নিজস্ব প্রতিবেদক: এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি হিসেবে এই কর্মসূচিটি চালু করা হলো।
উদ্বোধনী বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সেসময় সমগ্র বাংলাদেশে তিনি নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা স্কুল পর্যায় থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেল পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই শিক্ষিত নারী সমাজকে আজকে আমরা অর্থনৈতিক ভাবে তাদের এমপাওয়ার করতে চাই অর্ধনৈতিক ভাবে তাদের সচ্ছল করতে চাই। এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার সরকার গঠনের আগেই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কীভাবে নারীদের আমরা ক্ষমতায়ন করবো। এবং তারই অংশ হিসেবে আজকে এই ফ্যামিলি কার্ড আমরা সমগ্র বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমিক ভাবে ইন্ট্রোডিউস শুরু করলাম আজকে আমরা।”
বর্তমানে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রম চালু রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে প্রায় ১৪টি উপজেলায় ৩৭ হাজার নারী এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন।
সরকারের তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এই কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত প্রতিটি দরিদ্র পরিবারকে প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবে নারীরা।
প্রতিনিধির নাম 
























