আলোকিত কাগজ প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ–সোনারগাঁ) আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের পোলিং এজেন্ট পরিচয়ে এক ব্যক্তির অবস্থানকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক এজেন্ট তালিকায় তার নাম না থাকলেও তিনি ভোটকক্ষে অবস্থান করে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের দলরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। কেন্দ্রে উপস্থিত সূত্রে জানা যায়, ফখরুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি পুরুষ বুথের এজেন্টদের কক্ষে অবস্থান করছিলেন। তার গলায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর লিফলেট ঝুলানো ছিল।
উপস্থিত কয়েকজন ভোটার জানান, তিনি নিজেকে ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দিয়ে কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন।তবে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোয়াজ্জেনুল হকের সংরক্ষিত নথিপত্রে ফখরুল ইসলাম নামে কোনো অনুমোদিত এজেন্টের নাম পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ওই ব্যক্তি এজেন্ট হিসেবে অনুমোদিত কি না, সে বিষয়ে আমার কাছে পূর্বতথ্য ছিল না। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে একই কেন্দ্রে আরও কয়েকজন পোলিং এজেন্টের পরিচয়পত্রে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। দেখা গেছে, তাদের গলায় ঝুলানো পরিচয়পত্রে ছবি ও পূর্ণাঙ্গ নাম উল্লেখ ছিল না। নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, অনুমোদিত এজেন্টদের নির্ধারিত ফরম্যাটে পরিচয়পত্র বহন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন,আমি ধানের শীষের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। গলায় লিফলেট রাখা নিয়মবহির্ভূত—এটা জানা ছিল না। কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে।
প্রার্থীর লিফলেট গলায় ঝুলিয়ে ভোটকক্ষে অবস্থানের বিষয়টি নজরে না আসা প্রসঙ্গে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি। এখন থেকে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।ঘটনাটি ঘিরে কিছু সময়ের জন্য আলোচনা সৃষ্টি হলেও পরে কেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা
প্রতিনিধির নাম 
























