মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা,জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী: রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন-অর রশীদ বলেছেন, একের পর এক বিষ প্রয়োগ ও কেটে পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্ট এটা শত্রুতা নাকি সরকারকে বেকায়দায় ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রাজবাড়ী জেলা দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনের তৃতীয় জেলা। এ জেলায় প্রচুর পেঁয়াজ উৎপাদন করায়। পাংশা উপজেলার মেঘনায় পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্ট কারীরা গ্রেপ্তার হয়েছে। বালিয়াকান্দির ইসলামপুরে পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্টকারীরা গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রশাসন ও আমাদের শক্ত অবস্থান থাকা সত্বেও আজ এতো জমির পেঁয়াজ বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করা বিষয়টি শত্রুতা নয়। এটা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে গভীর ষড়যন্ত্র কিনা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে।
শুক্রবার দুপুরে পেঁয়াজ ক্ষেত বিষ প্রয়োগে ক্ষতি সাধন করার খবরে ছুটে আসেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন-অর রশীদ। তিনি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি ও ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার সীমান্তবর্তী বাসুখালী, শান্তিপুর, বহর সাধুখালী মৌজায় প্রায় ৭০ পাখি জমির পেঁয়াজের ক্ষতিকারক কীটনাশক প্রয়োগ করা ক্ষতিগ্রস্থ জমি ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশীদ বলেন, আমরা কোন অপরাধীকে ছাড় দিবো না। যারা দেশের সম্পদ, কৃষকের সম্পদ নষ্ট করছে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এখানে ওসি সাহেব ও কৃষি কর্মকর্তারা রয়েছেন, আপনারা অপরাধীদের দ্রুত সনাক্ত করবেন এবং আইনের আওতায় আনবেন। সেই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর সব ব্যবস্থা করবেন।
এসময় বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুর রব তালুকদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, বালিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম শওকত সিরাজ সহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
প্রতিনিধির নাম 


















