ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আফগানদের দায়িত্বে বাংলাদেশের সাবেক কোচ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ দেখছে ইরান দুমকি উপজেলায়, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে দোকানিকে জরিমানা কক্সবাজারে জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ৯ ডাকাত আটক, ৪ জেলে উদ্ধার কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারী আটক অপরাধী যেই হোক কোন দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনা হবে: হারুন-অর রশীদ ভোলা কিচেন মার্কেটে নারী ও পুত্রকে মারধর: বিচারের দাবিতে ব্যবসায়িকদের মানববন্ধন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন স্বাভাবিক প্রক্রিয়া: অর্থমন্ত্রী নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফোনে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ দেখছে ইরান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তজাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়াতে একটি সমঝোতা এখন হাতের নাগালে বলে দাবি করেছে ইরান। জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে নির্ধারিত আলোচনার ঠিক দুই দিন আগে এই বার্তা দিল তেহরান।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক উদ্বেগ দূর করে ও স্বার্থ নিশ্চিত করে এমন এক নজিরবিহীন চুক্তিতে পৌঁছানোর ঐতিহাসিক সুযোগ আমাদের সামনে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি ‘হাতের নাগালে আছে, তবে কেবল তখনই তা হতে পারে, যদি কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।’

চলতি মাসের শুরুতে আলোচনা পুনরায় শুরুর পর এটি হবে তৃতীয় দফা বৈঠক। বৃহস্পতিবার জেনেভায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক মোতায়েন করেছেন এবং চুক্তি না হলে হামলা ইরানে চালানোর হুমকি দিয়েছেন ।

ঠিক এমনই প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ইরান বারবার বলেছে, যে কোনো হামলার জবাব তারা কঠোরভাবে দেবে। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সীমিত হলেও যে কোনো হামলাকে ‘আগ্রাসন’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

আরাকচি তার পোস্টে বলেন, ইরান ‘কোনো পরিস্থিতিতেই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না।’

তবে শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তির সুফল ব্যবহারের অধিকার তারা বজায় রাখবে বলে বারংবার দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছে।

আরাকচি আরও বলেন, ‘আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা কোনো কিছুতেই পিছপা হব না, আর এটি আমরা প্রমাণ করেছি।’

গত বছর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ দফা পরমাণু আলোচনা করেছিল। তবে ইসরাইলের নজিরবিহীন হামলার পর, সেই আলোচনা ভেস্তে যায়। এতে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু হয়।

পরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় সীমিত হামলায় অংশ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরাইলের ওপর। পাশাপাশি কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা করে।

ইরান ধারাবাহিকভাবে পরমাণু অস্ত্র তৈরির কোনো অভিপ্রায় থাকার কথা অস্বীকার করেছে।

তবে বেসামরিক জ্বালানি ও গবেষণার জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণকে তারা তাদের সার্বভৌম অধিকার হিসেবে দাবি করে।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগানদের দায়িত্বে বাংলাদেশের সাবেক কোচ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ দেখছে ইরান

আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তজাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়াতে একটি সমঝোতা এখন হাতের নাগালে বলে দাবি করেছে ইরান। জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে নির্ধারিত আলোচনার ঠিক দুই দিন আগে এই বার্তা দিল তেহরান।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক উদ্বেগ দূর করে ও স্বার্থ নিশ্চিত করে এমন এক নজিরবিহীন চুক্তিতে পৌঁছানোর ঐতিহাসিক সুযোগ আমাদের সামনে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি ‘হাতের নাগালে আছে, তবে কেবল তখনই তা হতে পারে, যদি কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।’

চলতি মাসের শুরুতে আলোচনা পুনরায় শুরুর পর এটি হবে তৃতীয় দফা বৈঠক। বৃহস্পতিবার জেনেভায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক মোতায়েন করেছেন এবং চুক্তি না হলে হামলা ইরানে চালানোর হুমকি দিয়েছেন ।

ঠিক এমনই প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ইরান বারবার বলেছে, যে কোনো হামলার জবাব তারা কঠোরভাবে দেবে। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সীমিত হলেও যে কোনো হামলাকে ‘আগ্রাসন’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

আরাকচি তার পোস্টে বলেন, ইরান ‘কোনো পরিস্থিতিতেই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না।’

তবে শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তির সুফল ব্যবহারের অধিকার তারা বজায় রাখবে বলে বারংবার দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছে।

আরাকচি আরও বলেন, ‘আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা কোনো কিছুতেই পিছপা হব না, আর এটি আমরা প্রমাণ করেছি।’

গত বছর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ দফা পরমাণু আলোচনা করেছিল। তবে ইসরাইলের নজিরবিহীন হামলার পর, সেই আলোচনা ভেস্তে যায়। এতে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু হয়।

পরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় সীমিত হামলায় অংশ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরাইলের ওপর। পাশাপাশি কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা করে।

ইরান ধারাবাহিকভাবে পরমাণু অস্ত্র তৈরির কোনো অভিপ্রায় থাকার কথা অস্বীকার করেছে।

তবে বেসামরিক জ্বালানি ও গবেষণার জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণকে তারা তাদের সার্বভৌম অধিকার হিসেবে দাবি করে।