ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনের আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান লালমনিরহাটে চার শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্রীড়া উৎসব বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে, ইরান যুদ্ধের অনিশ্চয়তা অব্যাহত ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফিনএয়ারের দুটি ফ্লাইটে বোমা হামলার ভিত্তিহীন হুমকি ‎প্ল্যান্টের অনুমোদন নেই, তবু হেভি ক্রুড আমদানিতে বিপিসির দ্বারস্থ সুপার পেট্রোকেমিক্যাল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন তিন বিভাগ চালুর পরিকল্পনা এফবিসিসিআই ও ল্যাবএইডের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগ কর্মী জাহেদ বেপারীকে হত্যা: তদন্ত চলছে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহেদ বেপারী (৫০) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ভিটিহোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত জাহেদ বেপারী আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ও সাবেক সংসদ সদস্য ফয়সাল বিপ্লবের সমর্থক ছিলেন। বর্তমানে তাঁর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর অথবা বিকেলে স্বজনরা মরদেহ মুন্সীগঞ্জে নিয়ে আসবেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহেদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে তাঁকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ ফরিদ হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের সমর্থক ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর তাঁরা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিশে এলাকায় নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। জাহেদ ও ফরিদ আওয়ামী লীগের সাবেক দুই সংসদ সদস্যের সমর্থক ছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। স্থানীয় ফরিদসহ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে এবং তাঁদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনের আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান

মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগ কর্মী জাহেদ বেপারীকে হত্যা: তদন্ত চলছে

আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহেদ বেপারী (৫০) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ভিটিহোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত জাহেদ বেপারী আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ও সাবেক সংসদ সদস্য ফয়সাল বিপ্লবের সমর্থক ছিলেন। বর্তমানে তাঁর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর অথবা বিকেলে স্বজনরা মরদেহ মুন্সীগঞ্জে নিয়ে আসবেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহেদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে তাঁকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ ফরিদ হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের সমর্থক ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর তাঁরা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিশে এলাকায় নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। জাহেদ ও ফরিদ আওয়ামী লীগের সাবেক দুই সংসদ সদস্যের সমর্থক ছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। স্থানীয় ফরিদসহ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে এবং তাঁদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।