ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারুণ্যের বাস্তব ভাবনায় মাহে রামাদান: তাজকিয়ার সেমিনার ও কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির টহল ও তল্লাশী জোরদার টেকনাফে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশাল ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল ছেংগারচর পৌর ভূগর্ভস্থ পানি শোধনাগার উদ্বোধনের ৩ বছরেও কাজে আসছে না পানি শোধনাগার, বঞ্চিত স্থানীয়রা এইচএসসি ফলাফল বিপর্যয়ে মতলব উত্তরের দুই কলেজে পাঠদান স্থগিত কালীগঞ্জের নলতায় আল আমিন ট্রাস্ট মসজিদ কমপ্লেক্স উদ্বোধনী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেসমিনা খানম: সমাজসেবা  থেকে সংসদে যেতে চান বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদকসহ আটক ১ পেকুয়ায় ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মা–মেয়ের এক মাসের কারাদণ্ড

চীনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুল্ক যুদ্ধে মেতেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেখানে যেন টার্গেটে পরিনত করেছে কিছু দেশকে। যে তালিকায় এতদিন আলোচনায় ছিল ভারতের নাম। এবার ভারতের চেয়ে ৪ গুণ বেশি শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিলো চীনকে। কিন্তু প্রশ্ন হল, হঠাত করেই এত নাখোশ হওয়ার কারণ কী? এ নিয়ে বেশ কিছু কারণ দেখিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্প বলেছেন, ‘চীন যদি আমাদের ম্যাগনেট না দেয়, তবে তাদের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাতে হবে বা এ রকম কিছু করতে হবে।’ দুই দেশের বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্যে এমন মন্তব্য এলো যখন বিরল খনিজ ও চুম্বকের সরবরাহ নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে চীন। চলতি বছরের এপ্রিলে দেশটি বিরল খনিজের কয়েকটি পণ্য ও চুম্বককে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানোর পাল্টা জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেয় বেইজিং। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, দুর্লভ খনিজ উপাদান নিয়ে বেইজিং অত্যন্ত সংবেদনশীল। গত এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীন বেশ কিছু দুর্লভ খনিজ ও ম্যাগনেট রপ্তানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। বর্তমানে বৈশ্বিক ম্যাগনেট বাজারের প্রায় ৯০ শতাংশই চীনের দখলে। এসব উপাদান সেমিকন্ডাক্টর চিপসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পণ্যে অপরিহার্য, যার ব্যবহার রয়েছে স্মার্টফোনের মতো প্রযুক্তিপণ্যে।

সম্প্রতি ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা বাড়িয়েছেন আরও ৯০ দিন, যাতে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনার আরও সুযোগ তৈরি হয়। এ আদেশ না হলে শুল্কের হার ১৪৫ শতাংশে পৌঁছাত। এর আগে গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সমঝোতায় এসেছিল যে, শুল্ক হার ১২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে আনা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরোপ করা হবে ৩০ শতাংশ শুল্ক।

বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে চলমান শুল্ক বিরোধের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের নতুন হুমকি পরিস্থিতিকে আবারও জটিল করবে বলেই মনে হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের বাস্তব ভাবনায় মাহে রামাদান: তাজকিয়ার সেমিনার ও কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

চীনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ১২:০২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুল্ক যুদ্ধে মেতেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেখানে যেন টার্গেটে পরিনত করেছে কিছু দেশকে। যে তালিকায় এতদিন আলোচনায় ছিল ভারতের নাম। এবার ভারতের চেয়ে ৪ গুণ বেশি শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিলো চীনকে। কিন্তু প্রশ্ন হল, হঠাত করেই এত নাখোশ হওয়ার কারণ কী? এ নিয়ে বেশ কিছু কারণ দেখিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্প বলেছেন, ‘চীন যদি আমাদের ম্যাগনেট না দেয়, তবে তাদের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাতে হবে বা এ রকম কিছু করতে হবে।’ দুই দেশের বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্যে এমন মন্তব্য এলো যখন বিরল খনিজ ও চুম্বকের সরবরাহ নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে চীন। চলতি বছরের এপ্রিলে দেশটি বিরল খনিজের কয়েকটি পণ্য ও চুম্বককে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানোর পাল্টা জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেয় বেইজিং। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, দুর্লভ খনিজ উপাদান নিয়ে বেইজিং অত্যন্ত সংবেদনশীল। গত এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীন বেশ কিছু দুর্লভ খনিজ ও ম্যাগনেট রপ্তানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। বর্তমানে বৈশ্বিক ম্যাগনেট বাজারের প্রায় ৯০ শতাংশই চীনের দখলে। এসব উপাদান সেমিকন্ডাক্টর চিপসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পণ্যে অপরিহার্য, যার ব্যবহার রয়েছে স্মার্টফোনের মতো প্রযুক্তিপণ্যে।

সম্প্রতি ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা বাড়িয়েছেন আরও ৯০ দিন, যাতে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনার আরও সুযোগ তৈরি হয়। এ আদেশ না হলে শুল্কের হার ১৪৫ শতাংশে পৌঁছাত। এর আগে গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সমঝোতায় এসেছিল যে, শুল্ক হার ১২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে আনা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরোপ করা হবে ৩০ শতাংশ শুল্ক।

বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে চলমান শুল্ক বিরোধের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের নতুন হুমকি পরিস্থিতিকে আবারও জটিল করবে বলেই মনে হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা