ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‎ফতুল্লার খালপাড়ে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে বিদেশি রিভলবার উদ্ধার পুলিশ মেমোরিয়াল ডে–২০২৬ উপলক্ষে শহীদ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে উপহার সামগ্রী বিতরণ যশোর কোতোয়ালি থানায় ওসির দায়িত্বে আসছেন মাসুম খান যশোরে আসছেন নতুন বিচারক, আইনাঙ্গনে স্বস্তি আমতলীত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গোপালপুর ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ; সমাজ বিনির্মানে ঐক্যবদ্ধ কাজ করার আহবান সাতকানিয়া উপজেলায় কৃষিজমির টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও থামছে না অবৈধ মাটিকাটা ঈদের আগেই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবেন প্রধানমন্ত্রী কলাকান্দা ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সফিকুল ইসলামের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল কক্সবাজার জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি নির্বাচিত মুহাম্মদ শাহজাহান

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দরের কোনো টার্মিনাল দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনকালে তিনি কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামান, অন্যান্য কর্মকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা।

বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি—এ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর বন্দর পরিচালিত হয়েছে। অবশেষে হালনাগাদ করা হয়েছে। তবুও যেহেতু ব্যবসায়ীদের কিছু অভিযোগ এসেছে, বন্দর কর্তৃপক্ষকে সেটি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হবে।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও দক্ষতা দরকার। বন্দরকে ঘিরে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বন্দর বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমরাও সেই পথে এগোচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “যারা ব্যবসা করেন তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। এতে বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়বে, একসঙ্গে ১০ হাজার কনটেইনার সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪ একর জমিতে নির্মিত এই টার্মিনালে একসঙ্গে ১৫০০ ট্রাক রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। হেভি লিফট কার্গো জেটির ব্যাকআপ হিসেবে ৮ একর এবং এপিএম টার্মিনাল এরিয়া ১০ একর জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে।

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ফতুল্লার খালপাড়ে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে বিদেশি রিভলবার উদ্ধার

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:১৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দরের কোনো টার্মিনাল দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনকালে তিনি কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামান, অন্যান্য কর্মকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা।

বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি—এ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর বন্দর পরিচালিত হয়েছে। অবশেষে হালনাগাদ করা হয়েছে। তবুও যেহেতু ব্যবসায়ীদের কিছু অভিযোগ এসেছে, বন্দর কর্তৃপক্ষকে সেটি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হবে।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও দক্ষতা দরকার। বন্দরকে ঘিরে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বন্দর বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমরাও সেই পথে এগোচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “যারা ব্যবসা করেন তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। এতে বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়বে, একসঙ্গে ১০ হাজার কনটেইনার সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪ একর জমিতে নির্মিত এই টার্মিনালে একসঙ্গে ১৫০০ ট্রাক রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। হেভি লিফট কার্গো জেটির ব্যাকআপ হিসেবে ৮ একর এবং এপিএম টার্মিনাল এরিয়া ১০ একর জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে।