ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই হত্যা মামলা : সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ কারাগারে বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন : মীর শাহে আলম নিজের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে যা বললেন মেসি ড্রোন হামলার জবাবে আফগানিস্তানের ১০ জায়গায় বিমান অভিযান পাকিস্তানের টেকনাফ সীমান্তে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার নারায়ণগঞ্জ থেকে বৈশ্বিক মঞ্চে সাংবাদিক এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ, প্রতিনিয়ত ছাপিয়ে যাচ্ছেন নিজেকে নেশার টাকার জন্য বাবা-মাকে মারধর, ছেলের বিরুদ্ধে মামলা সচিবের ভাই পরিচয়ে রামগড় ইউএনও,র কাছে এক লাখ টাকা দাবি, আটক প্রতারক

রাজধানীতে ঈদ জামাতের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে : ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মো. সরওয়ার বলেন, পুরো জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ আশেপাশের এলাকায় সিসি ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হবে।

তিনি বলেন, বরাবরের মতো এবারও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এখানে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করবেন।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এরধ্যে প্রথম জামাত শুরু হবে সকাল ৭টায়।

এছাড়া ঢাকা মহানগরীতে মোট ১২১ টি ঈদগাহ এবং ১ হাজার ৫৯৯ টি মসজিদে মোট ১ হাজার ৭৭১ টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগের দিন রাজধানীতে তিনটি ঈদ জামাত ও শিয়া সম্প্রদায়ের আটটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ও ঢাকার অন্যান্য স্থানে অনুষ্ঠিতব্য ঈদ জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সমন্বিত, সুদূঢ়, সুবিন্যস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের ঈদের জামাতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে।

প্রবেশ গেইটসমূহে তল্লাশির জন্য আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। কন্ট্রোলরুম থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ঈদগাহ ময়দানে আসার প্রধান তিনটি রাস্তা মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষাভবনের প্রবেশ মুখে ব্যারিকেড থাকবে। যেখানে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে।

ঈদ ময়দানের চতুপার্শ্বে বহিঃবেষ্টনীতে তল্লাশি ব্যবস্থা থাকবে। ঈদ জামাতের চারদিকে পিকেট ব্যবস্থা ও লাইনিং ব্যবস্থা থাকবে। মূল গেটে আর্চওয়ের মধ্য দিয়ে মুসল্লিগণকে প্রবেশ করতে হবে। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশ গেইট এবং পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা এসবির সুইপিং টিম এবং সিটিটিসি ডগ স্কোয়াড থাকবে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে।

সোয়াট ও সাদা পোশাকে ডিবি এবং সিটিটিসির সদস্য মোতায়েন থাকবে। যাতে করে পুরো এলাকা ঘিরে আলাদা নিরাপত্তা বলয় তৈরি হবে। ওয়াচ টাওয়ার থাকবে। যেখান থেকে পুরো এলাকা মনিটরিং করা হবে।

নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আমাদের সমন্বয় থাকবে। গোয়েন্দা সংস্থার সমূহের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় থাকবে। ফায়ার ব্রিগেডের ফায়ার টেন্ডার প্রস্তুত থাকবে। ইমারজেন্সি মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।

বায়তুল মোকাররম কেন্দ্রীক আলাদা অনুরূপ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঢাকার অন্যান্য ঈদগাহ সমূহে প্রতিটি ক্রাইম বিভাগ আয়োজক সংস্থার সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে থাকবে না।

ডিএমপি কমিশনার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বলেন, ঈদগাহ কেন্দ্রীক ঈদ জামাত উপলক্ষে নগরীর কিছু কিছু পয়েন্টে ডাইভারশন থাকবে, সেগুলো হলো- জিরো পয়েন্ট ক্রসিং, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, হাইকোর্ট ক্রসিং, প্রেসক্লাব লিংক রোড, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পিছনের গলি, ইউবিএল ক্রসিং, কন্ট্রোলরুম গ্যাপ ও মৎস্যভবন ক্রসিং।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, জাতীয় ঈদগাহে আগত সাধারণ মুসল্লিদের গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকবে, সেগুলো হলো- গণপূর্ত ভবনের আঙ্গিনায়, অভ্যন্তরে সরকারি কর্মকর্তা ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের, আইইবি’র ভিতরে, জিরোপয়েন্ট ক্রসিং ও ইউবিএল ক্রসিং (মুক্তাঙ্গন)-এর উভয় পার্শ্বে, দোয়েল চত্বরের দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তর পার্শ্বে, ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেট ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে, মৎস্যভবন ক্রসিং এর পূর্ব দিকে কার্পেট গলি রোড ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে, মৎস্যভবন ক্রসিং হতে শাহবাগ ক্রসিং রাস্তার উভয় পার্শ্বে এক লাইনে থাকবে।

জাতীয় ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশিকাজে সহায়তা করুন। ঈদগাহ ময়দানে কোন প্রকার ব্যাগ, ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ নিয়ে আসবেন না।

