মনির হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের তিনটি আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়ে এবার সাংবাদিক সম্মেলন করেছে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি।
সোমবার বেলা ১২টায় জেলা আইনজীবী সমিতির ১ নম্বর ভবনের সেমিনার কক্ষে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
এ সময় তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আইরিন পারভীনের আদালত বর্জন করেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। আইরিন পারভীন আইনজীবীদের বাদ রেখেই বাদী ও আসামি পক্ষের স্বজনদের নিয়ে বিচারকাজ করছেন। সেক্ষেত্রে বাড়তি পুলিশি ব্যবহারও করছেন। তিনি বলেন, তিনি আইনজীবীদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন, যা সমীচীন নয়। এ বিষয়ে তিনি আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই সাথে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ কে সরিয়ে অন্য যে কোনো বিচারককে দায়িত্ব দিলেই তারা এজলাসে ফিরে যাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র আইনজীবী দেবাশীষ দাস, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম. এ. গফুরসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেরুল হক সাবু বলেন, জামিন দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজের ওপর তাদের কোনো ক্ষোভ নেই। তবে তিনি আইন-কানুন যথাযথভাবে জানেন না এবং জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অযোগ্য বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব বিষয়ে আইনজীবীরা সমিতিতে অভিযোগ দেন। এমনকি অনাস্থা প্রকাশ করে আদালত মুলতবি ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আইরিন পারভীনের সঙ্গে সমিতির পক্ষ থেকে বৈঠকও করা হয়েছিল। তিনি কথা দিয়েছিলেন এবং পরে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতাও হয়। কিন্তু এরপর তিনি আরও খারাপ আচরণ করা শুরু করেছেন বলে দাবি করা হয়।শেষ পর্যন্ত গত বুধবার দুপুরে জরুরি সভা করে সর্বসম্মতিক্রমে তার দুটি আদালত ও যুগ্ম জেলা জজ রাশেদুর রহমানের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন আইনজীবীরা। এরপর ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ আইরিন পারভীন আইনজীবী ছাড়াই বিচারকার্য শুরু করেন। এতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।অনুসন্ধান সেবা
তিনি বলেন, ওই আদালতে অন্য বিচারক দিলেই তারা আদালতে ফিরে যাবেন। কিন্তু যশোরের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। উল্টো আইনজীবীদের প্রতিপক্ষ ভেবে বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহমদও একইভাবে ইচ্ছামতো কাজ শুরু করেছেন। বারের সঙ্গে সমন্বয় না করেই আদালতে এজলাস শুরুর সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় নিয়ে বুধবার তারা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেবেন এবং বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি এম. ইদ্রিস আলী, শরীফ নুর মোহাম্মদ আলী রেজা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম বাচ্চু, সিনিয়র আইনজীবী মঈনুল হক খান ময়না প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আদালত সূত্র আরও জানায়, যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম গত বছরের ২৮ আগস্ট বদলি হন। তিন মাস পর ৫ নভেম্বর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে মোহাম্মদ আলী যোগদান করেন। তবে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলীরও বদলি হলে জেলা ও দায়রা জজ পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। এরপর থেকেই অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের মাধ্যমে জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল, যা নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই ক্ষোভ বিরাজ করছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক এম. এম. মোর্শেদ বেশ কিছু দিন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সম্প্রতি ঢাকায় বদলি হন। এরপর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আইরিন পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন আইনজীবীরা। এরই মধ্যে গত বুধবার তারা আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন, যা সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অনুসন্ধান সেবা
তিনি বলেন, ওই আদালতে অন্য বিচারক দিলেই তারা আদালতে ফিরে যাবেন। কিন্তু যশোরের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। উল্টো আইনজীবীদের প্রতিপক্ষ ভেবে বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহমদও একইভাবে ইচ্ছামতো কাজ শুরু করেছেন। বারের সঙ্গে সমন্বয় না করেই আদালতে এজলাস শুরুর সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় নিয়ে বুধবার তারা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেবেন এবং বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি এম. ইদ্রিস আলী, শরীফ নুর মোহাম্মদ আলী রেজা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম বাচ্চু, সিনিয়র আইনজীবী মঈনুল হক খান ময়না প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আদালত সূত্র আরও জানায়, যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম গত বছরের ২৮ আগস্ট বদলি হন। তিন মাস পর ৫ নভেম্বর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে মোহাম্মদ আলী যোগদান করেন। তবে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলীরও বদলি হলে জেলা ও দায়রা জজ পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। এরপর থেকেই অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের মাধ্যমে জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল, যা নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই ক্ষোভ বিরাজ করছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক এম. এম. মোর্শেদ বেশ কিছু দিন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সম্প্রতি ঢাকায় বদলি হন। এরপর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আইরিন পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন আইনজীবীরা। এরই মধ্যে গত বুধবার তারা আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন, যা সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রতিনিধির নাম 
























