ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মন্ত্রীদের জন্য ধানমন্ডিসহ কয়েকটি এলাকায় ৩৭টি বাসা প্রস্তুত: গণপূর্ত উপদেষ্টা শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১২শ দেশি-বিদেশি অতিথি টেকনাফে প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার চালক আটক বিয়ের প্রলোভনেশারীরিক সম্পর্ক ও পর্নোগ্রাফির মামলায় চার্জশিট বোয়ালখালীতে হয়রত বু-আলী কালন্দর শাহ (রহ:) বার্ষিক ওরশ ১৮ ফেব্রুয়ারী টেকনাফে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ আটক ২ রংপুর ৩, ৪ ও ৬ আসনের পরাজিত বিএনপির প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও ভোট গননার দাবিতে আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছি: পরিবেশ উপদেষ্টা নির্বাচনের মাধ্যমে পুলিশ তার আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে : প্রেসসচিব রমজান উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার ‍শুভেচ্ছা

নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হামাস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের সঙ্গে ৬০ দিনের নতুন যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাব মেনে নিয়েছে গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। নতুন এই চুক্তিতে গাজায় হামাসের হাতে থাকা অর্ধেক জিম্মিকে ফেরত ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কিছু ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তির শর্ত রয়েছে। সোমবার মিসরীয় সরকারি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নেওয়ার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সূত্রটি জানিয়েছে, কোনো সংশোধন ছাড়াই নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে হামাস ও এর সহযোগী গোষ্ঠীগুলো। এর মধ্যেই প্রস্তাবের জবাব মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, হামাস ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময়কালে দুই ধাপে প্রায় ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি বন্দীকে মুক্তি দেবে। একই সময়ে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা চলবে।

তবে এ বিষয়ে এখনো ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এর আগে কায়রোতে অবস্থানরত হামাসের আলোচকরা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে একটি নতুন প্রস্তাব পেয়েছেন। এ প্রস্তাবে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি এবং দুই ধাপে জিম্মি মুক্তির পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।

গত সপ্তাহে হামাস জানায়, তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রোতে রয়েছে, যারা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছে। গাজা যুদ্ধ এখন ২৩তম মাসে প্রবেশ করেছে।

কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিশরও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতায় জড়িত। তবে এ বছরের শুরুর দিকে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর থেকে পরববর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সোমবার গাজার রাফাহ সীমান্ত পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, আমরা যখন এখানে কথা বলছি, তখন ফিলিস্তিনি ও কাতারি প্রতিনিধিরা মিশরে অবস্থান করছেন এবং তারা পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ড ও অনাহার বন্ধে প্রচেষ্টা জোরদার করছেন।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্ত্রীদের জন্য ধানমন্ডিসহ কয়েকটি এলাকায় ৩৭টি বাসা প্রস্তুত: গণপূর্ত উপদেষ্টা

নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হামাস

আপডেট সময় : ১১:৫০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের সঙ্গে ৬০ দিনের নতুন যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাব মেনে নিয়েছে গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। নতুন এই চুক্তিতে গাজায় হামাসের হাতে থাকা অর্ধেক জিম্মিকে ফেরত ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কিছু ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তির শর্ত রয়েছে। সোমবার মিসরীয় সরকারি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নেওয়ার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সূত্রটি জানিয়েছে, কোনো সংশোধন ছাড়াই নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে হামাস ও এর সহযোগী গোষ্ঠীগুলো। এর মধ্যেই প্রস্তাবের জবাব মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, হামাস ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময়কালে দুই ধাপে প্রায় ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি বন্দীকে মুক্তি দেবে। একই সময়ে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা চলবে।

তবে এ বিষয়ে এখনো ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এর আগে কায়রোতে অবস্থানরত হামাসের আলোচকরা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে একটি নতুন প্রস্তাব পেয়েছেন। এ প্রস্তাবে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি এবং দুই ধাপে জিম্মি মুক্তির পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।

গত সপ্তাহে হামাস জানায়, তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রোতে রয়েছে, যারা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছে। গাজা যুদ্ধ এখন ২৩তম মাসে প্রবেশ করেছে।

কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিশরও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতায় জড়িত। তবে এ বছরের শুরুর দিকে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর থেকে পরববর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সোমবার গাজার রাফাহ সীমান্ত পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, আমরা যখন এখানে কথা বলছি, তখন ফিলিস্তিনি ও কাতারি প্রতিনিধিরা মিশরে অবস্থান করছেন এবং তারা পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ড ও অনাহার বন্ধে প্রচেষ্টা জোরদার করছেন।