ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবশেষে আর্সেনালের পথে ব্রাজিল তারকা জাতিসংঘে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত মিয়ানমারের সাবেক জান্তা প্রধানের প্রথম থাইল্যান্ড সফর বেনাপোলে গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি টেকনাফে কোস্ট গার্ডের দুই অভিযানে ৩৬ হাজার ইয়াবা জব্দ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দুইটি স্বর্ণেবারসহ পাসপোর্টধারী যাত্রী আটক পটিয়া বিএনপির বিজয় মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রিপেইড মিটার বাতিল দাবিতে ১১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ শহরে গণমিছিল, আসতে পারে হরতালের ঘোষণা ড. লুৎফুল কবিরের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ন্যায়বিচারের আকুতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বন্দরে বিএম ইউনিয়ন স্কুল-অ্যান্ড-কলেজে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন

প্রশাসনকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের কল্যাণে একটি জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের ব্যক্তিগত ডিভাইস নয়, বরং জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার দীর্ঘদিনের প্রবণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, ‘জনগণের সম্মিলিত মতামতই রাষ্ট্রকে পরিচালিত করে। একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই ইচ্ছাকে জনকল্যাণমূলক কাজে রূপান্তর করা।’

প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কর্মকর্তাদের বিচ্ছিন্নভাবে থাকা সক্ষমতাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কেন্দ্রীভূত করতে হবে।

বিজ্ঞানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ছড়িয়ে থাকা আলোকে যেমন লেজারে রূপান্তর করলে তার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায়, তেমনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত দক্ষতা ও আন্তরিকতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে সেটি আরও উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে।’

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘কালেক্টিভ নলেজ বা সম্মিলিত জ্ঞানের চেয়ে বড় কোনো জ্ঞান নেই।’

মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আরও বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে প্রতিটি কাজ সংবিধান ও বিদ্যমান বিধিবিধানের আলোকে করতে হবে।

আইনের শাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সংবিধানই সকল আইন ও বিধির মূল ভিত্তি। এছাড়া, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনে স্বচ্ছতা না থাকলে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক সকল স্তরে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত করতে হবে।

প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক দূরত্ব কমিয়ে কর্মকর্তাদের জন্য একটি মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক কর্মপরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

তিনি কর্মকর্তাদের সৃজনশীল মতামত ও গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে আর্সেনালের পথে ব্রাজিল তারকা

প্রশাসনকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের কল্যাণে একটি জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের ব্যক্তিগত ডিভাইস নয়, বরং জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার দীর্ঘদিনের প্রবণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, ‘জনগণের সম্মিলিত মতামতই রাষ্ট্রকে পরিচালিত করে। একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই ইচ্ছাকে জনকল্যাণমূলক কাজে রূপান্তর করা।’

প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কর্মকর্তাদের বিচ্ছিন্নভাবে থাকা সক্ষমতাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কেন্দ্রীভূত করতে হবে।

বিজ্ঞানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ছড়িয়ে থাকা আলোকে যেমন লেজারে রূপান্তর করলে তার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায়, তেমনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত দক্ষতা ও আন্তরিকতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে সেটি আরও উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে।’

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘কালেক্টিভ নলেজ বা সম্মিলিত জ্ঞানের চেয়ে বড় কোনো জ্ঞান নেই।’

মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আরও বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে প্রতিটি কাজ সংবিধান ও বিদ্যমান বিধিবিধানের আলোকে করতে হবে।

আইনের শাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সংবিধানই সকল আইন ও বিধির মূল ভিত্তি। এছাড়া, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনে স্বচ্ছতা না থাকলে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক সকল স্তরে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত করতে হবে।

প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক দূরত্ব কমিয়ে কর্মকর্তাদের জন্য একটি মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক কর্মপরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

তিনি কর্মকর্তাদের সৃজনশীল মতামত ও গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।