ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশন পালংখালী শাখার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উত্তর পালংখালী প্রজন্ম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন তারুণ্যের বাস্তব ভাবনায় মাহে রামাদান: তাজকিয়ার সেমিনার ও কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির টহল ও তল্লাশী জোরদার টেকনাফে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশাল ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল ছেংগারচর পৌর ভূগর্ভস্থ পানি শোধনাগার উদ্বোধনের ৩ বছরেও কাজে আসছে না পানি শোধনাগার, বঞ্চিত স্থানীয়রা এইচএসসি ফলাফল বিপর্যয়ে মতলব উত্তরের দুই কলেজে পাঠদান স্থগিত কালীগঞ্জের নলতায় আল আমিন ট্রাস্ট মসজিদ কমপ্লেক্স উদ্বোধনী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেসমিনা খানম: সমাজসেবা  থেকে সংসদে যেতে চান

গজারিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বাড়িতে ডাকাতি; অর্ধকোটি টাকার মালামাল লুটে জড়িত নাহিদ গ্রেপ্তার ‎

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত এক ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১১)।গ্রেফতারকৃতের নাম নাহিদ (৩৪)। সে কামাল হোসেনের ছেলে এবং গজারিয়া উপজেলার তেতৈতলা এলাকার বাসিন্দা।বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৫) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার তেতৈতলা এলাকা থেকে র‍্যাব-১১ এর আভিযানিক দল তাকে গ্রেফতার করে।মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকায় সশস্ত্র ডাকাতদল অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাজী মো. ফজলুল হকের বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতি চালায়। ডাকাতরা জানালার গ্রিল কেটে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে প্রথমে ফজলুল হকের মেয়েকে ও মেয়ের ছেলে সাবিদকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এরপর বিল্ডিংয়ের চারটি ফ্ল্যাটে একের পর এক লুটপাট চালায়। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলা এই ঘটনায় নগদ ৩ লাখ টাকা, ৩২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ৯টি মোবাইল সেটসহ প্রায় ৫৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়। যাওয়ার সময় তারা পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে বন্দি করে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাজী মো. ফজলুল হক বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে র‍্যাব-১১ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালায়। ঘটনার পর থেকেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিলাম। অবশেষে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান অভিযুক্ত ডাকাত নাহিদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি।র‍্যাব জানায়, “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র‍্যাব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জঙ্গিবাদ, অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চাঞ্চল্যকর হত্যা এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ-এর একটি আভিযানিক দল বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত নাহিদকে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোস্ট ফাউন্ডেশন পালংখালী শাখার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

গজারিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বাড়িতে ডাকাতি; অর্ধকোটি টাকার মালামাল লুটে জড়িত নাহিদ গ্রেপ্তার ‎

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত এক ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১১)।গ্রেফতারকৃতের নাম নাহিদ (৩৪)। সে কামাল হোসেনের ছেলে এবং গজারিয়া উপজেলার তেতৈতলা এলাকার বাসিন্দা।বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৫) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার তেতৈতলা এলাকা থেকে র‍্যাব-১১ এর আভিযানিক দল তাকে গ্রেফতার করে।মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকায় সশস্ত্র ডাকাতদল অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাজী মো. ফজলুল হকের বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতি চালায়। ডাকাতরা জানালার গ্রিল কেটে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে প্রথমে ফজলুল হকের মেয়েকে ও মেয়ের ছেলে সাবিদকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এরপর বিল্ডিংয়ের চারটি ফ্ল্যাটে একের পর এক লুটপাট চালায়। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলা এই ঘটনায় নগদ ৩ লাখ টাকা, ৩২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ৯টি মোবাইল সেটসহ প্রায় ৫৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়। যাওয়ার সময় তারা পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে বন্দি করে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাজী মো. ফজলুল হক বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে র‍্যাব-১১ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালায়। ঘটনার পর থেকেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিলাম। অবশেষে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান অভিযুক্ত ডাকাত নাহিদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি।র‍্যাব জানায়, “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র‍্যাব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জঙ্গিবাদ, অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চাঞ্চল্যকর হত্যা এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ-এর একটি আভিযানিক দল বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত নাহিদকে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।