ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে পৌর হাটবাজারের নতুন ইজারা পেয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক কক্সবাজারে হিউম্যান এইডের ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কক্সবাজার জেলার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নলতা শরীফ প্রেসক্লাবের আয়োজনে মাহে রমজানে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত বেনাপোল স্থলবন্দরে কোটি টাকার পাটবীজ আটক যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকায় জাল টাকাসহ যুবক আটক দুমকী উপজেলায়, একা কিশোরীকে জিম্মি করে চুরির চেষ্টা,কিশোর গ্রেপ্তার যশোরে প্রশিক্ষণ বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণ যশোরে বার-বেঞ্জ মুখোমুখি, আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে আইনজীবী সমিতির সংবাদ সম্মেলন

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো জোরদারে গুরুত্বারোপ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, পারস্পরিক সংস্কৃতির বিনিময়ই মানুষে-মানুষে সম্পর্কের সেতুবন্ধন তৈরি করে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আজ সচিবালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে সংস্কৃতি মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের জন্য মন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে, দুই দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরো সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। বিশেষ করে ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়সহ এই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনেক মিল রয়েছে।

তিনি পহেলা বৈশাখ উদযাপন, লালন শাহের দর্শন ও সঙ্গীত ধারা, কুঠিবাড়ি এবং হাসন রাজার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে সামনে রেখে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার এ সময় টেক্সটাইল আর্ট, জাদুঘর কার্যক্রম, থিয়েটার এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা ও সংরক্ষণে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বিশেষ করে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কার্যক্রমে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।

দুই বাংলার লেখক সম্মিলন, পয়েট্রি কনফারেন্স এবং শিক্ষাভিত্তিক ও যুব সংস্কৃতি কার্যক্রমের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের তরুণদের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও জোরদার করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

বৈঠকে, দুই দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের (কালচারাল আইকন) স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

বৈঠককালে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণ একই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক। তিনি সঙ্গীত, শিল্পকলা ও লোকসংস্কৃতির ক্ষেত্রে শিল্পী ও সাংস্কৃতিক দলের পারস্পরিক বিনিময় বৃদ্ধি এবং দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, যুগ্ম সচিব ইলিয়া সুমনা এবং ভারতীয় হাইকমিশনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো জোরদারে গুরুত্বারোপ

আপডেট সময় : ১০:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, পারস্পরিক সংস্কৃতির বিনিময়ই মানুষে-মানুষে সম্পর্কের সেতুবন্ধন তৈরি করে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আজ সচিবালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে সংস্কৃতি মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের জন্য মন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে, দুই দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরো সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। বিশেষ করে ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়সহ এই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনেক মিল রয়েছে।

তিনি পহেলা বৈশাখ উদযাপন, লালন শাহের দর্শন ও সঙ্গীত ধারা, কুঠিবাড়ি এবং হাসন রাজার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে সামনে রেখে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার এ সময় টেক্সটাইল আর্ট, জাদুঘর কার্যক্রম, থিয়েটার এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা ও সংরক্ষণে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বিশেষ করে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কার্যক্রমে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।

দুই বাংলার লেখক সম্মিলন, পয়েট্রি কনফারেন্স এবং শিক্ষাভিত্তিক ও যুব সংস্কৃতি কার্যক্রমের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের তরুণদের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও জোরদার করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

বৈঠকে, দুই দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের (কালচারাল আইকন) স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

বৈঠককালে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণ একই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক। তিনি সঙ্গীত, শিল্পকলা ও লোকসংস্কৃতির ক্ষেত্রে শিল্পী ও সাংস্কৃতিক দলের পারস্পরিক বিনিময় বৃদ্ধি এবং দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, যুগ্ম সচিব ইলিয়া সুমনা এবং ভারতীয় হাইকমিশনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।