ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে যথাযোগ্য বর্ণাঢ্য আয়োজনে মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য দিবস পালিত খাগড়াছড়ির রামগড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে এনপিএস’র মহান মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: বিভিন্ন মামলার ১০ আসামি গ্রেফতার ‎ সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতি মামলার ২ আসামি গ্রেফতার মহান মে দিবসে সকল মেহনতি মানুষের প্রতি যুবদল নেতা এম ইলিয়াছ আলীর বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসা যশোর হার্ট ফাউন্ডেশন মিলেছে জমি বরাদ্দ, বাস্তবায়নের পথে শিমরাইল আন্তঃজিলা শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ ভয়াল ২৯ এপ্রিল: যে রাত এখনো ঘুম ভাঙায় উপকূলবাসীর মানুষদের

নির্বাচনে ২৫ লাখের এক টাকাও বেশি খরচ করব না: তাসনিম জারা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-৯ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। আর নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি আইনে অনুমোদিত টাকার বাইরে এক টাকাও বেশি খরচ করবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি জানিয়েছেন, প্রচলিত নির্বাচনী সংস্কৃতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে তিনি অর্থনির্ভর রাজনীতি নয়, বরং স্বেচ্ছাসেবক টিম গড়ে নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালনা করবেন।

তাসনিম জারা বলেন, ‘আমাদের দেশে নির্বাচনে একজন প্রার্থী আইনগতভাবে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা খরচ করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখি, প্রায় কেউই এই আইন মানেন না। শোনা যায়, একজন প্রার্থী ২০, ৫০, এমনকি ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করেন। অথচ নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে বলেন, মাত্র ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন তিনি। ফলে প্রায় সবারই সংসদে যাওয়ার যাত্রাটা শুরু হয় আইন ভাঙা ও মিথ্যা বলার মাধ্যমে। আমি এই অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি করব না। আমি এনসিপি থেকে ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছি এবং প্রতিজ্ঞা করছি, আইনে অনুমোদিত টাকার বাইরে আমি ১ টাকাও খরচ করব না।’

অল্প বাজেটে নির্বাচনী প্রচার চালানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেছেন, এত অল্প বাজেটে নির্বাচন করা অসম্ভব। আমি তাদের বলেছি, আমরা প্রমাণ করব—এটা সম্ভব। শুধু নির্বাচনের পর নয়, নির্বাচনের আগেই নিয়মিত জানাব, কত টাকা পেয়েছি এবং কত টাকা খরচ করেছি। সবকিছু করব স্বচ্ছভাবে। আমরা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করব—সততার সঙ্গে অর্থ আর পেশিশক্তির বৃত্তের বাইরে এসে নির্বাচন করা যায়। তবে এ পথচলায় আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন। যে কাজগুলো অন্য প্রার্থীরা টাকা দিয়ে করান, আমাদের সেগুলো করতে হবে আপনাদের সময়, শ্রম এবং অংশগ্রহণ দিয়ে। স্বেচ্ছাসেবক টিম গড়ার মাধ্যমে।’

নির্বাচনে সবার সহযোগিতা চেয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘আপনি ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা, মান্ডা), দেশের অন্য যেকোনো জায়গা বা প্রবাসী হোন, আপনি এই ক্যাম্পেইনে সাহায্য করতে পারবেন। সাহায্য করার অসংখ্য উপায় আছে। এজন্য আমরা একটি ছোট ফরম তৈরি করেছি। সেখানে জানাতে পারবেন আপনি কীভাবে সাহায্য করতে চান। কেউ গ্রাফিক ডিজাইন করতে পারেন, কেউ ভিডিও শুট বা এডিট করতে পারেন, কেউ উঠান বৈঠকের আয়োজন করতে পারেন, কেউ ফান্ড সংগ্রহে সাহায্য করতে পারেন, কেউ আমাদের সঙ্গে বাসায় বাসায় গিয়ে মানুষের কাছে আমাদের মেসেজ পৌঁছে দিতে পারেন—আরও অনেক ভূমিকা আছে। আবার আপনি নিজেও জানাতে পারেন, কীভাবে সাহায্য করতে চান।’

এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘ফরমটি পূরণ করতে সময় লাগবে মাত্র ২ মিনিট। আমি চাই, এবারের নির্বাচন হোক আপনাদের নিজেদের নির্বাচন। আমরা একসঙ্গে টিম গড়ব, প্রশিক্ষণ দেব এবং ধাপে ধাপে সবাইকে যুক্ত করব। সততা দিয়ে রাজনীতি করা সম্ভব, সেটা আমরা একসঙ্গে প্রমাণ করব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যদি রাজনীতি দুর্নীতি, পেশিশক্তি আর মিথ্যার বৃত্ত থেকে বের হয়ে সত্যিকারের জনগণের হাতে ফিরে আসে, তাহলে সম্ভাবনা সীমাহীন।’

