পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: এপেক্স ক্লাব অব পটিয়ার উদ্যােগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার, মাসব্যাপী পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও মরহুম অধ্যক্ষ মাওলানা কাজী আনোয়ারুল ইসলাম খাঁন (রহ.)এর স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হযরত আমিরুল আউলিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে মরহুম আলহাজ মাওলানা কাজী আনোয়ারুল ইসলাম খাঁন (রহ.)–এর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে ক্লাবের পরিচালকবৃন্দ, আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন।আয়োজকেরা জানান, রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও সহমর্মিতার মাস। এ সময় এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং কোরআনের আলো সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য। উদ্বোধনী দিনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি মাসব্যাপী বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও দরিদ্র মানুষের মাঝে কোরআন শরীফ বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এপেক্স ক্লাব অব পটিয়ার সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন ক্লাব সেক্রেটারি ও ডিনার নোটিশ সম্পাদক
মোহাম্মদ আবু হেনা এবং ফেলোশিপ ও পাবলিক রিলেশনশিপ পরিচালক মো.ল নাঈম আলমদার। প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশ এর জাতীয় সহসভাপতি নাসিম আহমেদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা–৩ এর গভর্নর সৈয়দ মিয়া হাসান, ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, সাবেক জেলা গভর্নর মোহাম্মদ কামাল পাশা ও মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম খাঁন, এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবানের সদ্য সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, এপেক্স ক্লাব অব চিটাগাংয়ের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মহসিন,এ ছাড়া ক্লাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জেলা সেক্রেটারি মো. আরিফ খান, ট্রেজারার মো. আব্দুল্লাহ ফারুক রবি, ক্লাব ডিরেক্টর আব্দুর রহিম খন্দকার ও মোহাম্মদ ফারুক হোসাইন, নুরুল ইসলাম, আবুল হাসান আজাদ হিরু, জোনায়েদ সারওয়ার রিমন, আরাফাত খাঁনসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে হাফেজ মো. তামজিদুল ইসলাম খাঁন দোয়া ও মোনাজাত, মিলাদ পরিচালনা করেন। পরে অতিথিরা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য কোরআন শরীফ মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ সরোয়ার শাহ্ আমিরীর কাছে হস্তান্তর করেন।
বক্তারা বলেন, রমজান কেবল ইবাদতের মাস নয়; এটি মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার শিক্ষা দেয়। কোরআনের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
প্রতিনিধির নাম 








