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত ৯০,৫২২টি (১.৪৪ শতাংশ) প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বিবেচনায় সেবা খাতের প্রাধান্য:

দেশের অর্থনৈতিক ইউনিটসমূহের মধ্যে সেবাখাতের অন্তর্ভুক্ত ইউনিটের সংখ্যা ১,০৫,৩৪,৪৪৩টি (৯০.০২ শতাংশ) এবং শিল্পখাতের ইউনিটের সংখ্যা ১১,৬৮,৩৪৯টি (৯.৯৮ শতাংশ)।

অর্থনৈতিক ইউনিটে নিয়োজিত মোট জনবল বৃদ্ধি:

অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ অনুযায়ী দেশের সব অর্থনৈতিক ইউনিটে নিয়োজিত মোট জনবল ৩,০৬,৩২,৬৬১ জন, যা ২০১৩ সালে ছিল ২,৪৫,০০,৮৫০ জন। এ থেকে দেখা যায়, ২০১৩ সালের চেয়ে ২০২৪ সালে জনবল ২৫.০৩ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ অনুযায়ী মোট জনবলের ৮৩.২৮ শতাংশ পুরুষ (২,৫৫,১১,৬৫২ জন), নারী ১৬.৭১ শতাংশ (৫১,১৯,২৭১ জন) এবং হিজড়া ০.০১ শতাংশ (১,৭৩৮ জন)।

স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে জনবলের আধিক্য:

অর্থনৈতিক ইউনিটে নিয়োজিত মোট জনবলের ৭৭.৫৩ শতাংশ স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে, ২.৫৪ শতাংশ অস্থায়ী প্রতিষ্ঠানে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন খানায় ১৯.৯৩ শতাংশ নিয়োজিত রয়েছে।

পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা এবং মোটরযান ও মোটরসাইকেল মেরামত খাতের বিস্তৃতি:

অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর ইউনিটসমূহের মধ্যে সর্বাধিক ৪১.৮২ শতাংশ পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা এবং মোটরযান ও মোটরসাইকেল মেরামত খাতের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া অন্যান্য খাতগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিবহন ও মজুত ২২.২২ শতাংশ, উৎপাদন খাত ৯.৫৭ শতাংশ, এবং আবাসন ও খাদ্যসেবা কার্যক্রম ৮.১১ শতাংশ।

 

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবের ভাই পরিচয়ে রামগড় ইউএনও,র কাছে এক লাখ টাকা দাবি, আটক প্রতারক

দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে গত এক দশকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য প্রসার ঘটেছে। ২০২৪ সালে দেশে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টি, যা ২০১৩ সালে ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫টি।

অর্থাৎ ১০ বছরের ব্যবধানে ইউনিট বেড়েছে ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার ২২৭টি বা ৪৯.৬৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর ন্যাশনাল রিপোর্ট থেকে এতথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। নিম্নে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ইউনিটের উল্লেখযোগ্য ফলাফল তুলে ধরা হলো:-

পল্লি ও শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধি:

২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী পল্লি এলাকায় মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ৭৩,৮৫,৮২৮টি এবং শহর এলাকায় ৪৩,১৬,৯৬৪টি। অন্যদিকে ২০১৩ সালে পল্লি এলাকায় অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ছিল ৫৫,৮৯,০১৯টি এবং শহর এলাকায় ২২,২৯,৫৪৬টি। সেই বিবেচনায়, পল্লি এবং শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রাধান্য ও ঢাকা বিভাগের শীর্ষস্থান-

মোট অর্থনৈতিক ইউনিট ১,১৭,০২,৭৯২ এর মধ্যে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান ৬২,৬৯,৪৫৭টি (৫৩.৫৭ শতাংশ), অস্থায়ী প্রতিষ্ঠান ৫,৭৩,৯৬৯টি (৪.৯১ শতাংশ) এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন খানা ৪৮,৫৯,৩৬৬টি (৪১.৫২ শতাংশ)। বিভাগভিত্তিক উপাত্ত বিবেচনায় দেখা যায়, সর্বাধিক ২৭.০৮ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিট ঢাকায় এবং সর্বনিম্ন ৪.৬৭ শতাংশ সিলেটে অবস্থিত। এছাড়া চট্টগ্রাম ১৭.৫১ শতাংশ, রাজশাহী ১৪.৩৬ শতাংশ, খুলনা ১২.৭৩ শতাংশ, রংপুর ১১.৪১ শতাংশ, ময়মনসিংহ ৬.৬৩ শতাংশ ও বরিশালে ৫.৬১ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিটের অবস্থান।

