ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত আলীকদমে অবৈধ ইটভাটায় সাঁড়াশি অভিযান: ৩ ভাটায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা যশোরের টিটন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী গুলিতে নিহত কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান শিশুদের ক্রীড়া বিকাশে আড়াইহাজারে গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার উজ্জলের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় খাল খননে স্বস্তি ফিরেছে ইসদাইরে, টানা বৃষ্টিতেও নেই জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ বালিয়াকান্দিতে নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোলে ইউনুস আলী হত্যা রহস্য উদঘাটন, পিবিআই’র জালে দুইজন আটক

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দরের কোনো টার্মিনাল দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনকালে তিনি কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামান, অন্যান্য কর্মকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা।

বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি—এ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর বন্দর পরিচালিত হয়েছে। অবশেষে হালনাগাদ করা হয়েছে। তবুও যেহেতু ব্যবসায়ীদের কিছু অভিযোগ এসেছে, বন্দর কর্তৃপক্ষকে সেটি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হবে।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও দক্ষতা দরকার। বন্দরকে ঘিরে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বন্দর বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমরাও সেই পথে এগোচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “যারা ব্যবসা করেন তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। এতে বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়বে, একসঙ্গে ১০ হাজার কনটেইনার সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪ একর জমিতে নির্মিত এই টার্মিনালে একসঙ্গে ১৫০০ ট্রাক রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। হেভি লিফট কার্গো জেটির ব্যাকআপ হিসেবে ৮ একর এবং এপিএম টার্মিনাল এরিয়া ১০ একর জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে।

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:১৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দরের কোনো টার্মিনাল দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনকালে তিনি কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামান, অন্যান্য কর্মকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা।

বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি—এ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর বন্দর পরিচালিত হয়েছে। অবশেষে হালনাগাদ করা হয়েছে। তবুও যেহেতু ব্যবসায়ীদের কিছু অভিযোগ এসেছে, বন্দর কর্তৃপক্ষকে সেটি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হবে।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও দক্ষতা দরকার। বন্দরকে ঘিরে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বন্দর বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমরাও সেই পথে এগোচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “যারা ব্যবসা করেন তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। এতে বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়বে, একসঙ্গে ১০ হাজার কনটেইনার সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪ একর জমিতে নির্মিত এই টার্মিনালে একসঙ্গে ১৫০০ ট্রাক রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। হেভি লিফট কার্গো জেটির ব্যাকআপ হিসেবে ৮ একর এবং এপিএম টার্মিনাল এরিয়া ১০ একর জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে।