ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির ৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা রাজবাড়ীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনিয়ে নিল মাদককারবারিরা জাতীয় পার্টিকে শেষ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : যশোরে কর্মীসভায় আসুদ পটিয়া প্রেসক্লাব নতুন কমিটিকে আলোর পথিক সামাজিক সংগঠন অভিনন্দন টেকনাফে ১,৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ, পলাতক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন অ্যাড. শাহানাজ জামান জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় বাহাদুপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু শখের আঙ্গুর চাষ বাণিজ্যিক বাগানে পরিণত  বাংলাদেশ এর কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সম্প্রসারণ বর্তমান বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: দেশের বিভিন্ন শহরের ময়লার ভাগাড় দিয়ে কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এতে বছরে বাঁচবে প্রায় (১০০০) এক হাজার কোটি টাকার ও বেশী এবং সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাঁচবে অর্থের অপচয় ও শহর হবে পরিচ্ছন্ন। অথচ কিছু অসাধু কর্মকর্তার পকেট ভারী করতে আটকে রাখা হয়েছে এমন মেগাপ্রকল্প।

চীনের মতো দেশে ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানোর ৪০০ টির বেশি প্ল্যান্ট চালু আছে। তাদের দেশে এখন ময়লার এতই অভাব যে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে বিদেশ থেকে বর্জ্য আমদানি করতে হয়। তাহলে আমাদের দেশ কেন পারবে না বর্জ্য (ময়লার স্তুুপ) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে। চেষ্টা করলে আমাদের দেশেও সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন মহল।

ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন বিভাগের ডাস্টবিন ও রাস্তায় ময়লার স্তূপ আর দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। অথচ এই ময়লা ব্যবহার করেই কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। ফলে কয়লা বা এলএনজি আমদানির চাপ কমবে, বছরে দেশের হাজার কোটি টাকা বেঁচে যাবে। সম্প্রতি একটি চীনা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাবও দিয়েছে।

তাহলে এত বছর ধরে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না কেন? এমনটাই প্রশ্ন করছেন দেশের সচেতন মহল।

প্রতি বছর ময়লার ভাগাড় বা ল্যান্ডফিল ও জমি অধিগ্রহণের নামে শত শত কোটি টাকার বাজেট পাস হয় এবং তা লুট হয়। ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানো হলে ল্যান্ডফিলের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে-৯৫% বর্জ্যই পুড়ে যাবে। ল্যান্ডফিল না থাকলে অসাধু কর্মকর্তাদের অবৈধ আয়ের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

তাই তারা বছরের পর বছর পরিবেশ ছাড়পত্র ও “ময়লায় পানি বেশি”-এমন কি নানা অজুহাত দেখিয়ে ঢাকার আমিনবাজারসহ অন্যান্য প্রকল্প আটকে রাখছে।

আমরা কেন ময়লার স্তূপে বসে থেকে বিদেশ থেকে চড়া দামে জ্বালানি কিনব? সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অর্থের অপচয় রোধ হবে, শহর হবে পরিচ্ছন্ন।এবং দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে যাবে।

এই ল্যান্ডফিল সিন্ডিকেট ভাঙতে বর্জ্য-বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা এখন সময়ের দাবি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলেই দেশের বর্জ্যই হয়ে উঠবে দেশের সম্পদ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির

৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: দেশের বিভিন্ন শহরের ময়লার ভাগাড় দিয়ে কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এতে বছরে বাঁচবে প্রায় (১০০০) এক হাজার কোটি টাকার ও বেশী এবং সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাঁচবে অর্থের অপচয় ও শহর হবে পরিচ্ছন্ন। অথচ কিছু অসাধু কর্মকর্তার পকেট ভারী করতে আটকে রাখা হয়েছে এমন মেগাপ্রকল্প।

চীনের মতো দেশে ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানোর ৪০০ টির বেশি প্ল্যান্ট চালু আছে। তাদের দেশে এখন ময়লার এতই অভাব যে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে বিদেশ থেকে বর্জ্য আমদানি করতে হয়। তাহলে আমাদের দেশ কেন পারবে না বর্জ্য (ময়লার স্তুুপ) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে। চেষ্টা করলে আমাদের দেশেও সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন মহল।

ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন বিভাগের ডাস্টবিন ও রাস্তায় ময়লার স্তূপ আর দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। অথচ এই ময়লা ব্যবহার করেই কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। ফলে কয়লা বা এলএনজি আমদানির চাপ কমবে, বছরে দেশের হাজার কোটি টাকা বেঁচে যাবে। সম্প্রতি একটি চীনা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাবও দিয়েছে।

তাহলে এত বছর ধরে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না কেন? এমনটাই প্রশ্ন করছেন দেশের সচেতন মহল।

প্রতি বছর ময়লার ভাগাড় বা ল্যান্ডফিল ও জমি অধিগ্রহণের নামে শত শত কোটি টাকার বাজেট পাস হয় এবং তা লুট হয়। ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানো হলে ল্যান্ডফিলের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে-৯৫% বর্জ্যই পুড়ে যাবে। ল্যান্ডফিল না থাকলে অসাধু কর্মকর্তাদের অবৈধ আয়ের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

তাই তারা বছরের পর বছর পরিবেশ ছাড়পত্র ও “ময়লায় পানি বেশি”-এমন কি নানা অজুহাত দেখিয়ে ঢাকার আমিনবাজারসহ অন্যান্য প্রকল্প আটকে রাখছে।

আমরা কেন ময়লার স্তূপে বসে থেকে বিদেশ থেকে চড়া দামে জ্বালানি কিনব? সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অর্থের অপচয় রোধ হবে, শহর হবে পরিচ্ছন্ন।এবং দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে যাবে।

এই ল্যান্ডফিল সিন্ডিকেট ভাঙতে বর্জ্য-বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা এখন সময়ের দাবি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলেই দেশের বর্জ্যই হয়ে উঠবে দেশের সম্পদ।