ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শার্শা উপজেলায় ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে বিএনপি’র নির্বাচনী সমাবেশ নারায়ণগঞ্জ-৩ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ  মতলব উত্তরে প্রচার প্রচারণা ও নির্বাচনী করণীয় বিষয়ক যুবদলের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওকে আঞ্চলিক উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপ দিতে তারেক জিয়ার তিন প্রতিশ্রুতি গভীর সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের অভিযান: অবৈধ ট্রলিং বোটসহ ৩৪ জেলে আটক রংপুরের শিক্ষার উজ্জল নক্ষত্র প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রেজাউল হক আর নেই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দাঁড়ি পাল্লার নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা রামগড়ে ওয়াদুদ ভূঁইয়ার সমর্থনে বিএনপির উঠান বৈঠক “শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি  সিদ্ধিরগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে সুমন মুন্সী‘র প্রচারণা  শহরে পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে ১১টি ককটেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওকে আঞ্চলিক উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপ দিতে তারেক জিয়ার তিন প্রতিশ্রুতি

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাডেট কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর ও আইটি হাব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়কে শিল্পে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মানুষের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সেটা ভোটের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেবে। বিগত ১৬ বছর স্বৈরাচার শুধু নিজের স্বার্থ দেখেছে। আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই।পঞ্চগড়ে চিনিকল, চা ও রেশন শিল্প চালু করা হবে। জনগণের হারিয়ে যাওয়ার অধিকার ভোগ করার সময় এসেছে। তারেক রহমান বলেন, এই এলাকা কৃষনির্ভর। কৃষকদের পাশে যেমন দাঁড়াবো তেমনভাবে এই এলাকায় কৃষিনির্ভর শিল্প বিকশিত করবো। যাতে কর্মসংস্থান হয়। বহু যুবক আছে যারা বেকার। যুবকদের ট্রেনং দিয়ে দক্ষ শ্রমিক করতে চাই। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মানুষকে সাথে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগীতা লাগবে। বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনী জনসভায় এক দল আরেক দলের বিপক্ষে কথা বললে জনগণের কোনও লাভ হবে না। জনগণ জানতে চায় আমরা মানুষের জন্য কি করবো। এজন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি। খালেদা জিয়া বলতেন বাংলাদেশ ছাড়া তার আর কোনও ঠিকানা নেই। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী বিশ্বাস করে বাংলাদেশ তাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। এজন্য আমরা জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছি। জনগণের শক্তিতে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। তিনি আরও বলেন, ২৪ সালে অভ্যুত্থান দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের। ২৪ এও একই। এই দেশে হাজার বছর ধরে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। আগামীতেও তাই হবে। ধর্ম দিয়ে কাউকে বিচার করা হবে না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্শা উপজেলায় ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে বিএনপি’র নির্বাচনী সমাবেশ

ঠাকুরগাঁওকে আঞ্চলিক উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপ দিতে তারেক জিয়ার তিন প্রতিশ্রুতি

আপডেট সময় : ০২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাডেট কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর ও আইটি হাব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়কে শিল্পে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মানুষের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সেটা ভোটের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেবে। বিগত ১৬ বছর স্বৈরাচার শুধু নিজের স্বার্থ দেখেছে। আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই।পঞ্চগড়ে চিনিকল, চা ও রেশন শিল্প চালু করা হবে। জনগণের হারিয়ে যাওয়ার অধিকার ভোগ করার সময় এসেছে। তারেক রহমান বলেন, এই এলাকা কৃষনির্ভর। কৃষকদের পাশে যেমন দাঁড়াবো তেমনভাবে এই এলাকায় কৃষিনির্ভর শিল্প বিকশিত করবো। যাতে কর্মসংস্থান হয়। বহু যুবক আছে যারা বেকার। যুবকদের ট্রেনং দিয়ে দক্ষ শ্রমিক করতে চাই। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মানুষকে সাথে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগীতা লাগবে। বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনী জনসভায় এক দল আরেক দলের বিপক্ষে কথা বললে জনগণের কোনও লাভ হবে না। জনগণ জানতে চায় আমরা মানুষের জন্য কি করবো। এজন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি। খালেদা জিয়া বলতেন বাংলাদেশ ছাড়া তার আর কোনও ঠিকানা নেই। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী বিশ্বাস করে বাংলাদেশ তাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। এজন্য আমরা জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছি। জনগণের শক্তিতে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। তিনি আরও বলেন, ২৪ সালে অভ্যুত্থান দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের। ২৪ এও একই। এই দেশে হাজার বছর ধরে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। আগামীতেও তাই হবে। ধর্ম দিয়ে কাউকে বিচার করা হবে না।