সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপকে হারিয়ে — সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের কাছে হারের পর পাকিস্তানের সামনে ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ। রবিবার ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে মালদ্বীপের বিপক্ষে জয় ছাড়া তাদের জন্য অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। পাকিস্তান সেই চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করে প্রথমার্ধে তিন গোল করে মালদ্বীপকে ৩–০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পাকিস্তান। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে মালদ্বীপের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ নাঈম ফাউল করেন মিকাইল অরুণ আব্দুল্লাহকে, যার ফলে পাকিস্তান পেনাল্টি পায়। চতুর্থ মিনিটে আব্দুল্লাহ পেনাল্টি থেকে গোল করে পাকিস্তানকে এগিয়ে দেন।
পাকিস্তানের আক্রমণ অব্যাহত থাকে। ৯ মিনিটে নাজিব উল্লাহ বক্সের কিনারা থেকে একটি শট নিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ২৪ মিনিটে মালদ্বীপের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আমদান আলীর ভুলের সুযোগ নিয়ে নাজিব নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। তিনি দূরপাল্লার কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান, ফলে পাকিস্তানের লিড ৩–০ হয়ে যায়।
প্রথমার্ধে পাওয়া এই তিন গোলের লিড শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে পাকিস্তান। বিরতির পর মালদ্বীপ তিনটি পরিবর্তন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মাঠে নামানো হয় দলের তারকা ফরোয়ার্ড আলী ফাসির, হুসাইন সিফাউ ও নিশাম রশিদকে। তবে তারা গোলের দেখা পায়নি।
৫২ মিনিটে ফেদু ইব্বের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং ৬৬ মিনিটে মোহাম্মদ নাঈমের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ইউসুফ ইয়াজ বাট। পরের মিনিটে মালদ্বীপ একটি গোল করার চেষ্টা করে, কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ৭১ মিনিটে পাকিস্তানের বদলি ফরোয়ার্ড শায়ক দোস্তের সামনে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও তিনি তা কাজে লাগাতে পারেননি।
ভারতের কাছে প্রথম ম্যাচে ৩–২ গোলে হারের পর এই জয় পাকিস্তানকে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে ফিরিয়ে এনেছে। দুই ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে, মালদ্বীপের জন্য পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। আগামী ১১ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে তারা। সেই ম্যাচে হারলে মালদ্বীপের বিদায়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 

