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে যথাযোগ্য বর্ণাঢ্য আয়োজনে মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য দিবস পালিত

নির্বাচনে ২৫ লাখের এক টাকাও বেশি খরচ করব না: তাসনিম জারা

আপডেট সময় : ০৯:০৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-৯ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। আর নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি আইনে অনুমোদিত টাকার বাইরে এক টাকাও বেশি খরচ করবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি জানিয়েছেন, প্রচলিত নির্বাচনী সংস্কৃতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে তিনি অর্থনির্ভর রাজনীতি নয়, বরং স্বেচ্ছাসেবক টিম গড়ে নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালনা করবেন।

তাসনিম জারা বলেন, ‘আমাদের দেশে নির্বাচনে একজন প্রার্থী আইনগতভাবে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা খরচ করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখি, প্রায় কেউই এই আইন মানেন না। শোনা যায়, একজন প্রার্থী ২০, ৫০, এমনকি ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করেন। অথচ নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে বলেন, মাত্র ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন তিনি। ফলে প্রায় সবারই সংসদে যাওয়ার যাত্রাটা শুরু হয় আইন ভাঙা ও মিথ্যা বলার মাধ্যমে। আমি এই অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি করব না। আমি এনসিপি থেকে ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছি এবং প্রতিজ্ঞা করছি, আইনে অনুমোদিত টাকার বাইরে আমি ১ টাকাও খরচ করব না।’

অল্প বাজেটে নির্বাচনী প্রচার চালানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেছেন, এত অল্প বাজেটে নির্বাচন করা অসম্ভব। আমি তাদের বলেছি, আমরা প্রমাণ করব—এটা সম্ভব। শুধু নির্বাচনের পর নয়, নির্বাচনের আগেই নিয়মিত জানাব, কত টাকা পেয়েছি এবং কত টাকা খরচ করেছি। সবকিছু করব স্বচ্ছভাবে। আমরা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করব—সততার সঙ্গে অর্থ আর পেশিশক্তির বৃত্তের বাইরে এসে নির্বাচন করা যায়। তবে এ পথচলায় আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন। যে কাজগুলো অন্য প্রার্থীরা টাকা দিয়ে করান, আমাদের সেগুলো করতে হবে আপনাদের সময়, শ্রম এবং অংশগ্রহণ দিয়ে। স্বেচ্ছাসেবক টিম গড়ার মাধ্যমে।’

নির্বাচনে সবার সহযোগিতা চেয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘আপনি ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা, মান্ডা), দেশের অন্য যেকোনো জায়গা বা প্রবাসী হোন, আপনি এই ক্যাম্পেইনে সাহায্য করতে পারবেন। সাহায্য করার অসংখ্য উপায় আছে। এজন্য আমরা একটি ছোট ফরম তৈরি করেছি। সেখানে জানাতে পারবেন আপনি কীভাবে সাহায্য করতে চান। কেউ গ্রাফিক ডিজাইন করতে পারেন, কেউ ভিডিও শুট বা এডিট করতে পারেন, কেউ উঠান বৈঠকের আয়োজন করতে পারেন, কেউ ফান্ড সংগ্রহে সাহায্য করতে পারেন, কেউ আমাদের সঙ্গে বাসায় বাসায় গিয়ে মানুষের কাছে আমাদের মেসেজ পৌঁছে দিতে পারেন—আরও অনেক ভূমিকা আছে। আবার আপনি নিজেও জানাতে পারেন, কীভাবে সাহায্য করতে চান।’

এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘ফরমটি পূরণ করতে সময় লাগবে মাত্র ২ মিনিট। আমি চাই, এবারের নির্বাচন হোক আপনাদের নিজেদের নির্বাচন। আমরা একসঙ্গে টিম গড়ব, প্রশিক্ষণ দেব এবং ধাপে ধাপে সবাইকে যুক্ত করব। সততা দিয়ে রাজনীতি করা সম্ভব, সেটা আমরা একসঙ্গে প্রমাণ করব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যদি রাজনীতি দুর্নীতি, পেশিশক্তি আর মিথ্যার বৃত্ত থেকে বের হয়ে সত্যিকারের জনগণের হাতে ফিরে আসে, তাহলে সম্ভাবনা সীমাহীন।’