সংখ্যা বিবেচনায় মাইক্রো ও কুটির শিল্পের প্রাধান্য:

মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে মাইক্রো শিল্পের সংখ্যা ৬৬,৩১,৪৮২টি (৫৬.৬৭ শতাংশ) এবং কুটির শিল্পের সংখ্যা ৪৫,৩৩,৫৮৯টি (৩৮.৭৪ শতাংশ)। এছাড়া, ক্ষুদ্র শিল্প ৪,৯২,৩২৩টি (৪.২০ শতাংশ), মাঝারি শিল্প ৩৬,১১২টি (০.৩১ শতাংশ) এবং বৃহৎ শিল্প রয়েছে ৯,২৮৬টি (০.০৮ শতাংশ)।

স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত/পারিবারিক মালিকানার ইউনিট সর্বাধিক:

ব্যক্তিগত/পারিবারিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রতিষ্ঠান (৮৭.৩৬ শতাংশ)। এছাড়া, ৫৪,৭৭,০২৪টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান দেশের মোট স্থায়ী ৪,০০,৬৯৬টি (৬.৩৯ শতাংশ), সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত ১,৩৯,১৯৪টি (২.২২ শতাংশ), প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ১,১৪,৩৮৬টি (১.৮২ শতাংশ) এবং অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত ৯০,৫২২টি (১.৪৪ শতাংশ) প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বিবেচনায় সেবা খাতের প্রাধান্য:

দেশের অর্থনৈতিক ইউনিটসমূহের মধ্যে সেবাখাতের অন্তর্ভুক্ত ইউনিটের সংখ্যা ১,০৫,৩৪,৪৪৩টি (৯০.০২ শতাংশ) এবং শিল্পখাতের ইউনিটের সংখ্যা ১১,৬৮,৩৪৯টি (৯.৯৮ শতাংশ)।

অর্থনৈতিক ইউনিটে নিয়োজিত মোট জনবল বৃদ্ধি:

অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ অনুযায়ী দেশের সব অর্থনৈতিক ইউনিটে নিয়োজিত মোট জনবল ৩,০৬,৩২,৬৬১ জন, যা ২০১৩ সালে ছিল ২,৪৫,০০,৮৫০ জন। এ থেকে দেখা যায়, ২০১৩ সালের চেয়ে ২০২৪ সালে জনবল ২৫.০৩ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ অনুযায়ী মোট জনবলের ৮৩.২৮ শতাংশ পুরুষ (২,৫৫,১১,৬৫২ জন), নারী ১৬.৭১ শতাংশ (৫১,১৯,২৭১ জন) এবং হিজড়া ০.০১ শতাংশ (১,৭৩৮ জন)।

স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে জনবলের আধিক্য:

অর্থনৈতিক ইউনিটে নিয়োজিত মোট জনবলের ৭৭.৫৩ শতাংশ স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে, ২.৫৪ শতাংশ অস্থায়ী প্রতিষ্ঠানে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন খানায় ১৯.৯৩ শতাংশ নিয়োজিত রয়েছে।

পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা এবং মোটরযান ও মোটরসাইকেল মেরামত খাতের বিস্তৃতি:

অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর ইউনিটসমূহের মধ্যে সর্বাধিক ৪১.৮২ শতাংশ পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা এবং মোটরযান ও মোটরসাইকেল মেরামত খাতের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া অন্যান্য খাতগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিবহন ও মজুত ২২.২২ শতাংশ, উৎপাদন খাত ৯.৫৭ শতাংশ, এবং আবাসন ও খাদ্যসেবা কার্যক্রম ৮.১১ শতাংশ।