ঈদ জামাত শেষে তাড়াহুড়ো না করে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সন্দেহজনক কিছু মনে হলে নিকটস্থ পুলিশ সদস্যকে জানাবেন। প্রয়োজনে ৯৯৯ বা ম্যাসেজ টু কমিশনার (০১৩২০-০১০১০১০, ০১৩২০-০২০২০২০) এ ফোন করবেন। যে কোন প্রয়োজনে পুলিশ কন্ট্রোলরুমে যোগাযোগ করবেন।

প্রেস বিফ্রিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই হত্যা মামলা : সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ কারাগারে

রাজধানীতে ঈদ জামাতের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে : ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

আপডেট সময় : ০৯:১২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মো. সরওয়ার বলেন, পুরো জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ আশেপাশের এলাকায় সিসি ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হবে।

তিনি বলেন, বরাবরের মতো এবারও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এখানে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করবেন।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এরধ্যে প্রথম জামাত শুরু হবে সকাল ৭টায়।

এছাড়া ঢাকা মহানগরীতে মোট ১২১ টি ঈদগাহ এবং ১ হাজার ৫৯৯ টি মসজিদে মোট ১ হাজার ৭৭১ টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগের দিন রাজধানীতে তিনটি ঈদ জামাত ও শিয়া সম্প্রদায়ের আটটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ও ঢাকার অন্যান্য স্থানে অনুষ্ঠিতব্য ঈদ জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সমন্বিত, সুদূঢ়, সুবিন্যস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের ঈদের জামাতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে।

প্রবেশ গেইটসমূহে তল্লাশির জন্য আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। কন্ট্রোলরুম থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ঈদগাহ ময়দানে আসার প্রধান তিনটি রাস্তা মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষাভবনের প্রবেশ মুখে ব্যারিকেড থাকবে। যেখানে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে।

ঈদ ময়দানের চতুপার্শ্বে বহিঃবেষ্টনীতে তল্লাশি ব্যবস্থা থাকবে। ঈদ জামাতের চারদিকে পিকেট ব্যবস্থা ও লাইনিং ব্যবস্থা থাকবে। মূল গেটে আর্চওয়ের মধ্য দিয়ে মুসল্লিগণকে প্রবেশ করতে হবে। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশ গেইট এবং পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা এসবির সুইপিং টিম এবং সিটিটিসি ডগ স্কোয়াড থাকবে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে।

সোয়াট ও সাদা পোশাকে ডিবি এবং সিটিটিসির সদস্য মোতায়েন থাকবে। যাতে করে পুরো এলাকা ঘিরে আলাদা নিরাপত্তা বলয় তৈরি হবে। ওয়াচ টাওয়ার থাকবে। যেখান থেকে পুরো এলাকা মনিটরিং করা হবে।

নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আমাদের সমন্বয় থাকবে। গোয়েন্দা সংস্থার সমূহের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় থাকবে। ফায়ার ব্রিগেডের ফায়ার টেন্ডার প্রস্তুত থাকবে। ইমারজেন্সি মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।

বায়তুল মোকাররম কেন্দ্রীক আলাদা অনুরূপ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঢাকার অন্যান্য ঈদগাহ সমূহে প্রতিটি ক্রাইম বিভাগ আয়োজক সংস্থার সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে থাকবে না।

ডিএমপি কমিশনার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বলেন, ঈদগাহ কেন্দ্রীক ঈদ জামাত উপলক্ষে নগরীর কিছু কিছু পয়েন্টে ডাইভারশন থাকবে, সেগুলো হলো- জিরো পয়েন্ট ক্রসিং, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, হাইকোর্ট ক্রসিং, প্রেসক্লাব লিংক রোড, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পিছনের গলি, ইউবিএল ক্রসিং, কন্ট্রোলরুম গ্যাপ ও মৎস্যভবন ক্রসিং।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, জাতীয় ঈদগাহে আগত সাধারণ মুসল্লিদের গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকবে, সেগুলো হলো- গণপূর্ত ভবনের আঙ্গিনায়, অভ্যন্তরে সরকারি কর্মকর্তা ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের, আইইবি’র ভিতরে, জিরোপয়েন্ট ক্রসিং ও ইউবিএল ক্রসিং (মুক্তাঙ্গন)-এর উভয় পার্শ্বে, দোয়েল চত্বরের দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তর পার্শ্বে, ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেট ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে, মৎস্যভবন ক্রসিং এর পূর্ব দিকে কার্পেট গলি রোড ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে, মৎস্যভবন ক্রসিং হতে শাহবাগ ক্রসিং রাস্তার উভয় পার্শ্বে এক লাইনে থাকবে।

জাতীয় ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশিকাজে সহায়তা করুন। ঈদগাহ ময়দানে কোন প্রকার ব্যাগ, ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ নিয়ে আসবেন না।

ঈদ জামাত শেষে তাড়াহুড়ো না করে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সন্দেহজনক কিছু মনে হলে নিকটস্থ পুলিশ সদস্যকে জানাবেন। প্রয়োজনে ৯৯৯ বা ম্যাসেজ টু কমিশনার (০১৩২০-০১০১০১০, ০১৩২০-০২০২০২০) এ ফোন করবেন। যে কোন প্রয়োজনে পুলিশ কন্ট্রোলরুমে যোগাযোগ করবেন।

প্রেস বিফ্রিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।