ঢাকা ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অপরাধ দমনে সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৬ সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে ফজলুল হক জুয়েল চকরিয়ায় অবৈধ বালুমহালে অভিযান, গ্রেফতার ২ কুড়িগ্রামে ১০ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার র‍্যাব-১১ ও র‍্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি কক্সবাজারে গ্রেপ্তার টেকনাফে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ১৫ হাজার ১৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির দুই অভিযানে ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ চলাচলের রাস্তার দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ২২ আসামি গ্রেপ্তার যশোরের সাতমাইল পশুহাটে দর পত্রের ধস নামাতে সিন্ডিকেটের বাধা, নিজেদের পকেট ভরাতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার

কুড়িগ্রামে ১০ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। অভিযানে ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চক্রের ৯ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা—কোট চত্বর, নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সদর হাসপাতাল এলাকা ও জিয়া বাজার থেকে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম)-এর দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মাসুদ রানার তত্ত্বাবধানে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট, উলিপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও সদস্যদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে কম দামে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের কাছে বিক্রি করত। পরবর্তীতে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এসব মোটরসাইকেল সাধারণ মানুষের কাছে বেশি দামে বিক্রি করা হতো।

উদ্ধারকৃত ১০টি মোটরসাইকেলের মধ্যে ২টির মালিকানা নিশ্চিত হওয়ায় সেগুলো মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি মোটরসাইকেল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছে, যা আদালতের নির্দেশে মালিককে ফেরত দেওয়া হবে। বাকি ৭টি মোটরসাইকেল বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং মালিকানা যাচাই প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রাজারহাট থানায় মোট ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চুরি ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অপরাধ দমনে সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৬

কুড়িগ্রামে ১০ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। অভিযানে ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চক্রের ৯ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা—কোট চত্বর, নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সদর হাসপাতাল এলাকা ও জিয়া বাজার থেকে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম)-এর দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মাসুদ রানার তত্ত্বাবধানে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট, উলিপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও সদস্যদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে কম দামে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের কাছে বিক্রি করত। পরবর্তীতে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এসব মোটরসাইকেল সাধারণ মানুষের কাছে বেশি দামে বিক্রি করা হতো।

উদ্ধারকৃত ১০টি মোটরসাইকেলের মধ্যে ২টির মালিকানা নিশ্চিত হওয়ায় সেগুলো মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি মোটরসাইকেল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছে, যা আদালতের নির্দেশে মালিককে ফেরত দেওয়া হবে। বাকি ৭টি মোটরসাইকেল বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং মালিকানা যাচাই প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রাজারহাট থানায় মোট ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চুরি ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।